ঢাকা ০৭ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
নেতার আগমন ঘিরে উজ্জীবিত ধুনট বিএনপি: রাজপথে বিশাল আনন্দ মিছিল সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের গুজব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সতর্কতা গাজীপুরে প্রেস কাউন্সিলের কর্মশালা: অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে সতর্কবার্তা মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ সময়োপযোগী করে অধ্যাদেশ জারি নির্বাচন ব্যবস্থাকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ ইসি : নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক বিএনপিতে যোগ দিলেন এনসিপির সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা খালেদা জিয়া কখনও স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত করেননি : ড. মঈন খান ডিসেম্বরে সামান্য বেড়েছে পিএমআই ঐতিহ্যবাহী  বেলকুচি প্রেসক্লাবের ৪৮তম  প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে  শীতবস্ত্র বিতরণ

কমিশনার মোঃ সানাউল্লাহর (অব.)বক্তব্যে উন্মোচিত রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার চিত্র

#
news image

বিগত সময়ের নির্বাচনে শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ রাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই প্রশ্নবিদ্ধ ও কলঙ্কিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব.)।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে বান্দরবান জেলা পুলিশ লাইন্সে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, দেশে প্রকৃত গণতন্ত্রের অনুপস্থিতি ও দুর্বল নির্বাচন ব্যবস্থা জুলাই আন্দোলনের অন্যতম পটভূমি ছিল। এই বাস্তবতাকে সঠিকভাবে অনুধাবন করা গেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে এমন সংকটের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নয়; এটি দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর হারিয়ে যাওয়া বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধারের একটি বড় সুযোগ। বিগত নির্বাচনগুলোতে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকাও জনমনে গভীর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, পুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে থাকে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে অথবা প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে রয়েছে। এখন থেকেই সবাইকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে—যেন কোনো অবস্থাতেই নির্বাচন বিঘ্নিত, ক্ষতিগ্রস্ত বা বিতর্কিত না হয়। সৎ, নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনের নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও দৃঢ়তা—এই তিনটি বিষয়ই কমিশনের মূল ভিত্তি। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম আইন অনুযায়ী ও সম্পূর্ণ স্বচ্ছ হতে হবে এবং কোনো ধরনের পক্ষপাত ছাড়াই দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এর আগে ও পরে নির্বাচন কমিশনার বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিম এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আব্দুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু তালেবসহ বিভিন্ন সামরিক কর্মকর্তা, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবান প্রতিনিধি :

০৬ জানুয়ারি, ২০২৬,  1:57 AM

news image

বিগত সময়ের নির্বাচনে শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ রাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই প্রশ্নবিদ্ধ ও কলঙ্কিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব.)।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে বান্দরবান জেলা পুলিশ লাইন্সে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, দেশে প্রকৃত গণতন্ত্রের অনুপস্থিতি ও দুর্বল নির্বাচন ব্যবস্থা জুলাই আন্দোলনের অন্যতম পটভূমি ছিল। এই বাস্তবতাকে সঠিকভাবে অনুধাবন করা গেলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে এমন সংকটের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নয়; এটি দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর হারিয়ে যাওয়া বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধারের একটি বড় সুযোগ। বিগত নির্বাচনগুলোতে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকাও জনমনে গভীর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, পুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে থাকে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে অথবা প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে রয়েছে। এখন থেকেই সবাইকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে—যেন কোনো অবস্থাতেই নির্বাচন বিঘ্নিত, ক্ষতিগ্রস্ত বা বিতর্কিত না হয়। সৎ, নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনের নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও দৃঢ়তা—এই তিনটি বিষয়ই কমিশনের মূল ভিত্তি। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম আইন অনুযায়ী ও সম্পূর্ণ স্বচ্ছ হতে হবে এবং কোনো ধরনের পক্ষপাত ছাড়াই দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এর আগে ও পরে নির্বাচন কমিশনার বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিম এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আব্দুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু তালেবসহ বিভিন্ন সামরিক কর্মকর্তা, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।