ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ঈশ্বরগঞ্জে বেগম জিয়ার গায়েবানা জানাযায় গণমানুষের ঢল।

#
news image

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিএনপি এবং বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের ঢল নামে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর২০২৫) দুপুর ২টায় ঈশ্বরগঞ্জ বড় খেলার মাঠে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান যুগ্ম-আহব্বায়ক এ.কে.এম হারুন অর-রশীদ'র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ওই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন ঈশ্বরগঞ্জ নুর মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা খলিলুর রহমান।

জানাজার নামাজের আগে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন-উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহব্বায়ক এ.কে. এম হারুন অর রশিদ, আহসান পারভেজ, শাহজাহান জয়পুরী, আব্দুল্লাহ আল মামুন খোকন, অ্যাডভোকেট শাহজাহান সাজু। ঈশ্বরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভিপি ফরিদ উদ্দিন, ঈশ্বরগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্য সচিব নূরে আলম জিকু, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার আলী টিপু, হায়দার আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান আকন্দ হলুদ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সম্মানিত সদস্য সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ জাবীর বিবেক এবং ইমিউন হাসপাতালের পরিচালক ডা. ফরহাদ হোসেন প্রমুখ। এতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। এসময় খালেদা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

খালেদাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহব্বায়ক এ.কে.এম হারুন অর রশিদ বলেন,'আমার ছাত্রজীবন শুরু হয়েছিল আমাদের দেশনেত্রী এবং গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার চেহারা দেখে। আমার ছাত্রজীবনের অনেকটা সময় পার হয়েছে খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে স্লোগান দিয়ে। আমাদের আশা ছিলো আজকে যে মুক্ত বাংলাদেশ এই মুক্ত বাংলাদেশে তিনি চষে বেড়াবেন। কিন্তু মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। আমরা যারা তার দল করি তারা যেন খালেদা জিয়ার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, সততা ধারণ করে আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।

আপনারা সবাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করবেন মহান আল্লাহ পাক যেন তাঁকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন এবং এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দলকে বিজয়ী করতে পারি। সেই সাথে ঈশ্বরগঞ্জ আসনটি যেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুকে বিজয়ী করে দলকে উপহার দিতে পারি।

উল্লেখ্য যে, গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন খালেদা জিয়া। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত জটিল এবং তিনি সংকটময় মুহূর্ত পার করছিলেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর ২০২৫) ভোর ৬টায় চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

আশরাফুল ইসলাম, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :

৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫,  9:55 PM

news image

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিএনপি এবং বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের ঢল নামে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর২০২৫) দুপুর ২টায় ঈশ্বরগঞ্জ বড় খেলার মাঠে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান যুগ্ম-আহব্বায়ক এ.কে.এম হারুন অর-রশীদ'র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ওই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন ঈশ্বরগঞ্জ নুর মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা খলিলুর রহমান।

জানাজার নামাজের আগে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন-উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহব্বায়ক এ.কে. এম হারুন অর রশিদ, আহসান পারভেজ, শাহজাহান জয়পুরী, আব্দুল্লাহ আল মামুন খোকন, অ্যাডভোকেট শাহজাহান সাজু। ঈশ্বরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভিপি ফরিদ উদ্দিন, ঈশ্বরগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্য সচিব নূরে আলম জিকু, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার আলী টিপু, হায়দার আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান আকন্দ হলুদ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সম্মানিত সদস্য সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ জাবীর বিবেক এবং ইমিউন হাসপাতালের পরিচালক ডা. ফরহাদ হোসেন প্রমুখ। এতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। এসময় খালেদা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

খালেদাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহব্বায়ক এ.কে.এম হারুন অর রশিদ বলেন,'আমার ছাত্রজীবন শুরু হয়েছিল আমাদের দেশনেত্রী এবং গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার চেহারা দেখে। আমার ছাত্রজীবনের অনেকটা সময় পার হয়েছে খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে স্লোগান দিয়ে। আমাদের আশা ছিলো আজকে যে মুক্ত বাংলাদেশ এই মুক্ত বাংলাদেশে তিনি চষে বেড়াবেন। কিন্তু মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। আমরা যারা তার দল করি তারা যেন খালেদা জিয়ার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, সততা ধারণ করে আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।

আপনারা সবাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করবেন মহান আল্লাহ পাক যেন তাঁকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন এবং এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দলকে বিজয়ী করতে পারি। সেই সাথে ঈশ্বরগঞ্জ আসনটি যেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুকে বিজয়ী করে দলকে উপহার দিতে পারি।

উল্লেখ্য যে, গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন খালেদা জিয়া। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত জটিল এবং তিনি সংকটময় মুহূর্ত পার করছিলেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর ২০২৫) ভোর ৬টায় চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।