ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

বিজয় দিবসের রক্তিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জামায়াত নেতা শেখ মঞ্জুরুল হক (রাহাদ)।

#
news image

১৬ ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী  বাগেরহাট জেলা যুব বিভাগীয় সভাপতি জেলা শূরা ও  কর্মপরিষদ সদস্য,  বাগেরহাট সদর ও কচুয়া গণ মানুষের নেতা - শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ   শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। 

মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা বোনের সঙ্গমহানীর মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতা অর্জিত হয়। পশ্চিম পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী যখন এদেশের খেটে খাওয়া মানুষ,দিনমজুর, ছাত্র সমাজ আইনজীবী সহ ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা যজ্ঞ সৃষ্টি করে। 

ঠিক তখনই এদেশের সার্বভৌমত্ব ঠিক রাখতে, স্বাধীনতা ধরে রাখতে, দেশের মানচিত্র কে রক্ষা করতে দেশের সকল শ্রেনি পেশা মানুষ  ঝাপিয়ে পড়ে দীর্ঘ নয় মাস রক্ত ক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতা লাভ করে, আমরা পাই একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। সেই সকল জাতির বীর সন্তানদের  শ্রদ্ধাভারে স্বরণ করি।

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪,  11:22 PM

news image
শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ

১৬ ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী  বাগেরহাট জেলা যুব বিভাগীয় সভাপতি জেলা শূরা ও  কর্মপরিষদ সদস্য,  বাগেরহাট সদর ও কচুয়া গণ মানুষের নেতা - শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ   শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। 

মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা বোনের সঙ্গমহানীর মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতা অর্জিত হয়। পশ্চিম পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী যখন এদেশের খেটে খাওয়া মানুষ,দিনমজুর, ছাত্র সমাজ আইনজীবী সহ ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা যজ্ঞ সৃষ্টি করে। 

ঠিক তখনই এদেশের সার্বভৌমত্ব ঠিক রাখতে, স্বাধীনতা ধরে রাখতে, দেশের মানচিত্র কে রক্ষা করতে দেশের সকল শ্রেনি পেশা মানুষ  ঝাপিয়ে পড়ে দীর্ঘ নয় মাস রক্ত ক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতা লাভ করে, আমরা পাই একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। সেই সকল জাতির বীর সন্তানদের  শ্রদ্ধাভারে স্বরণ করি।