ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

মাদক ব্যবসায়ীর নির্দেশে হামলায় পঙ্গু ব্যবসায়ী: নেপথ্যে রাজনৈতিক প্রভাব ও মাদকের সাম্রাজ্য

#
news image

গাজীপুর গাছা এলাকায় মাদকের স্বর্গরাজ্য গড়ে তোলা ‘মাদক সম্রাট’ ওয়াসিম ওরফে কাইল্লা ওয়াসিমের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আলমগীর হোসেন নামের এক গ্রিল ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী আলমগীর বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি মাদক সম্রাট ওয়াসিম তাকে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে ওয়াসিমের সহযোগী আতাউর, শহীদুল, মিজান ও তুহিন উপস্থিত ছিল। তারা আলমগীরকে জানায় যে, পুলিশের সোর্স নাসির মিয়ার কারণে তাদের মাদক ব্যবসায় ধস নেমেছে। তাই তারা নাসিরকে ফাঁদে ফেলে ডেকে এনে তার হাত বা পা কেটে দেওয়ার পরিকল্পনা করে। আলমগীরকে এই কাজে সহযোগিতা করতে (নাসিরকে ডেকে আনতে) বলা হলে তিনি তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওয়াসিম তাকে মারধর করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

পরবর্তীতে ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ওয়াসিম অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের হামলায় আহত হয়। এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ওই রাতেই ওয়াসিমের সহযোগীরা আলমগীরকে একা পেয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। হামলাকারীরা আলমগীরকে বলে, "নাসিরের উপরের রাগ তোর উপর দিয়ে গেলাম, সারাজীবনের তোরে পঙ্গু করে দিলাম।" তারা তাকে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেয় এবং মামলা করলে মেরে ফেলারও হুঁশিয়ারি দেয়।

লিখিত অভিযোগে আলমগীর উল্লেখ করেন যে, এই মাদক চক্রটি অত্যন্ত শক্তিশালী। তারা গাছা এলাকার বিভিন্ন স্থানে যেমন—শহীদুলের বাসার ২য় তলা, আতাউরের বাংলো এবং ভেঙ্গু পুকুর পাড়ে মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছে।

অভিযোগ রয়েছে যে, হামলাকারীরা ইতিপূর্বে 'যুবলীগ' এর নাম ভাঙিয়ে অপরাধ করলেও বর্তমানে 'বিএনপি'র নাম ব্যবহার করে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে। স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতা এই মাদক ব্যবসাকে শেল্টার বা আশ্রয় দিয়ে আসছেন।

ওয়াসিম, তার স্ত্রী, মিজান ও তুহিনের মোবাইল কল রেকর্ড ট্র্যাকিং করলে এই মাদক ব্যবসার নেপথ্যে থাকা গডফাদারদের পরিচয় বেরিয়ে আসবে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।

ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন বর্তমানে পঙ্গুত্ব বরণ করে বিচারহীনতার আতঙ্কে রয়েছেন। তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, "আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, যেই নেতারা এই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। আমার মতো আর কারো যাতে এই অবস্থা না হয়।" তিনি এই হামলা ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

শেখ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, গাজীপুর প্রতিনিধি :

১৩ এপ্রিল, ২০২৬,  7:25 PM

news image

গাজীপুর গাছা এলাকায় মাদকের স্বর্গরাজ্য গড়ে তোলা ‘মাদক সম্রাট’ ওয়াসিম ওরফে কাইল্লা ওয়াসিমের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আলমগীর হোসেন নামের এক গ্রিল ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী আলমগীর বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি মাদক সম্রাট ওয়াসিম তাকে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে ওয়াসিমের সহযোগী আতাউর, শহীদুল, মিজান ও তুহিন উপস্থিত ছিল। তারা আলমগীরকে জানায় যে, পুলিশের সোর্স নাসির মিয়ার কারণে তাদের মাদক ব্যবসায় ধস নেমেছে। তাই তারা নাসিরকে ফাঁদে ফেলে ডেকে এনে তার হাত বা পা কেটে দেওয়ার পরিকল্পনা করে। আলমগীরকে এই কাজে সহযোগিতা করতে (নাসিরকে ডেকে আনতে) বলা হলে তিনি তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওয়াসিম তাকে মারধর করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

পরবর্তীতে ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ওয়াসিম অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের হামলায় আহত হয়। এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ওই রাতেই ওয়াসিমের সহযোগীরা আলমগীরকে একা পেয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। হামলাকারীরা আলমগীরকে বলে, "নাসিরের উপরের রাগ তোর উপর দিয়ে গেলাম, সারাজীবনের তোরে পঙ্গু করে দিলাম।" তারা তাকে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেয় এবং মামলা করলে মেরে ফেলারও হুঁশিয়ারি দেয়।

লিখিত অভিযোগে আলমগীর উল্লেখ করেন যে, এই মাদক চক্রটি অত্যন্ত শক্তিশালী। তারা গাছা এলাকার বিভিন্ন স্থানে যেমন—শহীদুলের বাসার ২য় তলা, আতাউরের বাংলো এবং ভেঙ্গু পুকুর পাড়ে মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছে।

অভিযোগ রয়েছে যে, হামলাকারীরা ইতিপূর্বে 'যুবলীগ' এর নাম ভাঙিয়ে অপরাধ করলেও বর্তমানে 'বিএনপি'র নাম ব্যবহার করে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে। স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতা এই মাদক ব্যবসাকে শেল্টার বা আশ্রয় দিয়ে আসছেন।

ওয়াসিম, তার স্ত্রী, মিজান ও তুহিনের মোবাইল কল রেকর্ড ট্র্যাকিং করলে এই মাদক ব্যবসার নেপথ্যে থাকা গডফাদারদের পরিচয় বেরিয়ে আসবে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।

ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন বর্তমানে পঙ্গুত্ব বরণ করে বিচারহীনতার আতঙ্কে রয়েছেন। তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, "আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, যেই নেতারা এই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। আমার মতো আর কারো যাতে এই অবস্থা না হয়।" তিনি এই হামলা ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।