২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে চোখ মোসাদ্দেকের
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৪ জুন, ২০২৬, 9:51 PM
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে চোখ মোসাদ্দেকের
প্রায় চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরে ২০২৭ সালের আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
দীর্ঘদিন পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে দলে সুযোগ পাওয়া মোসাদ্দেক জানান, ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরমেন্সেই দলে ফেরার পথ তৈরি হয়েছে।
আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের মোসাদ্দেক বলেন, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটই একমাত্র মঞ্চ, যেখানে খেলোয়াড়রা পারফরমেন্সের মাধ্যমে নির্বাচকদের দৃষ্টি কাড়তে পারে। আমি যতদিন সম্ভব ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলার চেষ্টা করেছি। ভালো খেললেই সুযোগ আসে।’
এই অলরাউন্ডার আরও জানান, টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে দেওয়া দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত তিনি।
মোসাদ্দেক বলেন, ‘দলে আমার ভূমিকা পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রধান নির্বাচক সুমন ভাই (হাবিবুল বাশার)। আমি ছয় বা সাত নম্বরে ব্যাট করি, আবার পাঁচ-ছয় ওভার বল করি, আমি আমার দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণত ব্যাটিং পজিশনের খেলোয়াড়দের শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে বিচার করা হয় না। দলে প্রভাব ফেলতে পারাটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
ব্যাটার ও বোলারদের বর্তমান পারফরমেন্সের বিচারে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী মোসাদ্দেক। তিনি বলেন, ‘আমাদের বোলিং আক্রমণ এখন বিশ্বের সেরা দলগুলোর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। আমাদের ব্যাটসম্যানরা ওয়ানডেতে বর্তমান ফর্ম ধরে রাখতে পারলে সিরিজ জয়ের ভালো সুযোগ থাকবে।’
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে চাখ রেখে মোসাদ্দেক জানান, দলে জায়গা পাকা করতে আসন্ন সিরিজগুলোতে ভালো পারফরম্যান্স অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপে খেলা একটি স্বপ্ন। সেটি অর্জন করতে হলে, বিশ্বকাপের আগের সিরিজগুলোতে আমাকে ভালো পারফর্ম করতে হবে। আমি ধারাবাহিকভাবে অবদান রাখতে পারলেই কেবল ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাওয়ার আশা করতে পারি।’
দলের বাইরে থাকায় অবস্থায় মাঝে মাঝে হতাশ হলেও, নিজের খেলার উন্নতিতে মনোনিবেশ করেছিলেন মোসাদ্দেক। তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই, হতাশাজনক মুহূর্ত ছিল। কিন্তু ক্রিকেটে এমনটা হয়েই থাকে। অবশেষে সুযোগ এসেছে এবং নির্বাচক ও দেশবাসী আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন, আমি তার মর্যাদা রাখার চেষ্টা করব।’
অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের শূন্যস্থান পূরণের বিষয়ে জানতে চাইলে মোসাদ্দেক বলেন, ‘যখন সাকিব ভাই দলে থাকতেন না, আমরা সবসময় তার অভাব অনুভব করতাম। তিনি বড় মাপের ক্রিকেটার, যিনি ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই সমানভাবে দলের জন্য অবদান রাখতে পারেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তার সাথে অন্য কারও তুলনা করলে বাড়তি চাপ তৈরি হয়। খেলোয়াড়দের সেরাটা দেওয়ার জন্য স্বাধীনতা ও উৎসাহ প্রয়োজন।’
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৪ জুন, ২০২৬, 9:51 PM
প্রায় চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরে ২০২৭ সালের আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
দীর্ঘদিন পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে দলে সুযোগ পাওয়া মোসাদ্দেক জানান, ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরমেন্সেই দলে ফেরার পথ তৈরি হয়েছে।
আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের মোসাদ্দেক বলেন, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটই একমাত্র মঞ্চ, যেখানে খেলোয়াড়রা পারফরমেন্সের মাধ্যমে নির্বাচকদের দৃষ্টি কাড়তে পারে। আমি যতদিন সম্ভব ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলার চেষ্টা করেছি। ভালো খেললেই সুযোগ আসে।’
এই অলরাউন্ডার আরও জানান, টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে দেওয়া দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত তিনি।
মোসাদ্দেক বলেন, ‘দলে আমার ভূমিকা পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রধান নির্বাচক সুমন ভাই (হাবিবুল বাশার)। আমি ছয় বা সাত নম্বরে ব্যাট করি, আবার পাঁচ-ছয় ওভার বল করি, আমি আমার দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণত ব্যাটিং পজিশনের খেলোয়াড়দের শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে বিচার করা হয় না। দলে প্রভাব ফেলতে পারাটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
ব্যাটার ও বোলারদের বর্তমান পারফরমেন্সের বিচারে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী মোসাদ্দেক। তিনি বলেন, ‘আমাদের বোলিং আক্রমণ এখন বিশ্বের সেরা দলগুলোর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। আমাদের ব্যাটসম্যানরা ওয়ানডেতে বর্তমান ফর্ম ধরে রাখতে পারলে সিরিজ জয়ের ভালো সুযোগ থাকবে।’
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে চাখ রেখে মোসাদ্দেক জানান, দলে জায়গা পাকা করতে আসন্ন সিরিজগুলোতে ভালো পারফরম্যান্স অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপে খেলা একটি স্বপ্ন। সেটি অর্জন করতে হলে, বিশ্বকাপের আগের সিরিজগুলোতে আমাকে ভালো পারফর্ম করতে হবে। আমি ধারাবাহিকভাবে অবদান রাখতে পারলেই কেবল ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাওয়ার আশা করতে পারি।’
দলের বাইরে থাকায় অবস্থায় মাঝে মাঝে হতাশ হলেও, নিজের খেলার উন্নতিতে মনোনিবেশ করেছিলেন মোসাদ্দেক। তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই, হতাশাজনক মুহূর্ত ছিল। কিন্তু ক্রিকেটে এমনটা হয়েই থাকে। অবশেষে সুযোগ এসেছে এবং নির্বাচক ও দেশবাসী আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন, আমি তার মর্যাদা রাখার চেষ্টা করব।’
অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের শূন্যস্থান পূরণের বিষয়ে জানতে চাইলে মোসাদ্দেক বলেন, ‘যখন সাকিব ভাই দলে থাকতেন না, আমরা সবসময় তার অভাব অনুভব করতাম। তিনি বড় মাপের ক্রিকেটার, যিনি ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই সমানভাবে দলের জন্য অবদান রাখতে পারেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তার সাথে অন্য কারও তুলনা করলে বাড়তি চাপ তৈরি হয়। খেলোয়াড়দের সেরাটা দেওয়ার জন্য স্বাধীনতা ও উৎসাহ প্রয়োজন।’