ঢাকা ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতি সরঞ্জামসহ ৭ জন আটক ষাট গম্বুজ মসজিদসহ পুরাকীর্তি রক্ষায় উদ্যোগ চাইলেন এমপি রাহাদ সেই উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানের নোটিশ ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, গেজেট কাল বসুরহাটে ফয়জুন্নেছা আহমেদ ফাউন্ডেশনের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কোনাবাড়িতে মরহুম অধ্যাপক এম এ মান্নান স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত  বর্তমানে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই : সালাহউদ্দিন আহমদ হেপাটাইটিস নির্মূলে বিশ্ব খুব ধীরগতিতে এগোচ্ছে: ডব্লিউএইচও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির অডিটে ৭২ হাজার ৩৪১ আয়কর রিটার্ন

সরকার গঠন করতে পারলে চাঁদাবাজদের নির্মূল করব: গাইবান্ধায় জামায়াত আমির

#
news image

সরকার গঠন করতে পারলে দেশ থেকে চাঁদাবাজদের সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আজ (শনিবার) গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এস এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘দুইটা কারণে আমাদের কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য পায় না। প্রথমত মধ্যস্বত্বভোগী, দ্বিতীয়ত ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি। সরকার গঠন করতে পারলে দেশের সব অফিস-আদালত, গ্রামগঞ্জ, শহর থেকে আমরা চাঁদাবাজি-দখলবাজি বিতাড়িত করবো।’

জামায়াত আমির আরও বলেন, বিগত ৫৪ বছর যেই শাসন, যেই রাজনৈতিক ব্যবস্থা, যে বন্দোবস্ত দেশবাসীকে ফ্যাসিবাদ উপহার দিয়েছে-এই শাসন আমরা আর দেখতে চাই না। আমরা চাই তার আমূল পরিবর্তন। তাই আমরা চাঁদাবাজিকে সম্পূর্ণভাবে বিতাড়িত করবো।

তিনি বলেন, চাঁদাবাজদের হাতে সম্মানের কাজ তুলে দিয়ে তাদের সঠিক পথে পরিচালনা করা হবে। তারাও এ সমাজে সম্মানের সঙ্গে বসবাস করতে পারবে।

এসময় উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের নদীগুলো এখন মরুভূমি হয়ে পড়েছে। নদীর জীবন ফিরে আসলে উত্তরবঙ্গের জীবন ফিরে আসবে। সরকার গঠন করতে পারলে আমরা  এই নদীগুলোর ওপর সবার আগে দৃষ্টি দেব। তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাশাপাশি নদীগুলোকে জীবন দেওয়ার মহাপরিকল্পনা নেওয়া হবে ইনশা আল্লাহ।

সেইসঙ্গে, উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক ইপিজেড প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের জন্য এখানে ইপিজেড হওয়ার প্রয়োজন আছে। কৃষিপণ্য প্রসেস ও রপ্তানিযোগ্য করে তুলতে এখানে ইপিজেড করা হবে। উত্তরবঙ্গ কৃষির উর্বর ক্ষেত্র উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরবঙ্গে একাধিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে আমাদের বিবেচনায় গাইবান্ধা অগ্রাধিকার পাবে।

সমাবেশে শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশে আধিপত্যবাদের ছায়া দেখতে চাই না। অবশ্যই বিশ্বের সব সভ্য দেশের সঙ্গে আমরা বন্ধুত্বের সম্পর্ক চাই, আমরা প্রতিবেশীদেরও আমাদের প্রতিবেশী হিসেবে দেখতে চাই। আমরা কারও ওপর খবরদারি করতে চাই না। আর কেউ এসে বাংলাদেশের ওপর খবরদারি করুক, তাও দেখতে চাই না।

আসন্ন নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, গণভোট সফল হলে সাধারণ নির্বাচন সফল হবে। তাই গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে। জুলাই শহীদের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে।

সমাবেশে বক্তব্য শেষে গাইবান্ধার পাঁটিটি আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন শফিকুর রহমান।

এ সময় ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চেয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের সব প্রার্থী সৎ ও নির্ভীক। ২৪-এর বিপ্লবের পর আমাদের কোন প্রার্থী কোন এলাকাতেই চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব বা মামলাবাজি করেনি। তাই তাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করুন।

তানিন আফরিন,  গাইবান্ধা প্রতিনিধি :

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬,  7:29 PM

news image

সরকার গঠন করতে পারলে দেশ থেকে চাঁদাবাজদের সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আজ (শনিবার) গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এস এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘দুইটা কারণে আমাদের কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য পায় না। প্রথমত মধ্যস্বত্বভোগী, দ্বিতীয়ত ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি। সরকার গঠন করতে পারলে দেশের সব অফিস-আদালত, গ্রামগঞ্জ, শহর থেকে আমরা চাঁদাবাজি-দখলবাজি বিতাড়িত করবো।’

জামায়াত আমির আরও বলেন, বিগত ৫৪ বছর যেই শাসন, যেই রাজনৈতিক ব্যবস্থা, যে বন্দোবস্ত দেশবাসীকে ফ্যাসিবাদ উপহার দিয়েছে-এই শাসন আমরা আর দেখতে চাই না। আমরা চাই তার আমূল পরিবর্তন। তাই আমরা চাঁদাবাজিকে সম্পূর্ণভাবে বিতাড়িত করবো।

তিনি বলেন, চাঁদাবাজদের হাতে সম্মানের কাজ তুলে দিয়ে তাদের সঠিক পথে পরিচালনা করা হবে। তারাও এ সমাজে সম্মানের সঙ্গে বসবাস করতে পারবে।

এসময় উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের নদীগুলো এখন মরুভূমি হয়ে পড়েছে। নদীর জীবন ফিরে আসলে উত্তরবঙ্গের জীবন ফিরে আসবে। সরকার গঠন করতে পারলে আমরা  এই নদীগুলোর ওপর সবার আগে দৃষ্টি দেব। তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাশাপাশি নদীগুলোকে জীবন দেওয়ার মহাপরিকল্পনা নেওয়া হবে ইনশা আল্লাহ।

সেইসঙ্গে, উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক ইপিজেড প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের জন্য এখানে ইপিজেড হওয়ার প্রয়োজন আছে। কৃষিপণ্য প্রসেস ও রপ্তানিযোগ্য করে তুলতে এখানে ইপিজেড করা হবে। উত্তরবঙ্গ কৃষির উর্বর ক্ষেত্র উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরবঙ্গে একাধিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে আমাদের বিবেচনায় গাইবান্ধা অগ্রাধিকার পাবে।

সমাবেশে শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশে আধিপত্যবাদের ছায়া দেখতে চাই না। অবশ্যই বিশ্বের সব সভ্য দেশের সঙ্গে আমরা বন্ধুত্বের সম্পর্ক চাই, আমরা প্রতিবেশীদেরও আমাদের প্রতিবেশী হিসেবে দেখতে চাই। আমরা কারও ওপর খবরদারি করতে চাই না। আর কেউ এসে বাংলাদেশের ওপর খবরদারি করুক, তাও দেখতে চাই না।

আসন্ন নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, গণভোট সফল হলে সাধারণ নির্বাচন সফল হবে। তাই গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে। জুলাই শহীদের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে।

সমাবেশে বক্তব্য শেষে গাইবান্ধার পাঁটিটি আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন শফিকুর রহমান।

এ সময় ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চেয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের সব প্রার্থী সৎ ও নির্ভীক। ২৪-এর বিপ্লবের পর আমাদের কোন প্রার্থী কোন এলাকাতেই চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব বা মামলাবাজি করেনি। তাই তাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করুন।