গণতন্ত্রের জননেতা - জনতার গণতন্ত্র গণমাধ্যমে বিকশিত শব্দ
রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
২১ জানুয়ারি, ২০২৬, 8:14 PM
গণতন্ত্রের জননেতা - জনতার গণতন্ত্র গণমাধ্যমে বিকশিত শব্দ
সম্প্রতি দেশের সর্বত্র নির্বাচনী হাওয়া প্রবাহিত হচ্ছে। সেই হাওয়ার স্রোতে ভেসে উঠছে মানুষের রোগ, শোক, হিংসা, বিদ্বেষ, নাশকতা ও অহংকারের প্রতিচ্ছবি। গণমাধ্যমে স্বচ্ছ জবাবদিহিতার মাধ্যমে এসব বাস্তবতার পূর্ণাঙ্গ চিত্র ও ডকুমেন্টারি রূপ প্রকাশিত হচ্ছে। প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—বিশেষত ফেসবুকে—সমাজের ভালো-মন্দের দৃশ্যপট প্রতিনিয়ত তুলে ধরা হচ্ছে।
তবুও গণতন্ত্রের মঞ্চে উপবিষ্ট অনেক নেতার দৃষ্টিতে পড়ে না গণতন্ত্রের মূল নির্দেশনা ও পরিচালনামূলক সাংগঠনিক ভিত্তিসমূহ। সংবিধানের রচয়িত পাঠক্রম ও ধারাসমূহ শতভাগ উপলব্ধি না করেই যারা গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক হয়ে জননেতা হতে চান, তাদের ব্যর্থতার অস্পষ্ট ছায়ালিপি ক্রমে ভেসে ওঠে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণেই জনগণ সে ছায়ালিপির অর্থ অনুধাবন করতে পারে না। ফলে জননেতৃত্বের সেই অদৃশ্য ব্যর্থতা অন্ধকারেই রয়ে যায় এবং আলোর দিশা খুঁজতে গিয়ে জনগণ হয়ে পড়ে কর্তব্যবিমূঢ়। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য লক্ষ্যচ্যুত হয়, পথভ্রষ্ট হয় সহযোদ্ধারা এবং গণতন্ত্রের পথিকেরা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ে।
জনগণ জাগ্রত হলে এবার বদলাতে হবে বিজয়ের রণকৌশল। জনতার গণতন্ত্র, উপলব্ধিজ্ঞান ও সর্বোচ্চ সেবার নিশ্চয়তার লক্ষ্য সঠিকভাবে নিরূপণ করে গড়ে তুলতে হবে জনতাকে। প্রত্যেক নাগরিককে হতে হবে জ্ঞানে জ্ঞানান্বিত—পথভ্রষ্ট নয়, বরং সঠিক পথের পথিক। গন্তব্যে পৌঁছাতে হলে জনতাকে সঙ্গী করেই সাফল্যকে দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে। বিজয়ের উল্লাসে যদি জনতাকে ভুলে যাওয়া হয়, তবে জনতাও একদিন জননেতাকে বিস্মৃত করবে। এই ভ্রান্তির কারণেই দেশের বহু খ্যাতিমান নেতা, বুদ্ধিজীবী ও পেশিশক্তিধারী ব্যক্তি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন এবং নিমজ্জিত হয়েছেন বিপদের অতল গভীরে। দৃশ্যমান সব ঘটনা প্রত্যক্ষ করেও যারা প্রকৃত সভ্যতা, ভদ্রতা, মানবতা ও বিবেকসম্মত অবস্থানে ফিরে আসতে পারেননি, তাদের চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক আর কিছু হতে পারে না।
গণতন্ত্রের পাঠ্যক্রম হিসেবে সংবিধানের প্রত্যেকটি ধারা একজন রাজনৈতিক নেতার যেমন সঠিকভাবে উপলব্ধি ও ধারণ করা প্রয়োজন, তেমনি যাদের জন্য সংবিধানের বাণী সংরক্ষিত—সাধারণ জনগণের জীবনপাঠে তা অনুধাবন করানো আরও অধিক জরুরি। নেতা ও জনতা উভয়ের মধ্যেই গণতন্ত্রের বাস্তবায়নজ্ঞান প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত লক্ষণীয়।
