ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নওগাঁর মানুষ মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান জাহিদুল ইসলাম ধলুকে 

#
news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ–৫ নওগাঁ সদর আসনে ভূমিধস জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৩৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এ্যাডভোকেট আবু সাদাত মোঃ সায়েম পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৭৪৭ ভোট। প্রায় ২৫ হাজার ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন তিনি।

নওগাঁ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে নওগাঁ–৫ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী। সদর উপজেলার ১ পৌরসভা ও ১২ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনের  হাজার বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ এই অঞ্চল কৃষিতে খ্যাত। বিশেষ করে সবজি ও ধান উৎপাদনের জন্য এলাকাটি সুপরিচিত। এছাড়া সারাদেশে চাল উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় জেলা নওগাঁর বেশ কিছু চালকল ও দেশের অন্যতম প্রধান চালের মোকাম এই নওগাঁয় । অতীতে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য ছিলেন শামছুদ্দিন আহমদ। ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল সংসদ সদস্য থাকলেও বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ অঞ্চল ছিল অবহেলিত। শহরবাসীর প্রাণের দাবি ফোর লেন রাস্তা সহ শহরের বিভিন্ন ভাঙ্গা রাস্তা দেখে বোঝা যায় কোন দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি কৃষি প্রধান এ অঞ্চলের।এ আসনে প্রথম শ্রেণীর একটি পৌরসভা থাকার পর ও নেই গ্যাস সংযোগ। দীর্ঘদিন আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে থাকায় নানা বঞ্চনার শিকার হয়েছেন এ আসনের মানুষ। তবে দীর্ঘ সময়পর বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে আসনটি পুনরুদ্ধার করেন জাহিদুল ইসলাম ধলু। অত্যন্ত নম্র ভদ্র স্বৈরশাসকের পতনে সম্মুখ সারির যোদ্ধার বিজয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উচ্ছ্বাসের ঢেউ। উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ এই নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ। সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা জাহিদুল ইসলাম ধলু যেন আগামী দিনে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে।তাহলে নওগাঁ তথা দেশের উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবেন।

দুবলহাটি ইউনিয়নের বাসিন্দা ডাঃ সজিব হোসেন বলেন, জাহিদুল ইসলাম ধলু এক জন উচ্চ শিক্ষত ও বিনীয় মানুষ। আমরা ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে তাকে ভোট দিয়েছি। সে এমপি হওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তাকে মন্ত্রী করলে  দলের নেতা, তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো।

দুবলহাটি ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের বাসিন্দা শ্রী রনি সরকার বলেন, তিনি একজন দক্ষ ও বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নিয়ে কাজ করা অভিজ্ঞ ব্যক্তি । আমরা ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে তাকে ভোট দিয়েছি তাকে মন্ত্রী করলে অভাবনীয় উন্নয়ন হবে । 

নির্বাচিত সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু বলেন ,এই জয় আসলে আমার নয়, বিএনপির নেতাকর্মী, তারেক রহমান এবং ম্যাডাম খালেদা জিয়ার ত্যাগের ও গণতন্ত্রের জয়। বিএনপি জানে কিভাবে সরকার গঠন করতে হয়, দেশ চালাতে হয়। দলের নীতিনির্ধারক ও তারেক রহমান মন্ত্রীত্ব দেওয়ার বিষয়ে যে সিন্ধান্ত নিবে সেটাই চুড়ান্ত। তবে আমাকে মন্ত্রী করা হলে মেধা-প্রঙ্গা দিয়ে সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করবো। 

নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, নওগাঁ জেলায় এর আগে ডেপুটিস্পিকার, মন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও হুইপ ছিলো। কৃষি ও আমে আমরা সারা বিশ্ব এখন পরিচিত। সেই হিসেবে নওগাঁ একটি মন্ত্রীর পাশাপাশি উপমন্ত্রী,ডেপুটিস্পিকার অথবা হুইপ দিবেন আশা করছি। এ জেলায় অভিজ্ঞতার বিবেচনায় মন্ত্রী বিবেচনা করবেন আশা করছি। আমাদের এই জেলা মন্ত্রিত্ব পেলে গোটা নওগাঁ জেলায় দলের সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখার পাশাপাশি সারাদেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন। তাই তারেক রহমান আমাদের মন্ত্রীত্ব দিয়ে দলীয় ও এলাকাবাসী ও মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীর প্রত্যাশা পুরুন করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।

