ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

পাহাড়ে সম্প্রীতির রঙিন উৎসবের সূচনা: ফুল ভাসিয়ে শুরু বিজু–সাংগ্রাই–বৈসু

#
news image

পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসুর বর্ণাঢ্য সূচনা হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশে। রবিবার (১২ এপ্রিল) ভোরের প্রথম আলো ফুটতেই ঐতিহ্যবাহী ‘ফুল ভাসানো’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই প্রাণের উৎসব।
ভোরের স্নিগ্ধ আবহে কক্সবাজার এলাকার বাকখালী নদীর তীরে জড়ো হন চাকমা সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ। রঙিন ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত নানা বয়সী মানুষ হাতে ফুল নিয়ে একযোগে নদীতে ফুল ভাসিয়ে জানান দেন নতুন বছরের আগমনী বার্তা ও মঙ্গল কামনা।
এই আয়োজন শুধু চাকমা সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; এতে অংশ নেন মারমা, ত্রিপুরা ও বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষও। ফলে নদীর তীর পরিণত হয় এক অনন্য মিলনমেলায়—যেখানে সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও বৈচিত্র্য একসূত্রে গাঁথা হয়।
ফুল বিজুকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতিতে উদযাপন করবেন বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু। এ সময় পাহাড়ি পাড়া-মহল্লায় চলবে নানা আয়োজন—ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান।
প্রতিবছরের মতো এবারও এই উৎসব পাহাড়ি জনপদে বয়ে এনেছে আনন্দ, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক অপূর্ব বন্ধন—যা কেবল একটি উৎসব নয়, বরং পারস্পরিক সহাবস্থান ও ঐক্যের উজ্জ্বল প্রতীক।

কক্সবাজার প্রতিনিধি :

১২ এপ্রিল, ২০২৬,  6:23 PM

news image

পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসুর বর্ণাঢ্য সূচনা হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশে। রবিবার (১২ এপ্রিল) ভোরের প্রথম আলো ফুটতেই ঐতিহ্যবাহী ‘ফুল ভাসানো’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই প্রাণের উৎসব।
ভোরের স্নিগ্ধ আবহে কক্সবাজার এলাকার বাকখালী নদীর তীরে জড়ো হন চাকমা সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ। রঙিন ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত নানা বয়সী মানুষ হাতে ফুল নিয়ে একযোগে নদীতে ফুল ভাসিয়ে জানান দেন নতুন বছরের আগমনী বার্তা ও মঙ্গল কামনা।
এই আয়োজন শুধু চাকমা সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; এতে অংশ নেন মারমা, ত্রিপুরা ও বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষও। ফলে নদীর তীর পরিণত হয় এক অনন্য মিলনমেলায়—যেখানে সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও বৈচিত্র্য একসূত্রে গাঁথা হয়।
ফুল বিজুকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতিতে উদযাপন করবেন বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসু। এ সময় পাহাড়ি পাড়া-মহল্লায় চলবে নানা আয়োজন—ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান।
প্রতিবছরের মতো এবারও এই উৎসব পাহাড়ি জনপদে বয়ে এনেছে আনন্দ, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক অপূর্ব বন্ধন—যা কেবল একটি উৎসব নয়, বরং পারস্পরিক সহাবস্থান ও ঐক্যের উজ্জ্বল প্রতীক।