ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা এখন মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে জেলার আইন সভার বক্তব্যে পুলিশ সুপার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :
১৩ এপ্রিল, ২০২৬, 8:14 PM
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা এখন মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে জেলার আইন সভার বক্তব্যে পুলিশ সুপার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মাদক ব্যবসা প্রতিরোধে মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হচ্ছে গত রবিবার ১২ এপ্রিল জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফ এই তথ্য জানান আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় পুলিশ সুপারের বক্তব্যে উঠে এসেছে মাদক বিক্রি নিয়ে ভয়ংকর তথ্য।
সভায় তিনি জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করতে গিয়ে জেলার সীমান্তবর্তী বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ও বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের অংশে রয়েছে একাধিক মাদকস্পট পাওয়া গেছে যেখানে চাইলে আপনি ইয়াবা পাবেন বিজয়নগরের ভয়াবহ অবস্থা, কি অবস্থা তা কল্পনাও করতে পারবেন না তিনি বলেন, এলাকা, গ্রাম এবং পাড়া-মহল্লা ভিত্তিক মাদক বসব্যবসায়ীদের তালিকা করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এহসান মুরাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম.এ. হান্নান বলেন, আগে নাসিরনগর তুলনা মূলকভাবে ভালো ছিলো এখন এদিক দিয়ে মাদক পাচারের রাস্তা বানাইছে ৩/৪ দিন আগে ফেসবুকে দেখলাম গাঁজার বিরাট বড় এক চালান ধরা পড়েছে মাদক প্রতিরোধে ইউনিয়ন গুলোতে সভা করতে হবে নাসিরনগরের ধরমন্ডলে মাদকের ব্যবহার বেশি আমরা সেখানে প্রথম সভা করতে পারি।
সভায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোবারক হোসাইন আকন্দ বলেন, যারা মাদক সম্রাট তাদের গ্রেপ্তার করার পর জামিন যাতে না পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে।
জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন বলেন, আমরা সবাই জানি কারা মাদক ব্যবসায়ী, চোরাচালানী কথা হলো বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে বিগত সরকারের আমলে আমাদের বিরুদ্ধে একশো-দেড়শো মামলা দেয়া হয়েছে যারা মাদক ব্যবসায়ী-ডিলার তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে জামিন হলে সাথে সাথে নতুন করে মামলা দিতে হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাবলিক প্রসিকিউটর ফখর উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, প্রশাসন, নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে স্থানীয়ভাবে কারা মাদক ব্যবসায় জড়িত তাদেরকে চিহ্নিত করে প্রতিরোধ করতে হবে, সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, মাদকের ব্যাপারে আমরা পরিকল্পনা করছি। আমরা কঠোর হবো।
এদিকে সভায় পেশ করা অপরাধ বিবরণীতে দেখা যায় মার্চ মাসে জেলায় কোন চাঁদাবাজি, ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি। ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে ১টি। আর চুরির ঘটনা ঘটেছে ১৫টি। এই মাসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে ১৯জন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :
১৩ এপ্রিল, ২০২৬, 8:14 PM
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মাদক ব্যবসা প্রতিরোধে মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হচ্ছে গত রবিবার ১২ এপ্রিল জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফ এই তথ্য জানান আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় পুলিশ সুপারের বক্তব্যে উঠে এসেছে মাদক বিক্রি নিয়ে ভয়ংকর তথ্য।
সভায় তিনি জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করতে গিয়ে জেলার সীমান্তবর্তী বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ও বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের অংশে রয়েছে একাধিক মাদকস্পট পাওয়া গেছে যেখানে চাইলে আপনি ইয়াবা পাবেন বিজয়নগরের ভয়াবহ অবস্থা, কি অবস্থা তা কল্পনাও করতে পারবেন না তিনি বলেন, এলাকা, গ্রাম এবং পাড়া-মহল্লা ভিত্তিক মাদক বসব্যবসায়ীদের তালিকা করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এহসান মুরাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম.এ. হান্নান বলেন, আগে নাসিরনগর তুলনা মূলকভাবে ভালো ছিলো এখন এদিক দিয়ে মাদক পাচারের রাস্তা বানাইছে ৩/৪ দিন আগে ফেসবুকে দেখলাম গাঁজার বিরাট বড় এক চালান ধরা পড়েছে মাদক প্রতিরোধে ইউনিয়ন গুলোতে সভা করতে হবে নাসিরনগরের ধরমন্ডলে মাদকের ব্যবহার বেশি আমরা সেখানে প্রথম সভা করতে পারি।
সভায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোবারক হোসাইন আকন্দ বলেন, যারা মাদক সম্রাট তাদের গ্রেপ্তার করার পর জামিন যাতে না পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে।
জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন বলেন, আমরা সবাই জানি কারা মাদক ব্যবসায়ী, চোরাচালানী কথা হলো বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে বিগত সরকারের আমলে আমাদের বিরুদ্ধে একশো-দেড়শো মামলা দেয়া হয়েছে যারা মাদক ব্যবসায়ী-ডিলার তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে জামিন হলে সাথে সাথে নতুন করে মামলা দিতে হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাবলিক প্রসিকিউটর ফখর উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, প্রশাসন, নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে স্থানীয়ভাবে কারা মাদক ব্যবসায় জড়িত তাদেরকে চিহ্নিত করে প্রতিরোধ করতে হবে, সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, মাদকের ব্যাপারে আমরা পরিকল্পনা করছি। আমরা কঠোর হবো।
এদিকে সভায় পেশ করা অপরাধ বিবরণীতে দেখা যায় মার্চ মাসে জেলায় কোন চাঁদাবাজি, ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি। ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে ১টি। আর চুরির ঘটনা ঘটেছে ১৫টি। এই মাসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে ১৯জন।