নবাবগঞ্জে অবৈধভাবে সার পাচারের সময় ট্রাক জব্দ, ডিলার জীবন মণ্ডলকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা।
দিনাজপুর প্রতিনিধি :
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, 8:14 PM
নবাবগঞ্জে অবৈধভাবে সার পাচারের সময় ট্রাক জব্দ, ডিলার জীবন মণ্ডলকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা।
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে ড্যাব সার পাচারের সময় একটি দশ চাকার ট্রাক জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সার ডিলার জীবন মণ্ডলকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৭৯১ বস্তা ড্যাব সার প্রকৃত কৃষকদের মাঝে মাস্টার রোলের মাধ্যমে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতি বার (২৯জানুয়ারি ) নবাবগঞ্জ থেকে একটি দশ চাকার ট্রাকে করে নবাবগঞ্জ–আফতাবগঞ্জ সড়কের ভাউজের মোড় হয়ে চামুণ্ডা চিকন রাস্তা দিয়ে অবৈধভাবে সার বহন করা হচ্ছিল। কালিরহাট এলাকায় সাংবাদিকরা ট্রাকটি দেখে সন্দেহ হলে চালককে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, নবাবগঞ্জের সার ডিলার জীবন মণ্ডলের কাছে ৩০০ বস্তা ড্যাব সার নামানো হয়েছে এবং বাকি ৪৯১ বস্তা সার ‘আম বাড়ি’ এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। চালানে লিখা ছিলো সার নওয়াপাড়া হইতে নবাবগঞ্জে নামবে চালক আরও জানান, তাকে ২০ হাজার টাকা গাড়ি ভাড়া দেওয়া হয়েছে এবং আম বাড়িতে পৌঁছে আরও ৩১ হাজার টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে।
পরবর্তীতে সাংবাদিকরা মোবাইল ফোনে ডিলার জীবন মণ্ডলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দাবি করেন, “আমি গাড়ি ঘুরিয়ে আনতে বলেছি, সে ওইদিকে যাবে কেন?”
ঘটনার বিষয়টি জানানো হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ জিল্লুর রহমান সেখানে উপস্থিত হয়ে সারবোঝাই ট্রাকটি জব্দের নির্দেশ দেন। পরে জব্দকৃত ট্রাকটি নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিয়ে আসা হয়।
প্রশাসনের তদন্তে সার ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, অবৈধ মজুদ ও পাচারের প্রমাণ পাওয়ায় ডিলার জীবন মণ্ডলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪৫ ধারায়, এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫৬-এর ৩ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ৬ ধারায় দণ্ড হিসেবে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় ইউএনও মোঃ জিল্লুর রহমান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন, ৭৯১ বস্তা ড্যাব সার মাস্টার রোল প্রস্তুত করে প্রকৃত কৃষকদের মধ্যে স্বচ্ছতার সঙ্গে বিতরণ করতে হবে, যাতে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা কালোবাজারি সুযোগ নিতে না পারে।
ইউএনও মোঃ জিল্লুর রহমান বলেন, “কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার কোনোভাবেই কালোবাজারে যেতে দেওয়া হবে না। কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে সার সংকট ও অতিরিক্ত দামের সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে।
দিনাজপুর প্রতিনিধি :
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, 8:14 PM
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে ড্যাব সার পাচারের সময় একটি দশ চাকার ট্রাক জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সার ডিলার জীবন মণ্ডলকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৭৯১ বস্তা ড্যাব সার প্রকৃত কৃষকদের মাঝে মাস্টার রোলের মাধ্যমে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতি বার (২৯জানুয়ারি ) নবাবগঞ্জ থেকে একটি দশ চাকার ট্রাকে করে নবাবগঞ্জ–আফতাবগঞ্জ সড়কের ভাউজের মোড় হয়ে চামুণ্ডা চিকন রাস্তা দিয়ে অবৈধভাবে সার বহন করা হচ্ছিল। কালিরহাট এলাকায় সাংবাদিকরা ট্রাকটি দেখে সন্দেহ হলে চালককে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, নবাবগঞ্জের সার ডিলার জীবন মণ্ডলের কাছে ৩০০ বস্তা ড্যাব সার নামানো হয়েছে এবং বাকি ৪৯১ বস্তা সার ‘আম বাড়ি’ এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। চালানে লিখা ছিলো সার নওয়াপাড়া হইতে নবাবগঞ্জে নামবে চালক আরও জানান, তাকে ২০ হাজার টাকা গাড়ি ভাড়া দেওয়া হয়েছে এবং আম বাড়িতে পৌঁছে আরও ৩১ হাজার টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে।
পরবর্তীতে সাংবাদিকরা মোবাইল ফোনে ডিলার জীবন মণ্ডলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দাবি করেন, “আমি গাড়ি ঘুরিয়ে আনতে বলেছি, সে ওইদিকে যাবে কেন?”
ঘটনার বিষয়টি জানানো হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ জিল্লুর রহমান সেখানে উপস্থিত হয়ে সারবোঝাই ট্রাকটি জব্দের নির্দেশ দেন। পরে জব্দকৃত ট্রাকটি নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিয়ে আসা হয়।
প্রশাসনের তদন্তে সার ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, অবৈধ মজুদ ও পাচারের প্রমাণ পাওয়ায় ডিলার জীবন মণ্ডলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪৫ ধারায়, এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫৬-এর ৩ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ৬ ধারায় দণ্ড হিসেবে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় ইউএনও মোঃ জিল্লুর রহমান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন, ৭৯১ বস্তা ড্যাব সার মাস্টার রোল প্রস্তুত করে প্রকৃত কৃষকদের মধ্যে স্বচ্ছতার সঙ্গে বিতরণ করতে হবে, যাতে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা কালোবাজারি সুযোগ নিতে না পারে।
ইউএনও মোঃ জিল্লুর রহমান বলেন, “কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার কোনোভাবেই কালোবাজারে যেতে দেওয়া হবে না। কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে সার সংকট ও অতিরিক্ত দামের সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে।