ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

নরসিংদীতে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করায় সাংবাদিকের প্রতিবাদ

#
news image

নরসিংদী সেকেরচর এলাকার কুরের পাড় নামক স্থানে  ৫ই নভেম্বর নরসিংদীর দুই সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ও খন্দকার তৌহিদুল ইসলাম কুড়ের পার  রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল যুগে মাধবদীর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ ব্রাদার্স ডাইং এর পাশে বয়লারের কারখানার সামনে মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের সাংবাদিক মাজহার মিলন  ও তার ক্যামেরাম্যান এর সাথে সাক্ষাৎ হয়।

একপর্যায়ে হাই হলো বলার পরে মাজাহার মিলনের ক্যামেরাম্যানতাদের  দুজনের দিকে ক্যামেরা তাক লাগিয়ে রাখছিল । একপর্যায়ে কথোপকথনের কথা রেকর্ড করতে দেখতে পায় মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক হঠাৎ যখন চোখ যায় ওই ক্যামেরার দিকে তখন মাযহার মিলনসহ ওই দুই সাংবাদিক ক্যামেরা বন্ধ করতে বলেন এবং ক্যামেরার ধরতে বারণ করেন । মাজহার মিজানু তাকে ক্যামেরা বন্ধ করতে বারবার বারণ করেছিলেন। এমতাবস্থায় মাজহার মিলনের সাথে সাংবাদিকের ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে তখন বাদার্স ডাইং এর ম্যানেজার ইমরুল হোসেন নরসিংদীর সাংবাদিক ও ঢাকার সাংবাদিক মাজাহার  মিলন কে বারবার অফিসে যেয়ে কথা বলতে বলেন।  

পরবর্তীতে মাজহার মিলন কে সাথে নিয়ে সাংবাদিক তিনজন অফিসে ঢুকে।  ওই ফ্যাক্টরি ম্যানেজার ফল ফ্রুট দিয়ে আপ্যায়ন করেন। পরবর্তী ম্যানেজারের সাথে সাংবাদিক মাজহার মিলনের  কাছ থেকে আমরা জানতে চাই ভাই কি বিষয়ে এসেছেন। তখন তিনি দুই সাংবাদিককে বলল যে আমরা পরিবেশ নিয়ে কাজ করব এখানে লাকড়ি পোড়ানো হয় । তখন তহিদুল এবং মোস্তাক বলেছিলেন  বেশ ভালো কথা পরিবেশের জন্য আজ আমাদের নরসিংদী টা ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। পাশের যে খালটি বর্মপুত্র নদ এই নদের পানি লাল রং ছাড়া আর  কোন  দেখা যায় না।

এ বিষয়ে নিউজ করলে দেশ জাতির মঙ্গল হবে। পরে আমরা দুজন ওখান থেকে চলে আসি। পরবর্তীতে মাজহার মিলন ঢাকায় গিয়ে সাংবাদিক মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক কে হোয়াটসঅ্যাপে কল দিতে থাকেন এবং বলতে থাকেন যে আমরা নিউজটি করবোনা আপনার নরসিংদীতে দুর্নীতি অনিয়মের ঘটনা আমাদেরকে দিলে আমরা নিউজ টা বন্ধ রাখব। তখন আমি তাকে কিছুই বলিনি। শুধু এতোটুকু বলেছি আমাদের নরসিংদীতে কোন অনিয়ম দুর্নীতি নেই।  ব্রাদার্স ডাইনিং এর নিউজ করলে আমাদের লাভ লসের কিছুই নেই আপনারা যা ভালো মনে করেন তাই করতে পারেন।

