ঢাকা ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমানে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই : সালাহউদ্দিন আহমদ হেপাটাইটিস নির্মূলে বিশ্ব খুব ধীরগতিতে এগোচ্ছে: ডব্লিউএইচও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির অডিটে ৭২ হাজার ৩৪১ আয়কর রিটার্ন দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৭৬ ফরিদপুরে তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেফতার শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি সহ ২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপি বরাবর অভিযোগ ।  গাজীপুরে অধ্যাপক এম এ মান্নান এর ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী পালিত আবারো পেছালো চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর আপিলঃ চুড়ান্ত শুনানি ৫মে নির্ধারণ নাসিরনগরে ৩৫ হাজার মানুষের কান্না: ‘মুক্তি বাড়ি’ সড়ক এখন জনপদের মরণফাঁদ !

পেরেরার দুর্দান্ত সেঞ্চুরি সত্ত্বেও হার এড়াতে পারলো না ঢাকা

#
news image

শ্রীলংকার থিসারা পেরেরার দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পরও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ১১তম আসরে হার এড়াতে পারলো না ঢাকা ক্যাপিটাল।  এর আগে টানা দুই পরাজয়ের পর আজ টুর্নামেন্টের অষ্টম ও নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের কাছে ২০ রানে হেরেছে ঢাকা। দুই ম্যাচের দু’টিতেই জিতে পূর্ণ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে উঠলো খুলনা। ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে রংপুর রাইডার্স।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট হাতে নেমে ওপেনার মোহাম্মদ নাইমের ঝড়ো ইনিংসের সুবাদে উদ্বোধনী জুটিতে ২৯ বলে ৪৯ রান পায় খুলনা টাইগার্স।

নাইমকে থামিয়ে ঢাকাকে প্রথম ব্রেক-থ্রু এনে দেন শ্রীলংকার স্পিনার চাতুরাঙ্গা ডি সিলভা। ৭টি চারে ১৭ বলে ৩০ রান করেন নাইম।

নাইম ফেরার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে দলীয়  ৯৩ রানে ষষ্ঠ উইকেট পতন হয় খুলনার।  এসময় আরেক ওপেনার অস্ট্রেলিয়ার উইলিয়াম বোসিসতো ২৬, মিডল অর্ডারে আফিফ হোসেন ১, আফগানিস্তানের ইব্রাহিম জাদরান ৫, অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ ৮ ও পাকিস্তানের মোহাম্মদ নওয়াজ ৫ রানে আউট হন।

১৩তম ওভারে ষষ্ঠ উইকেট পতনের পর সপ্তম উইকেটে ২৯ বলে ৪৩ রানের জুটিতে খুলনাকে চাপমুক্ত করেন উইকেটরক্ষক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও জিয়াউর রহমান। ১৮তম ওভারে জিয়াকে আউট করে জুটি ভাঙেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৫ বলে ২২ রান করেন জিয়া।

পরের ওভারে পেসার আবু জায়েদের বলে আউট হন অঙ্কন।  দ্রুত গতিতে ব্যাট চালিয়ে ১টি চার ও ২টি ছক্কায় ২২ বলে ৩২ রান করেন তিনি। আগের ম্যাচে চট্টগ্রাম কিংসের বিপক্ষে ১টি চার ও ৬টি ছক্কায় ২২ বলে ৫৯ রান করেছিলেন অঙ্কন।

ইনিংসের শেষ ওভারে আবু হায়দার ও নাসুম আহমেদ ২৩ রান তুলে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে খুলনাকে ১৭৩ রানের পুঁজি এনে দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পেসার শুবম রঞ্জনের করা শেষ ওভারে আবু হায়দার ৩টি ছক্কা ও নাসুম আহমেদ ১টি চার মারেন।
৩টি ছক্কায় ৮ বলে আবু হায়দার ২১ এবং ৪ বলে ২টি বাউন্ডারিতে ৯ রানে অপরাজিত থাকেন নাসুম।
ঢাকার ডি সিলভা ২টি এবং বাকী ছয় বোলার ১টি করে উইকেট নেন।

জবাবে খুলনার দুই বোলার মিরাজ ও আবু হায়দারের বোলিং তোপে ৪১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে লড়াই থেকে ছিটকে যায় ঢাকা। এসময় মিরাজ ৩টি ও আবু হায়দার ২টি উইকেট নেন।

দলকে লড়াইয়ে ফেরাতে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন অধিনায়ক শ্রীলংকান থিসারা পেরেরা। ৩৯ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করার পর স্বদেশী  ডি সিলভাকে নিয়ে চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি ফোটান পেরেরা। ইনিংসের শেষ বলে চার মেরে ৬০ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পান পেরেরা। তার সেঞ্চুরির পরও ৬ উইকেটে ১৫৩ রানের বেশি করতে না পারায় হারতে হয় ঢাকাকে।

