মৌলভীবাজার-১ আসন: পরাজয়কে বিজয় হিসাবে দেখছে জামায়াত
হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 4:02 AM
মৌলভীবাজার-১ আসন: পরাজয়কে বিজয় হিসাবে দেখছে জামায়াত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী) আসনের ২৬-২৭ বছরের ব্যবধানে অন্তত ৫০ হাজার ভোট বৃদ্ধিতে পরাজয়েও হতাশ নয় দলটির প্রার্থী, নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বরং বিজয়ী না হয়েও যেন তারা জয়ের স্বাদ পাচ্ছেন।
স্বাধীনতা পরবর্তী প্রথমবার ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-১ আসনে প্রার্থী দেয় জামায়াতে ইসলামী। উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমীর ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মালিককে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী করা হয়। ওই নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামির প্রার্থীর ভোটের অংক দশ হাজারও পাড়ি দেয়নি। এরপর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় ঐক্যজোটের (বিএনপির) শরীক দল হিসেবে প্রার্থী দেয়নি জামায়াত। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জোটগত কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি জামায়াতে ইসলামী।তারপর জামায়াতে ইসলামী প্রায় ১৭ বছর কঠিন সময় পার করে। হামলা-মামলা, জেল-জুলুম মাথায় নিয়ে ভেতরে ভেতরে সুসংঠিত হতে থাকে। যার চমক দেখা গেল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল কল্পনাও করেনি জামায়াতে ইসলামীর এত উত্থান ঘটবে।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বড়লেখা উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌসভার মোট ৬৯টি ভোটকেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লার (১১ দলীয় জোট) প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বিএনপির প্রার্থীর চেয়ে ৪১০ ভোট বেশি পেয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৫৬,১৭০ ও বিএনপি প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদের প্রাপ্ত ভোট ৫৫,৭৬০। কিন্তু জুড়ী উপজেলার ৬ ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের একিভুত হিসাবে ১৫,২৬৯ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম। আসনটির একিভুত হিসাব অনুযায়ি ধানের শীষের প্রাপ্ত ভোট ৯৮,২৮২ ও দাঁড়িপাল্লার প্রাপ্ত ভোট ৮৩,০১৩।
বড়লেখা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী হেরে গেলেও আমরা হতাশ নই, অস্বাভাবিক জনসমর্থন মিলেছে। এই পরাজয়কে আমরা বিজয় হিসেবে দেখছি। জামায়াতে ইসলামী সব ভোটারগণের অবদান স্মরণ রাখবে, অতীতের চেয়ে আরো বেশি কাছে পাবেন।
হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 4:02 AM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী) আসনের ২৬-২৭ বছরের ব্যবধানে অন্তত ৫০ হাজার ভোট বৃদ্ধিতে পরাজয়েও হতাশ নয় দলটির প্রার্থী, নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বরং বিজয়ী না হয়েও যেন তারা জয়ের স্বাদ পাচ্ছেন।
স্বাধীনতা পরবর্তী প্রথমবার ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-১ আসনে প্রার্থী দেয় জামায়াতে ইসলামী। উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমীর ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মালিককে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী করা হয়। ওই নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামির প্রার্থীর ভোটের অংক দশ হাজারও পাড়ি দেয়নি। এরপর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় ঐক্যজোটের (বিএনপির) শরীক দল হিসেবে প্রার্থী দেয়নি জামায়াত। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জোটগত কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি জামায়াতে ইসলামী।তারপর জামায়াতে ইসলামী প্রায় ১৭ বছর কঠিন সময় পার করে। হামলা-মামলা, জেল-জুলুম মাথায় নিয়ে ভেতরে ভেতরে সুসংঠিত হতে থাকে। যার চমক দেখা গেল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল কল্পনাও করেনি জামায়াতে ইসলামীর এত উত্থান ঘটবে।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বড়লেখা উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌসভার মোট ৬৯টি ভোটকেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লার (১১ দলীয় জোট) প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বিএনপির প্রার্থীর চেয়ে ৪১০ ভোট বেশি পেয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৫৬,১৭০ ও বিএনপি প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদের প্রাপ্ত ভোট ৫৫,৭৬০। কিন্তু জুড়ী উপজেলার ৬ ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের একিভুত হিসাবে ১৫,২৬৯ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম। আসনটির একিভুত হিসাব অনুযায়ি ধানের শীষের প্রাপ্ত ভোট ৯৮,২৮২ ও দাঁড়িপাল্লার প্রাপ্ত ভোট ৮৩,০১৩।
বড়লেখা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী হেরে গেলেও আমরা হতাশ নই, অস্বাভাবিক জনসমর্থন মিলেছে। এই পরাজয়কে আমরা বিজয় হিসেবে দেখছি। জামায়াতে ইসলামী সব ভোটারগণের অবদান স্মরণ রাখবে, অতীতের চেয়ে আরো বেশি কাছে পাবেন।