নেতা ও জনতার সমন্বয়ে সেতুবন্ধনের মুখ্য ভূমিকায় রয়েছে সমাজের দর্পণস্বরূপ গণমাধ্যম। এই মাধ্যম ব্যবহার করেই সাংবাদিকগণ সমাজের বাস্তবচিত্র তুলে ধরেন, যার মাধ্যমে প্রকৃত সমন্বয় সাধিত হয়। জনতা ও জননেতাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সৃজনশীলতা, শৃঙ্খলা ব্যবস্থা এবং আইনের প্রতি জনসাধারণের দিকনির্দেশনা প্রদানেও গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। যে নেতা বা জনতা গণমাধ্যমকে এড়িয়ে চলে, সে মূলত নিজের বিবেকের ধারক সত্তাকেই এড়িয়ে চলে। কারণ গণমাধ্যম দর্পণের ন্যায়—যেমন রূপ, তেমনই প্রতিচ্ছবি। নিজের রূপে কালিমা মেখে গণমাধ্যমের কাছে স্বচ্ছ ও সুন্দর প্রতিচ্ছবি প্রত্যাশা করা যেমন অবান্তর, তেমনি গণতন্ত্রের নেতা হয়ে জনতার দৃষ্টি এড়িয়ে চলাও অবজ্ঞা ও অবহেলারই নামান্তর।
গণতন্ত্র এমন এক শাসনব্যবস্থা, যেখানে ক্ষমতার মূল উৎস জনগণ। গণতন্ত্রের নেতারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন। গণতন্ত্র কেবল নির্বাচন নয়; এতে নাগরিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের নিশ্চয়তাও অন্তর্ভুক্ত। প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রে জনগণ নিজেরাই আইন প্রণয়ন করে। তবে বাস্তবে স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব সাধারণত পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক, ব্যক্তিগত গুণাবলি, যোগ্যতা, সমাজসেবা ও জনপ্রিয়তার মাধ্যমে গড়ে ওঠে। স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন, বিচক্ষণতা, ন্যায়পরায়ণতা ও নেতৃত্বদানের দক্ষতা গ্রামীণ নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সমাজে কী ধরনের নেতৃত্ব ক্ষমতায়িত হচ্ছে, তা গণমাধ্যমের দর্পণচিত্রে গভীরভাবে অনুধাবন করা আজ অত্যন্ত প্রয়োজন।
গণতন্ত্রের বিজয় মূলত তাদের জন্য নয় যারা সুবিধাবাদী ও সময়ের সুযোগসন্ধানী। জনগণ যেমন সুদিনে ফুলের মালা দিয়ে নেতা বরণ করতে জানে, তেমনি সময়ের প্রয়োজনে জুতার মালা পরাতে কিংবা কঠোর বিচারের মুখোমুখি করতেও জানে। জনগণ সময়ের সঙ্গে সমতা করেই প্রত্যেক গণতন্ত্রগামী নেতার হিসাব-নিকাশ চূড়ান্ত করে। নেতার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও গন্তব্য যদি জনতার শ্রম, অর্থ, বুদ্ধি ও সমর্থনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে না ওঠে, তবে তার পরিণতি হয় অন্ধকার জেলখানা, পলাতক জীবন কিংবা নিজ আঙিনায় অবজ্ঞা ও অবহেলায় পরিত্যক্ত এক জড়বস্তুর স্তূপে পরিণত হওয়া। তখন সেই ব্যক্তিত্বের বিকৃত প্রতিচ্ছবি গণমাধ্যমে দূষিত বর্জ্যের ন্যায় স্থান পায়।
গণতন্ত্র এমন এক শাসনব্যবস্থা, যেখানে ক্ষমতার মূল উৎস জনগণ। গণতন্ত্রের নেতারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন। গণতন্ত্র কেবল নির্বাচন নয়; এতে নাগরিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের নিশ্চয়তাও অন্তর্ভুক্ত। প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রে জনগণ নিজেরাই আইন প্রণয়ন করে। তবে বাস্তবে স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব সাধারণত পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক, ব্যক্তিগত গুণাবলি, যোগ্যতা, সমাজসেবা ও জনপ্রিয়তার মাধ্যমে গড়ে ওঠে। স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন, বিচক্ষণতা, ন্যায়পরায়ণতা ও নেতৃত্বদানের দক্ষতা গ্রামীণ নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সমাজে কী ধরনের নেতৃত্ব ক্ষমতায়িত হচ্ছে, তা গণমাধ্যমের দর্পণচিত্রে গভীরভাবে অনুধাবন করা আজ অত্যন্ত প্রয়োজন।
