চরভদ্রাসনে জমি নিয়ে বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: আইসিইউতে ১ এলাকায় আতঙ্ক
চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :
০৩ মে, ২০২৬, 8:38 PM
চরভদ্রাসনে জমি নিয়ে বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: আইসিইউতে ১ এলাকায় আতঙ্ক
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও রক্তপাতের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মেহেদী হাসানের ছোট ভাই গুরুতর অবস্থায় বর্তমানে ঢাকার একটি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কেএম ডাঙ্গী জুনিয়র মাদ্রাসা এলাকায় জমির মালিকানা নিয়ে মেহেদী হাসানের সাথে একই এলাকার রাজিব মাহমুদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজিব মাহমুদ এলাকায় একজন দুশ্চরিত্র ও সম্পদলোভী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে আপন বড় ভাইয়ের অর্থ-সম্পদ ভোগ করে এবং নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে আপন বড় ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কে সন্তান জন্ম এবং পরবর্তীতে বিয়ে করে পালিয়ে যাওয়ার মতো গুরুতর সামাজিক ও পারিবারিক অভিযোগ রয়েছে। বড় ভাই কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা ও চালায়।
ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান জানান, বিতর্কিত জমিটি মূলত একটি বিশাল পুকুর ছিল, যা তিনি প্রায় ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে ভরাট করে বসবাসযোগ্য করে তোলেন এবং সেখানে বিভিন্ন ফলজ গাছ রোপণ করেন। বর্তমানে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত রাজিব মাহমুদ এর তৃতীয় স্ত্রী তার পদের প্রভাব খাটিয়ে এবং ভুয়া দলিল তৈরি করে এই জমির মালিকানা দাবি করছেন।
সালিশ অমান্য ও সংঘর্ষের সূত্রপাত
এলাকাবাসী জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ-বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও রাজিব মাহমুদ জমির কোনো বৈধ প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। ফলে সালিশি পক্ষ তার দাবি নাকচ করে দেন বলে জানান আমজাদ ভূইয়া, হাসেম পাল, মনজুরুল হক মৃধা ও অহিদুজ্জামান মোল্লা সালিশ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তাদের ভাষ্যমতে রাজিব মামুদ দাবি অযুক্তিক।পরবর্তীতে মেহেদী হাসান আদালতের শরণাপন্ন হলে উক্ত জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাজিব মাহমুদ তার বহিরাগত ভাড়াটে লোকজন নিয়ে জমি দখলে নিতে যান। তারা বাগানের গাছপালা কেটে ফেলে বাউন্ডারি ও ছাপরা ঘর নির্মাণ করতে গেলে বাধা দিলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ সময় রাজিব মাহমুদের বাহিনীর হামলায় মেহেদী হাসানের ভাই মারাত্মকভাবে জখম হন।
বর্তমানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, রাজিব মাহমুদ একের পর এক বিয়ে এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজের পরিবার ও সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্ট করেছেন। বর্তমানে পুলিশ স্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি প্রতিবেশীর জমি গ্রাস করতে চাইছেন।
আহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের স্বজন বর্তমানে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচারের জোর দাবি জানিয়েছেন। বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :
০৩ মে, ২০২৬, 8:38 PM
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও রক্তপাতের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মেহেদী হাসানের ছোট ভাই গুরুতর অবস্থায় বর্তমানে ঢাকার একটি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কেএম ডাঙ্গী জুনিয়র মাদ্রাসা এলাকায় জমির মালিকানা নিয়ে মেহেদী হাসানের সাথে একই এলাকার রাজিব মাহমুদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজিব মাহমুদ এলাকায় একজন দুশ্চরিত্র ও সম্পদলোভী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে আপন বড় ভাইয়ের অর্থ-সম্পদ ভোগ করে এবং নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে আপন বড় ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কে সন্তান জন্ম এবং পরবর্তীতে বিয়ে করে পালিয়ে যাওয়ার মতো গুরুতর সামাজিক ও পারিবারিক অভিযোগ রয়েছে। বড় ভাই কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা ও চালায়।
ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান জানান, বিতর্কিত জমিটি মূলত একটি বিশাল পুকুর ছিল, যা তিনি প্রায় ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে ভরাট করে বসবাসযোগ্য করে তোলেন এবং সেখানে বিভিন্ন ফলজ গাছ রোপণ করেন। বর্তমানে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত রাজিব মাহমুদ এর তৃতীয় স্ত্রী তার পদের প্রভাব খাটিয়ে এবং ভুয়া দলিল তৈরি করে এই জমির মালিকানা দাবি করছেন।
সালিশ অমান্য ও সংঘর্ষের সূত্রপাত
এলাকাবাসী জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ-বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও রাজিব মাহমুদ জমির কোনো বৈধ প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। ফলে সালিশি পক্ষ তার দাবি নাকচ করে দেন বলে জানান আমজাদ ভূইয়া, হাসেম পাল, মনজুরুল হক মৃধা ও অহিদুজ্জামান মোল্লা সালিশ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তাদের ভাষ্যমতে রাজিব মামুদ দাবি অযুক্তিক।পরবর্তীতে মেহেদী হাসান আদালতের শরণাপন্ন হলে উক্ত জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাজিব মাহমুদ তার বহিরাগত ভাড়াটে লোকজন নিয়ে জমি দখলে নিতে যান। তারা বাগানের গাছপালা কেটে ফেলে বাউন্ডারি ও ছাপরা ঘর নির্মাণ করতে গেলে বাধা দিলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ সময় রাজিব মাহমুদের বাহিনীর হামলায় মেহেদী হাসানের ভাই মারাত্মকভাবে জখম হন।
বর্তমানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, রাজিব মাহমুদ একের পর এক বিয়ে এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজের পরিবার ও সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্ট করেছেন। বর্তমানে পুলিশ স্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি প্রতিবেশীর জমি গ্রাস করতে চাইছেন।
আহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের স্বজন বর্তমানে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচারের জোর দাবি জানিয়েছেন। বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
সম্পর্কিত