ঢাকা ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
আজ বাংলা বছরের শেষদিন চৈত্র সংক্রান্তি তথ্য অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ : তথ্যমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র জমা প্রায় ৯০০ হত্যা চেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর চাপ্রাশিরহাট বাজারের সড়কের বেহাল দশা: দীর্ঘদিনের ভোগান্তিতে জনজীবন বিপর্যস্ত পলি কেবলস এর পণ্য গাজীপুরে সর্বাধিক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান কোয়ালিটি পরিবার  আলোচনা ব্যর্থ হলেও উপসাগরীয় যুদ্ধবিরতি আপাতত টিকে আছে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি ঢাবি’র বর্ষবরণ বৈশাখী শোভাযাত্রা সকাল ৯টায় শুরু জ্বর হলেই তাৎক্ষণিকভাবে হাম ধরে নেওয়া উচিত নয় : বিশেষজ্ঞ অভিমত

চাপ্রাশিরহাট বাজারের সড়কের বেহাল দশা: দীর্ঘদিনের ভোগান্তিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

#
news image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপ্রাশিরহাট বাজারের প্রধান সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয় বড় বড় গর্ত ও কাদা-পানির জমাট বাঁধা স্তর, যা স্থানীয় জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলের জন্য মারাত্মক দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে গভীর খানাখন্দ। বৃষ্টির পানিতে এসব গর্ত ভরে থাকায় পথচারী ও চালকদের জন্য ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও ভ্যানচালকদের চলাচল অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানান, এই সড়কটি বাজারের প্রধান সংযোগপথ হওয়ায় প্রতিদিন শত শত মানুষ এ পথ ব্যবহার করেন। কিন্তু বছরের পর বছর সংস্কারের অভাবে সড়কের অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “প্রতিবারই সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে কোনো কাজ চোখে পড়ে না। বৃষ্টি হলেই রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়।”
অন্যদিকে, পরিবহন চালকরাও ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, খারাপ সড়কের কারণে তাদের যানবাহনের ক্ষতি হচ্ছে এবং যাত্রী পরিবহনেও সময় বেশি লাগছে। এতে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটি সংস্কার ও টেকসইভাবে নির্মাণ করা না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, সড়কটির সংস্কার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
 
চাপ্রাশিরহাট বাজারের এই সড়কের অবস্থা শুধু অবকাঠামোগত দুর্বলতার চিত্রই তুলে ধরে না, বরং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়নের অভাবকেও নির্দেশ করে। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও জবাবদিহিমূলক উদ্যোগ গ্রহণ অপরিহার্য।

মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :

১৩ এপ্রিল, ২০২৬,  1:39 AM

news image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপ্রাশিরহাট বাজারের প্রধান সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয় বড় বড় গর্ত ও কাদা-পানির জমাট বাঁধা স্তর, যা স্থানীয় জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলের জন্য মারাত্মক দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে গভীর খানাখন্দ। বৃষ্টির পানিতে এসব গর্ত ভরে থাকায় পথচারী ও চালকদের জন্য ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও ভ্যানচালকদের চলাচল অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানান, এই সড়কটি বাজারের প্রধান সংযোগপথ হওয়ায় প্রতিদিন শত শত মানুষ এ পথ ব্যবহার করেন। কিন্তু বছরের পর বছর সংস্কারের অভাবে সড়কের অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “প্রতিবারই সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে কোনো কাজ চোখে পড়ে না। বৃষ্টি হলেই রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়।”
অন্যদিকে, পরিবহন চালকরাও ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, খারাপ সড়কের কারণে তাদের যানবাহনের ক্ষতি হচ্ছে এবং যাত্রী পরিবহনেও সময় বেশি লাগছে। এতে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটি সংস্কার ও টেকসইভাবে নির্মাণ করা না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, সড়কটির সংস্কার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
 
চাপ্রাশিরহাট বাজারের এই সড়কের অবস্থা শুধু অবকাঠামোগত দুর্বলতার চিত্রই তুলে ধরে না, বরং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়নের অভাবকেও নির্দেশ করে। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও জবাবদিহিমূলক উদ্যোগ গ্রহণ অপরিহার্য।