এখনই সময়—জনতা ও জননেতা একত্রে উভয়ের সৃজনশীল সাফল্যের সমন্বয় সাধনের।
রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
২১ জানুয়ারি, ২০২৬, 8:14 PM
সম্প্রতি দেশের সর্বত্র নির্বাচনী হাওয়া প্রবাহিত হচ্ছে। সেই হাওয়ার স্রোতে ভেসে উঠছে মানুষের রোগ, শোক, হিংসা, বিদ্বেষ, নাশকতা ও অহংকারের প্রতিচ্ছবি। গণমাধ্যমে স্বচ্ছ জবাবদিহিতার মাধ্যমে এসব বাস্তবতার পূর্ণাঙ্গ চিত্র ও ডকুমেন্টারি রূপ প্রকাশিত হচ্ছে। প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—বিশেষত ফেসবুকে—সমাজের ভালো-মন্দের দৃশ্যপট প্রতিনিয়ত তুলে ধরা হচ্ছে।
তবুও গণতন্ত্রের মঞ্চে উপবিষ্ট অনেক নেতার দৃষ্টিতে পড়ে না গণতন্ত্রের মূল নির্দেশনা ও পরিচালনামূলক সাংগঠনিক ভিত্তিসমূহ। সংবিধানের রচয়িত পাঠক্রম ও ধারাসমূহ শতভাগ উপলব্ধি না করেই যারা গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক হয়ে জননেতা হতে চান, তাদের ব্যর্থতার অস্পষ্ট ছায়ালিপি ক্রমে ভেসে ওঠে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণেই জনগণ সে ছায়ালিপির অর্থ অনুধাবন করতে পারে না। ফলে জননেতৃত্বের সেই অদৃশ্য ব্যর্থতা অন্ধকারেই রয়ে যায় এবং আলোর দিশা খুঁজতে গিয়ে জনগণ হয়ে পড়ে কর্তব্যবিমূঢ়। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য লক্ষ্যচ্যুত হয়, পথভ্রষ্ট হয় সহযোদ্ধারা এবং গণতন্ত্রের পথিকেরা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ে।
জনগণ জাগ্রত হলে এবার বদলাতে হবে বিজয়ের রণকৌশল। জনতার গণতন্ত্র, উপলব্ধিজ্ঞান ও সর্বোচ্চ সেবার নিশ্চয়তার লক্ষ্য সঠিকভাবে নিরূপণ করে গড়ে তুলতে হবে জনতাকে। প্রত্যেক নাগরিককে হতে হবে জ্ঞানে জ্ঞানান্বিত—পথভ্রষ্ট নয়, বরং সঠিক পথের পথিক। গন্তব্যে পৌঁছাতে হলে জনতাকে সঙ্গী করেই সাফল্যকে দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে। বিজয়ের উল্লাসে যদি জনতাকে ভুলে যাওয়া হয়, তবে জনতাও একদিন জননেতাকে বিস্মৃত করবে। এই ভ্রান্তির কারণেই দেশের বহু খ্যাতিমান নেতা, বুদ্ধিজীবী ও পেশিশক্তিধারী ব্যক্তি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন এবং নিমজ্জিত হয়েছেন বিপদের অতল গভীরে। দৃশ্যমান সব ঘটনা প্রত্যক্ষ করেও যারা প্রকৃত সভ্যতা, ভদ্রতা, মানবতা ও বিবেকসম্মত অবস্থানে ফিরে আসতে পারেননি, তাদের চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক আর কিছু হতে পারে না।
গণতন্ত্রের পাঠ্যক্রম হিসেবে সংবিধানের প্রত্যেকটি ধারা একজন রাজনৈতিক নেতার যেমন সঠিকভাবে উপলব্ধি ও ধারণ করা প্রয়োজন, তেমনি যাদের জন্য সংবিধানের বাণী সংরক্ষিত—সাধারণ জনগণের জীবনপাঠে তা অনুধাবন করানো আরও অধিক জরুরি। নেতা ও জনতা উভয়ের মধ্যেই গণতন্ত্রের বাস্তবায়নজ্ঞান প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত লক্ষণীয়।
নেতা ও জনতার সমন্বয়ে সেতুবন্ধনের মুখ্য ভূমিকায় রয়েছে সমাজের দর্পণস্বরূপ গণমাধ্যম। এই মাধ্যম ব্যবহার করেই সাংবাদিকগণ সমাজের বাস্তবচিত্র তুলে ধরেন, যার মাধ্যমে প্রকৃত সমন্বয় সাধিত হয়। জনতা ও জননেতাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সৃজনশীলতা, শৃঙ্খলা ব্যবস্থা এবং আইনের প্রতি জনসাধারণের দিকনির্দেশনা প্রদানেও গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। যে নেতা বা জনতা গণমাধ্যমকে এড়িয়ে চলে, সে মূলত নিজের বিবেকের ধারক সত্তাকেই এড়িয়ে চলে। কারণ গণমাধ্যম দর্পণের ন্যায়—যেমন রূপ, তেমনই প্রতিচ্ছবি। নিজের রূপে কালিমা মেখে গণমাধ্যমের কাছে স্বচ্ছ ও সুন্দর প্রতিচ্ছবি প্রত্যাশা করা যেমন অবান্তর, তেমনি গণতন্ত্রের নেতা হয়ে জনতার দৃষ্টি এড়িয়ে চলাও অবজ্ঞা ও অবহেলারই নামান্তর।