নওগাঁ প্রতিনিধি :

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  4:05 AM

news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ–৫ নওগাঁ সদর আসনে ভূমিধস জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৩৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এ্যাডভোকেট আবু সাদাত মোঃ সায়েম পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৭৪৭ ভোট। প্রায় ২৫ হাজার ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন তিনি।

নওগাঁ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে নওগাঁ–৫ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী। সদর উপজেলার ১ পৌরসভা ও ১২ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনের  হাজার বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ এই অঞ্চল কৃষিতে খ্যাত। বিশেষ করে সবজি ও ধান উৎপাদনের জন্য এলাকাটি সুপরিচিত। এছাড়া সারাদেশে চাল উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় জেলা নওগাঁর বেশ কিছু চালকল ও দেশের অন্যতম প্রধান চালের মোকাম এই নওগাঁয় । অতীতে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য ছিলেন শামছুদ্দিন আহমদ। ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল সংসদ সদস্য থাকলেও বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ অঞ্চল ছিল অবহেলিত। শহরবাসীর প্রাণের দাবি ফোর লেন রাস্তা সহ শহরের বিভিন্ন ভাঙ্গা রাস্তা দেখে বোঝা যায় কোন দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি কৃষি প্রধান এ অঞ্চলের।এ আসনে প্রথম শ্রেণীর একটি পৌরসভা থাকার পর ও নেই গ্যাস সংযোগ। দীর্ঘদিন আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে থাকায় নানা বঞ্চনার শিকার হয়েছেন এ আসনের মানুষ। তবে দীর্ঘ সময়পর বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে আসনটি পুনরুদ্ধার করেন জাহিদুল ইসলাম ধলু। অত্যন্ত নম্র ভদ্র স্বৈরশাসকের পতনে সম্মুখ সারির যোদ্ধার বিজয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উচ্ছ্বাসের ঢেউ। উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ এই নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ। সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা জাহিদুল ইসলাম ধলু যেন আগামী দিনে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে।তাহলে নওগাঁ তথা দেশের উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবেন।

দুবলহাটি ইউনিয়নের বাসিন্দা ডাঃ সজিব হোসেন বলেন, জাহিদুল ইসলাম ধলু এক জন উচ্চ শিক্ষত ও বিনীয় মানুষ। আমরা ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে তাকে ভোট দিয়েছি। সে এমপি হওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তাকে মন্ত্রী করলে  দলের নেতা, তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো।

দুবলহাটি ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের বাসিন্দা শ্রী রনি সরকার বলেন, তিনি একজন দক্ষ ও বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নিয়ে কাজ করা অভিজ্ঞ ব্যক্তি । আমরা ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে তাকে ভোট দিয়েছি তাকে মন্ত্রী করলে অভাবনীয় উন্নয়ন হবে । 

নির্বাচিত সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু বলেন ,এই জয় আসলে আমার নয়, বিএনপির নেতাকর্মী, তারেক রহমান এবং ম্যাডাম খালেদা জিয়ার ত্যাগের ও গণতন্ত্রের জয়। বিএনপি জানে কিভাবে সরকার গঠন করতে হয়, দেশ চালাতে হয়। দলের নীতিনির্ধারক ও তারেক রহমান মন্ত্রীত্ব দেওয়ার বিষয়ে যে সিন্ধান্ত নিবে সেটাই চুড়ান্ত। তবে আমাকে মন্ত্রী করা হলে মেধা-প্রঙ্গা দিয়ে সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করবো। 

নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, নওগাঁ জেলায় এর আগে ডেপুটিস্পিকার, মন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও হুইপ ছিলো। কৃষি ও আমে আমরা সারা বিশ্ব এখন পরিচিত। সেই হিসেবে নওগাঁ একটি মন্ত্রীর পাশাপাশি উপমন্ত্রী,ডেপুটিস্পিকার অথবা হুইপ দিবেন আশা করছি। এ জেলায় অভিজ্ঞতার বিবেচনায় মন্ত্রী বিবেচনা করবেন আশা করছি। আমাদের এই জেলা মন্ত্রিত্ব পেলে গোটা নওগাঁ জেলায় দলের সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখার পাশাপাশি সারাদেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন। তাই তারেক রহমান আমাদের মন্ত্রীত্ব দিয়ে দলীয় ও এলাকাবাসী ও মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীর প্রত্যাশা পুরুন করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।