ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলে মুক্তি মেলেনি, লাশ যাচ্ছে যশোর কারাগারে
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, 7:06 PM
ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলে মুক্তি মেলেনি, লাশ যাচ্ছে যশোর কারাগারে
বাগেরহাট সদর উপজেলার ছাত্রলীগ সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও নয় মাসের শিশুসন্তানের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার তাদের ঝুলন্ত ও নিথর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতদের স্বামী জুয়েল হাসান সাদ্দাম একাধিক মামলার আসামি হিসেবে বর্তমানে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তবে তার প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিহত নারীর পিতা রুহুল আমিন হাওলাদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। একই সঙ্গে পুলিশ বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যু মামলাও দায়ের করেছে।
বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, “জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।”
এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেন, “নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে আমার কাছে কোনো আবেদন করা হয়নি। বিষয়টি যশোর জেলা প্রশাসনের এখতিয়ারভুক্ত।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, 7:06 PM
বাগেরহাট সদর উপজেলার ছাত্রলীগ সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও নয় মাসের শিশুসন্তানের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার তাদের ঝুলন্ত ও নিথর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতদের স্বামী জুয়েল হাসান সাদ্দাম একাধিক মামলার আসামি হিসেবে বর্তমানে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তবে তার প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিহত নারীর পিতা রুহুল আমিন হাওলাদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। একই সঙ্গে পুলিশ বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যু মামলাও দায়ের করেছে।
বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, “জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।”
এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেন, “নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে আমার কাছে কোনো আবেদন করা হয়নি। বিষয়টি যশোর জেলা প্রশাসনের এখতিয়ারভুক্ত।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।