গণতন্ত্র এমন এক শাসনব্যবস্থা, যেখানে ক্ষমতার মূল উৎস জনগণ। গণতন্ত্রের নেতারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন। গণতন্ত্র কেবল নির্বাচন নয়; এতে নাগরিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের নিশ্চয়তাও অন্তর্ভুক্ত। প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রে জনগণ নিজেরাই আইন প্রণয়ন করে। তবে বাস্তবে স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব সাধারণত পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক, ব্যক্তিগত গুণাবলি, যোগ্যতা, সমাজসেবা ও জনপ্রিয়তার মাধ্যমে গড়ে ওঠে। স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন, বিচক্ষণতা, ন্যায়পরায়ণতা ও নেতৃত্বদানের দক্ষতা গ্রামীণ নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সমাজে কী ধরনের নেতৃত্ব ক্ষমতায়িত হচ্ছে, তা গণমাধ্যমের দর্পণচিত্রে গভীরভাবে অনুধাবন করা আজ অত্যন্ত প্রয়োজন।
গণতন্ত্রের বিজয় মূলত তাদের জন্য নয় যারা সুবিধাবাদী ও সময়ের সুযোগসন্ধানী। জনগণ যেমন সুদিনে ফুলের মালা দিয়ে নেতা বরণ করতে জানে, তেমনি সময়ের প্রয়োজনে জুতার মালা পরাতে কিংবা কঠোর বিচারের মুখোমুখি করতেও জানে। জনগণ সময়ের সঙ্গে সমতা করেই প্রত্যেক গণতন্ত্রগামী নেতার হিসাব-নিকাশ চূড়ান্ত করে। নেতার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও গন্তব্য যদি জনতার শ্রম, অর্থ, বুদ্ধি ও সমর্থনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে না ওঠে, তবে তার পরিণতি হয় অন্ধকার জেলখানা, পলাতক জীবন কিংবা নিজ আঙিনায় অবজ্ঞা ও অবহেলায় পরিত্যক্ত এক জড়বস্তুর স্তূপে পরিণত হওয়া। তখন সেই ব্যক্তিত্বের বিকৃত প্রতিচ্ছবি গণমাধ্যমে দূষিত বর্জ্যের ন্যায় স্থান পায়।
গণতন্ত্র এমন এক শাসনব্যবস্থা, যেখানে ক্ষমতার মূল উৎস জনগণ। গণতন্ত্রের নেতারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন। গণতন্ত্র কেবল নির্বাচন নয়; এতে নাগরিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের নিশ্চয়তাও অন্তর্ভুক্ত। প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রে জনগণ নিজেরাই আইন প্রণয়ন করে। তবে বাস্তবে স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব সাধারণত পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক, ব্যক্তিগত গুণাবলি, যোগ্যতা, সমাজসেবা ও জনপ্রিয়তার মাধ্যমে গড়ে ওঠে। স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন, বিচক্ষণতা, ন্যায়পরায়ণতা ও নেতৃত্বদানের দক্ষতা গ্রামীণ নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সমাজে কী ধরনের নেতৃত্ব ক্ষমতায়িত হচ্ছে, তা গণমাধ্যমের দর্পণচিত্রে গভীরভাবে অনুধাবন করা আজ অত্যন্ত প্রয়োজন।
এখনই সময়—জনতা ও জননেতা একত্রে উভয়ের সৃজনশীল সাফল্যের সমন্বয় সাধনের।