শাল্লায় বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন
শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :
০৩ মে, ২০২৬, 9:10 PM
শাল্লায় বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
রবিবার (৩ মে) দুপুর ২টায় উপজেলা খাদ্য বিভাগের আয়োজনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা নিরঞ্জন সরকার দেড় মেট্রিক টন ধান সরবরাহ করে সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
এ বছর সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা (প্রতি মণ ১,৪৪০ টাকা) দরে ক্রয় করা হচ্ছে। একজন প্রকৃত কৃষক সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন ধান সরবরাহ করতে পারবেন। শাল্লা উপজেলায় এ মৌসুমে মোট ২,২১২ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “ধান ভালোভাবে শুকিয়ে এবং মানসম্মতভাবে সরবরাহ করতে হবে। কারণ, এই ধান পরবর্তীতে চাল হয়ে জনগণের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হবে।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শুভজিৎ রায়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বুলবুল আহমেদ, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক বকুল কুমার বৈদ্য, উপজেলা কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক একরামুল হোসেনসহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
এই সংগ্রহ কার্যক্রমের মাধ্যমে শাল্লার কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে তাদের উৎপাদিত ধান বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :
০৩ মে, ২০২৬, 9:10 PM
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
রবিবার (৩ মে) দুপুর ২টায় উপজেলা খাদ্য বিভাগের আয়োজনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা নিরঞ্জন সরকার দেড় মেট্রিক টন ধান সরবরাহ করে সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
এ বছর সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা (প্রতি মণ ১,৪৪০ টাকা) দরে ক্রয় করা হচ্ছে। একজন প্রকৃত কৃষক সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন ধান সরবরাহ করতে পারবেন। শাল্লা উপজেলায় এ মৌসুমে মোট ২,২১২ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “ধান ভালোভাবে শুকিয়ে এবং মানসম্মতভাবে সরবরাহ করতে হবে। কারণ, এই ধান পরবর্তীতে চাল হয়ে জনগণের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হবে।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শুভজিৎ রায়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বুলবুল আহমেদ, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক বকুল কুমার বৈদ্য, উপজেলা কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক একরামুল হোসেনসহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
এই সংগ্রহ কার্যক্রমের মাধ্যমে শাল্লার কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে তাদের উৎপাদিত ধান বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।