গাজীপুরে গাছা থানা পুলিশের বিরুদ্ধে ছেলেকে তুলে নিয়ে টাকা দাবি ও হয়রানির অভিযোগ: মায়ের সংবাদ সম্মেলন
শেখ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, গাজীপুর প্রতিনিধি :
২৮ মার্চ, ২০২৬, 7:14 PM
গাজীপুরে গাছা থানা পুলিশের বিরুদ্ধে ছেলেকে তুলে নিয়ে টাকা দাবি ও হয়রানির অভিযোগ: মায়ের সংবাদ সম্মেলন
গাজীপুরের গাছা থানা পুলিশের বিরুদ্ধে এক যুবককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী মা। শনিবার (২৮ মার্চ) গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কলমেশ্বর এলাকায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ফরিদা ইয়াসমিন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ফরিদা ইয়াসমিন জানান, গত ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে গাছা থানা পুলিশ তার ছেলে রাহুল খানকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে এবং বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে।
ফরিদা ইয়াসমিনের দাবি করেন, টাকা দিতে অস্বীকার করায় তার ছেলেকে একটি ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। উক্ত মামলার প্রকৃত আসামিদের পুলিশ আগেই গ্রেপ্তার করেছিল এবং তার ছেলে এই ঘটনার সাথে কোনোভাবেই জড়িত নয়। একই ঘটনায় আটককৃতদের কাছ থেকে পিসি উদ্ধারের যে কথা বলা হয়েছে, তার সঙ্গেও রাহুলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, গাছা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক খানের প্রভাবের কারণে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তাদের পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। মূলত জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হয়রানি করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া গত ১৪ মার্চ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে তিনি গাজীপুর আদালতে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাও করেছেন।
"আমি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার ছেলের মুক্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই।"
অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে গাছা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক খান সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, "আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি এবং এ বিষয়ে কিছুই জানি না। উল্টো আমি নিজেই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি।"
এ বিষয়ে গাছা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ এরশাদুর রহমান জানান, আটককৃত রাহুলের বিরুদ্ধে বর্তমান মামলা ছাড়াও আরও ৭টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, "অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ বা কোনো রাজনৈতিক নেতার অবৈধ সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
শেখ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, গাজীপুর প্রতিনিধি :
২৮ মার্চ, ২০২৬, 7:14 PM
গাজীপুরের গাছা থানা পুলিশের বিরুদ্ধে এক যুবককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী মা। শনিবার (২৮ মার্চ) গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কলমেশ্বর এলাকায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ফরিদা ইয়াসমিন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ফরিদা ইয়াসমিন জানান, গত ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে গাছা থানা পুলিশ তার ছেলে রাহুল খানকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে এবং বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে।
ফরিদা ইয়াসমিনের দাবি করেন, টাকা দিতে অস্বীকার করায় তার ছেলেকে একটি ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। উক্ত মামলার প্রকৃত আসামিদের পুলিশ আগেই গ্রেপ্তার করেছিল এবং তার ছেলে এই ঘটনার সাথে কোনোভাবেই জড়িত নয়। একই ঘটনায় আটককৃতদের কাছ থেকে পিসি উদ্ধারের যে কথা বলা হয়েছে, তার সঙ্গেও রাহুলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, গাছা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক খানের প্রভাবের কারণে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তাদের পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। মূলত জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হয়রানি করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া গত ১৪ মার্চ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে তিনি গাজীপুর আদালতে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাও করেছেন।
"আমি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার ছেলের মুক্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই।"
অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে গাছা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক খান সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, "আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি এবং এ বিষয়ে কিছুই জানি না। উল্টো আমি নিজেই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি।"
এ বিষয়ে গাছা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ এরশাদুর রহমান জানান, আটককৃত রাহুলের বিরুদ্ধে বর্তমান মামলা ছাড়াও আরও ৭টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, "অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ বা কোনো রাজনৈতিক নেতার অবৈধ সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"