কোম্পানীগঞ্জে ইউপি সদস্যকে তুলে নিয়ে কুপিয়ে জখম
মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ :
১১ জানুয়ারি, ২০২৬, 6:36 PM
কোম্পানীগঞ্জে ইউপি সদস্যকে তুলে নিয়ে কুপিয়ে জখম
১১ জানুয়ারি ২০২৬, বেলা ১২::০০ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় চরহাজারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও একই ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ফয়সাল ইবনে জুয়েল (৩৭) কে তুলে নিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বসুরহাট পৌর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ফয়সাল ইবনে জুয়েল চরহাজারী ইউনিয়নের মাস্টার আবু নাছেরের ছেলে।
সে দীর্ঘ দিন বসুরহাট বাজারে ব্যাবসায়ী ছিলেন। ব্যাবসার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আহত ফয়সালের এক নিকটাত্মীয় জানান, বসুরহাট বাজারের আরডি শপিং মলের সামনে ফয়সাল মোটরসাইকেলে থাকা অবস্থায় কয়েকজন মুখোশ পরা দুর্বৃত্ত তাকে টেনে হিঁচড়ে তুলেজোর পুর্বক তুলে নেয়।
পরে কেজি স্কুলের পার্শ্ববর্তী একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে জখম করা হয়।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিম বলেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই দিকে এই ঘটনার পর কোম্পানি গঞ্জের আওয়ামী লীগের ভিবিন্ন নেতা কর্মী তীব্র খোভ প্রকাশ ও নিন্দা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ এর মাধ্যমে প্রতিবাদ জানান। এবং চর হাজারী ১নং ওয়াদের সাধারণ মানুষ নিন্দা জানিয়েছেন। এলাকাবাসী তার সুস্থতা কামনা করে। এলাকার সাধারণ মানুষ আলোচনা করতে করতে বলেন বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে কোম্পানি গঞ্জে এই ধরনের বহু মানুষের উপর হামলা করেছেন সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।
তার অনুসারী হিসেবে ফয়সাল তার্গেট করে দুর্বত্ব্রারা বিগিত আমলের পালটা প্রতিশোধ নিতে গিয়ে ফসলের উপর বর্বরোচিত হামলা করেছে দুর্বত্বরা। আমরা এই ধরনের রাজনীতি চাই না।
আমরা সন্ত্রাস মুক্ত ও প্রতিহিংসা মুক্ত রাজনীতি চাই। সন্ত্রাসের রাজনীতি তে আমরা বিশ্বাসী নয়।
বিগত দিনের আওয়ামী লীগের কর্মের জন্য পলাতক আছে আওয়ামী লীগ। বর্তমানে রাজনৈতিক দলের নেতার এই গুলা খেয়াল রেখে রাজনীতি করতে হবে। সন্রাস বন্ধ করতে না পারলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের মানুষ রাজনীতি কে ঘৃনা করবে।এবং আওয়ামী লীগের মত ভুক্তভোগী হবে।
মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ :
১১ জানুয়ারি, ২০২৬, 6:36 PM
১১ জানুয়ারি ২০২৬, বেলা ১২::০০ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় চরহাজারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও একই ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ফয়সাল ইবনে জুয়েল (৩৭) কে তুলে নিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বসুরহাট পৌর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ফয়সাল ইবনে জুয়েল চরহাজারী ইউনিয়নের মাস্টার আবু নাছেরের ছেলে।
সে দীর্ঘ দিন বসুরহাট বাজারে ব্যাবসায়ী ছিলেন। ব্যাবসার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আহত ফয়সালের এক নিকটাত্মীয় জানান, বসুরহাট বাজারের আরডি শপিং মলের সামনে ফয়সাল মোটরসাইকেলে থাকা অবস্থায় কয়েকজন মুখোশ পরা দুর্বৃত্ত তাকে টেনে হিঁচড়ে তুলেজোর পুর্বক তুলে নেয়।
পরে কেজি স্কুলের পার্শ্ববর্তী একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে জখম করা হয়।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিম বলেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই দিকে এই ঘটনার পর কোম্পানি গঞ্জের আওয়ামী লীগের ভিবিন্ন নেতা কর্মী তীব্র খোভ প্রকাশ ও নিন্দা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ এর মাধ্যমে প্রতিবাদ জানান। এবং চর হাজারী ১নং ওয়াদের সাধারণ মানুষ নিন্দা জানিয়েছেন। এলাকাবাসী তার সুস্থতা কামনা করে। এলাকার সাধারণ মানুষ আলোচনা করতে করতে বলেন বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে কোম্পানি গঞ্জে এই ধরনের বহু মানুষের উপর হামলা করেছেন সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।
তার অনুসারী হিসেবে ফয়সাল তার্গেট করে দুর্বত্ব্রারা বিগিত আমলের পালটা প্রতিশোধ নিতে গিয়ে ফসলের উপর বর্বরোচিত হামলা করেছে দুর্বত্বরা। আমরা এই ধরনের রাজনীতি চাই না।
আমরা সন্ত্রাস মুক্ত ও প্রতিহিংসা মুক্ত রাজনীতি চাই। সন্ত্রাসের রাজনীতি তে আমরা বিশ্বাসী নয়।
বিগত দিনের আওয়ামী লীগের কর্মের জন্য পলাতক আছে আওয়ামী লীগ। বর্তমানে রাজনৈতিক দলের নেতার এই গুলা খেয়াল রেখে রাজনীতি করতে হবে। সন্রাস বন্ধ করতে না পারলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের মানুষ রাজনীতি কে ঘৃনা করবে।এবং আওয়ামী লীগের মত ভুক্তভোগী হবে।
সম্পর্কিত