ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

সোনালি ধানের দোল—কৃষাণ-কৃষাণীর ঘরে তোলার ব্যস্ত সময়

#
news image

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়িতে এবারের আমন চাষ যেন নিয়ে এসেছে সোনালি প্রাচুর্যের বার্তা। অনুকূল আবহাওয়া, উপযুক্ত বীজ আর কৃষকের নিবিড় পরিচর্যায় উপজেলা জুড়ে দেখা যাচ্ছে আমনের বাম্পার ফলন। যতদূর চোখ যায়, ক্ষেতজুড়ে শুধু সোনালি ধানের ঢেউ—দক্ষিণা হাওয়ায় সেই ধানের দোল মনকাড়ার মতো সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিচ্ছে গ্রামীন জনপদের প্রতিটি কোণে।

ধান এখন পুরোপুরি পেকে সোনালি রং ধারণ করেছে। তাই কৃষাণ-কৃষাণীদের হাতে এখন এক মুহূর্ত সময় নেই। কেউ কাটছে ধান, কেউ কাঁধে ভার দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ঘরে; কেউ ছড়ার মধ্যে ধান আলাদা করছে, আবার কেউ কুলো দিয়ে চিটা ছাড়ানোর ব্যস্ততায়। কুলো দিয়ে ধানের চিটা আলাদা করার দৃশ্যটাও যেন গ্রামবাংলার এক হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে চোখে আঙুল দিয়ে মনে করিয়ে দেয়।

ধান শুকিয়ে গোলায় ভরার প্রস্তুতিও চলছে গ্রামে গ্রামে। প্রতিটি বাড়ি, প্রতিটি উঠান এখন যেন উৎসবের রঙে ভরপুর—ধান ওঠার আনন্দ, পরিশ্রমের সার্থকতা আর নতুন সম্ভাবনার বার্তা কৃষকের চোখে-মুখে স্পষ্ট।

সব মিলিয়ে, পানছড়ির মাঠে এখন সোনালি আমনের সৌরভে ভরা গ্রামবাংলার প্রাণচাঞ্চল্য, আর ধান ঘরে তোলার ব্যস্ততায় প্রতিটি কৃষক পরিবারে বইছে পরিশ্রমের আনন্দধারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম জানান, পানছড়ি উপজেলায় এ বছর ৩৭৯৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে, যার উৎপাদন ১৭,৮৩৭ মেট্রিক টন। গত বছর আবাদ হয়েছিল ৩৭৯০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদন ছিল ১৫,৯১৮ মেট্রিক টন। অর্থাৎ এবার উৎপাদন বেড়েছে প্রায় দুই হাজার মেট্রিক টন।

তিনি বলেন, অনুকূল আবহাওয়া, রোগ–পোকার কম উপস্থিতি কারণে ফলন ভালো হয়েছে।

পানছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি :

০২ ডিসেম্বর, ২০২৫,  6:58 PM

news image

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়িতে এবারের আমন চাষ যেন নিয়ে এসেছে সোনালি প্রাচুর্যের বার্তা। অনুকূল আবহাওয়া, উপযুক্ত বীজ আর কৃষকের নিবিড় পরিচর্যায় উপজেলা জুড়ে দেখা যাচ্ছে আমনের বাম্পার ফলন। যতদূর চোখ যায়, ক্ষেতজুড়ে শুধু সোনালি ধানের ঢেউ—দক্ষিণা হাওয়ায় সেই ধানের দোল মনকাড়ার মতো সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিচ্ছে গ্রামীন জনপদের প্রতিটি কোণে।

ধান এখন পুরোপুরি পেকে সোনালি রং ধারণ করেছে। তাই কৃষাণ-কৃষাণীদের হাতে এখন এক মুহূর্ত সময় নেই। কেউ কাটছে ধান, কেউ কাঁধে ভার দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ঘরে; কেউ ছড়ার মধ্যে ধান আলাদা করছে, আবার কেউ কুলো দিয়ে চিটা ছাড়ানোর ব্যস্ততায়। কুলো দিয়ে ধানের চিটা আলাদা করার দৃশ্যটাও যেন গ্রামবাংলার এক হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে চোখে আঙুল দিয়ে মনে করিয়ে দেয়।

ধান শুকিয়ে গোলায় ভরার প্রস্তুতিও চলছে গ্রামে গ্রামে। প্রতিটি বাড়ি, প্রতিটি উঠান এখন যেন উৎসবের রঙে ভরপুর—ধান ওঠার আনন্দ, পরিশ্রমের সার্থকতা আর নতুন সম্ভাবনার বার্তা কৃষকের চোখে-মুখে স্পষ্ট।

সব মিলিয়ে, পানছড়ির মাঠে এখন সোনালি আমনের সৌরভে ভরা গ্রামবাংলার প্রাণচাঞ্চল্য, আর ধান ঘরে তোলার ব্যস্ততায় প্রতিটি কৃষক পরিবারে বইছে পরিশ্রমের আনন্দধারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম জানান, পানছড়ি উপজেলায় এ বছর ৩৭৯৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে, যার উৎপাদন ১৭,৮৩৭ মেট্রিক টন। গত বছর আবাদ হয়েছিল ৩৭৯০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদন ছিল ১৫,৯১৮ মেট্রিক টন। অর্থাৎ এবার উৎপাদন বেড়েছে প্রায় দুই হাজার মেট্রিক টন।

তিনি বলেন, অনুকূল আবহাওয়া, রোগ–পোকার কম উপস্থিতি কারণে ফলন ভালো হয়েছে।