ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বাগেরহাট হাসপাতাল থেকে গুরুতর আহত রোগীকে 'নরমাল' সার্টিফিকেট দেওয়ার প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন

#
news image

বাগেরহাট হাসপাতাল থেকে গুরুতর আহত রোগীকেও 'নরমাল' বা সাধারণ আঘাতের সার্টিফিকেট দেওয়ার প্রতিবাদ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি এবং সংশ্লিষ্ট সকল প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
সোমবার( ২৭ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরী সংবাদ সম্মেলন করেন এক অসহায় বোন ইরানী বেগম। লিখিত অভিযোগে ইরানী বেগম বলেন, ফেসবুকে পোষ্ট করা নিয়ে গত ২ মার্চ রাতে রাতে বাহারুল সরদার, শিফাত সরদার, নাসির উদ্দিন শেখ, আমিরুল ইসলাম কুটি, মোনসেব শেখ আমার ভাই সোহানকে খুন করার উদ্দেশ্যে আমাদের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক টানা-হেঁচড়া করে একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে তারা আমার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেধড়ক মারধর করে চুরি দিয়ে গুরুতর জখম করে এবং আমাদের মারধর করেন। আমি ৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশ এসে বাধা দিলে আসামীরা আমার ভাইকে খুন করতে ব্যর্থ হয়  যাওয়ার সময় আমাদেরকে খুন-জখমের ভয়-ভীতি দেখিয়ে যায়।
লিখিত অভিযোগে তিনি আরো বলেন, আমার ভাইকে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সেখানেও আমরা সঠিক চিকিৎসা পাইনি। হাসপাতাল থেকে ইনজুরি সার্টিফিকেট 'নরমাল' করে দেওয়া হয়েছে, আমরা ফকিরহাট থানায় মামলা করতে গেলে আসামীদের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে থানা মামলা নেয়নি। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে আমরা আদালতে মামলা করি। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের কাছে প্রেরণ করে। মামলা করার পর থেকে আসামীরা প্রতিনিয়ত আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের খুন-জখমের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আসামীরা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু। এব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না।
সংবাদ সম্মেলনে ইরানি বেগম দাবি করেন, আমার ভাই সোহানের উপর হামলাকারী সকল আসামীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির, থানা ও
হাসপাতাল কেন আমাদের সহযোগিতা করেনি তার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। আমার পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এলাকাবাসীকে এই সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্ত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :

২৭ এপ্রিল, ২০২৬,  6:41 PM

news image

বাগেরহাট হাসপাতাল থেকে গুরুতর আহত রোগীকেও 'নরমাল' বা সাধারণ আঘাতের সার্টিফিকেট দেওয়ার প্রতিবাদ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি এবং সংশ্লিষ্ট সকল প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
সোমবার( ২৭ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরী সংবাদ সম্মেলন করেন এক অসহায় বোন ইরানী বেগম। লিখিত অভিযোগে ইরানী বেগম বলেন, ফেসবুকে পোষ্ট করা নিয়ে গত ২ মার্চ রাতে রাতে বাহারুল সরদার, শিফাত সরদার, নাসির উদ্দিন শেখ, আমিরুল ইসলাম কুটি, মোনসেব শেখ আমার ভাই সোহানকে খুন করার উদ্দেশ্যে আমাদের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক টানা-হেঁচড়া করে একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে তারা আমার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেধড়ক মারধর করে চুরি দিয়ে গুরুতর জখম করে এবং আমাদের মারধর করেন। আমি ৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশ এসে বাধা দিলে আসামীরা আমার ভাইকে খুন করতে ব্যর্থ হয়  যাওয়ার সময় আমাদেরকে খুন-জখমের ভয়-ভীতি দেখিয়ে যায়।
লিখিত অভিযোগে তিনি আরো বলেন, আমার ভাইকে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সেখানেও আমরা সঠিক চিকিৎসা পাইনি। হাসপাতাল থেকে ইনজুরি সার্টিফিকেট 'নরমাল' করে দেওয়া হয়েছে, আমরা ফকিরহাট থানায় মামলা করতে গেলে আসামীদের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে থানা মামলা নেয়নি। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে আমরা আদালতে মামলা করি। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের কাছে প্রেরণ করে। মামলা করার পর থেকে আসামীরা প্রতিনিয়ত আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের খুন-জখমের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আসামীরা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু। এব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না।
সংবাদ সম্মেলনে ইরানি বেগম দাবি করেন, আমার ভাই সোহানের উপর হামলাকারী সকল আসামীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির, থানা ও
হাসপাতাল কেন আমাদের সহযোগিতা করেনি তার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। আমার পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এলাকাবাসীকে এই সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্ত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।