৯টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৬০ বলে ১০৩ রানে অপরাজিত থাকেন পেরেরা। সপ্তম উইকেট ডি সিলভার সাথে ৬৩ বলে অবিচ্ছিন্ন ১১২ রান যোগ করেন পেরেরা। ২০ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন ডি সিলভা।

খুলনার মিরাজ ৩টি ও আবু হায়দার ২টি উইকেট নেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৪ জানুয়ারি, ২০২৫,  5:01 PM

news image

শ্রীলংকার থিসারা পেরেরার দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পরও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ১১তম আসরে হার এড়াতে পারলো না ঢাকা ক্যাপিটাল।  এর আগে টানা দুই পরাজয়ের পর আজ টুর্নামেন্টের অষ্টম ও নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের কাছে ২০ রানে হেরেছে ঢাকা। দুই ম্যাচের দু’টিতেই জিতে পূর্ণ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে উঠলো খুলনা। ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে রংপুর রাইডার্স।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট হাতে নেমে ওপেনার মোহাম্মদ নাইমের ঝড়ো ইনিংসের সুবাদে উদ্বোধনী জুটিতে ২৯ বলে ৪৯ রান পায় খুলনা টাইগার্স।

নাইমকে থামিয়ে ঢাকাকে প্রথম ব্রেক-থ্রু এনে দেন শ্রীলংকার স্পিনার চাতুরাঙ্গা ডি সিলভা। ৭টি চারে ১৭ বলে ৩০ রান করেন নাইম।

নাইম ফেরার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে দলীয়  ৯৩ রানে ষষ্ঠ উইকেট পতন হয় খুলনার।  এসময় আরেক ওপেনার অস্ট্রেলিয়ার উইলিয়াম বোসিসতো ২৬, মিডল অর্ডারে আফিফ হোসেন ১, আফগানিস্তানের ইব্রাহিম জাদরান ৫, অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ ৮ ও পাকিস্তানের মোহাম্মদ নওয়াজ ৫ রানে আউট হন।

১৩তম ওভারে ষষ্ঠ উইকেট পতনের পর সপ্তম উইকেটে ২৯ বলে ৪৩ রানের জুটিতে খুলনাকে চাপমুক্ত করেন উইকেটরক্ষক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও জিয়াউর রহমান। ১৮তম ওভারে জিয়াকে আউট করে জুটি ভাঙেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৫ বলে ২২ রান করেন জিয়া।

পরের ওভারে পেসার আবু জায়েদের বলে আউট হন অঙ্কন।  দ্রুত গতিতে ব্যাট চালিয়ে ১টি চার ও ২টি ছক্কায় ২২ বলে ৩২ রান করেন তিনি। আগের ম্যাচে চট্টগ্রাম কিংসের বিপক্ষে ১টি চার ও ৬টি ছক্কায় ২২ বলে ৫৯ রান করেছিলেন অঙ্কন।

ইনিংসের শেষ ওভারে আবু হায়দার ও নাসুম আহমেদ ২৩ রান তুলে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে খুলনাকে ১৭৩ রানের পুঁজি এনে দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পেসার শুবম রঞ্জনের করা শেষ ওভারে আবু হায়দার ৩টি ছক্কা ও নাসুম আহমেদ ১টি চার মারেন।
৩টি ছক্কায় ৮ বলে আবু হায়দার ২১ এবং ৪ বলে ২টি বাউন্ডারিতে ৯ রানে অপরাজিত থাকেন নাসুম।
ঢাকার ডি সিলভা ২টি এবং বাকী ছয় বোলার ১টি করে উইকেট নেন।

জবাবে খুলনার দুই বোলার মিরাজ ও আবু হায়দারের বোলিং তোপে ৪১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে লড়াই থেকে ছিটকে যায় ঢাকা। এসময় মিরাজ ৩টি ও আবু হায়দার ২টি উইকেট নেন।

দলকে লড়াইয়ে ফেরাতে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন অধিনায়ক শ্রীলংকান থিসারা পেরেরা। ৩৯ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করার পর স্বদেশী  ডি সিলভাকে নিয়ে চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি ফোটান পেরেরা। ইনিংসের শেষ বলে চার মেরে ৬০ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পান পেরেরা। তার সেঞ্চুরির পরও ৬ উইকেটে ১৫৩ রানের বেশি করতে না পারায় হারতে হয় ঢাকাকে।

৯টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৬০ বলে ১০৩ রানে অপরাজিত থাকেন পেরেরা। সপ্তম উইকেট ডি সিলভার সাথে ৬৩ বলে অবিচ্ছিন্ন ১১২ রান যোগ করেন পেরেরা। ২০ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন ডি সিলভা।

খুলনার মিরাজ ৩টি ও আবু হায়দার ২টি উইকেট নেন।