পরবর্তীতে গত ১১ তারিখ রাত ১১ টায় মাছরাঙ্গা টেলিভিশনে ব্রাদার্স ড্রাইং সহ নরসিংদী কয়েকটি কারখানার লাকড়ি  ব্যবহারের চিত্র তুলে ধরে একটি উন্মোচন নামে প্রোগ্রাম করেন। প্রোগ্রামে দেখা যায় মোস্তাক ও মাজহার মিলন একই সাথে বলেছিলেন ক্যামেরা বন্ধ কর। যে কথা বলেছি ক্যামেরা বন্ধ করেন সেই কথাটা উল্লেখ করে উনি সাংবাদিক মুস্তাক ও তৌহিদুলের ছবি সামনে এনে প্রচার করেছেন । সাংবাদিক মোস্তাকের সাথে কথা বলে জানতে পারি তিনি দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বিএমএসএফ এর নরসিংদী জেলা শাখার সভাপতি এবং নরসিংদী থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক নরসিংদীর সংবাদ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক। তৌহিদুল ইসলাম বাংলা নিউজ টিভির জেলা প্রতিনিধি তারা দুজন একই মোটরসাইকেলে নরসিংদীর থেকে ভিতরে রাস্তা দিয়ে মাধবদী যাচ্ছিলো । ব্রাদার্স ডাইং এর খালি মাঠে কয়েকজন লোক দেখতে পেয়ে  দুজন এখানে একটু দাড়ায়। এক পর্যায়ে ম্যানেজার ইমরুল আমাদেরকে ডাকতে থাকে। পরবর্তীতে আমরা যখন মোটরসাইকেল নিয়ে কাছে যায় ওই সময় ক্যামেরাম্যান আমাদের দুজনের ভিডিও ফুটেজ নেয়। আমরা পরিচয় জানতে চাওয়ার আগে উনি আমাদেরকে পরিচয় জানতে চেয়েছেন আমরা কে আমরা যখন বলেছি আমরা সাংবাদিক আমাদের দিকে ক্যামেরা তাক করা  বলার কি দরকার  ।এই কথাটুকু বলা ছাড়া অন্য কোন কথা এখানে ওঠেনি। পরবর্তীতে তিনি ১১ নম্বরের রাত ১১ টায় মাছরাঙ্গা টেলিভিশনে উন্মোচন নামে প্রোগ্রামে আমাদেরকে হাইলাইট করে প্রচার করেন যা আমাদের মান-সম্মানে খুন্ন হয়েছে । এ বিষয়ে আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করছি।

নরসিংদী প্রতিনিধি :

১৪ নভেম্বর, ২০২৫,  7:59 PM

news image

নরসিংদী সেকেরচর এলাকার কুরের পাড় নামক স্থানে  ৫ই নভেম্বর নরসিংদীর দুই সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ও খন্দকার তৌহিদুল ইসলাম কুড়ের পার  রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল যুগে মাধবদীর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ ব্রাদার্স ডাইং এর পাশে বয়লারের কারখানার সামনে মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের সাংবাদিক মাজহার মিলন  ও তার ক্যামেরাম্যান এর সাথে সাক্ষাৎ হয়।

একপর্যায়ে হাই হলো বলার পরে মাজাহার মিলনের ক্যামেরাম্যানতাদের  দুজনের দিকে ক্যামেরা তাক লাগিয়ে রাখছিল । একপর্যায়ে কথোপকথনের কথা রেকর্ড করতে দেখতে পায় মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক হঠাৎ যখন চোখ যায় ওই ক্যামেরার দিকে তখন মাযহার মিলনসহ ওই দুই সাংবাদিক ক্যামেরা বন্ধ করতে বলেন এবং ক্যামেরার ধরতে বারণ করেন । মাজহার মিজানু তাকে ক্যামেরা বন্ধ করতে বারবার বারণ করেছিলেন। এমতাবস্থায় মাজহার মিলনের সাথে সাংবাদিকের ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে তখন বাদার্স ডাইং এর ম্যানেজার ইমরুল হোসেন নরসিংদীর সাংবাদিক ও ঢাকার সাংবাদিক মাজাহার  মিলন কে বারবার অফিসে যেয়ে কথা বলতে বলেন।  

পরবর্তীতে মাজহার মিলন কে সাথে নিয়ে সাংবাদিক তিনজন অফিসে ঢুকে।  ওই ফ্যাক্টরি ম্যানেজার ফল ফ্রুট দিয়ে আপ্যায়ন করেন। পরবর্তী ম্যানেজারের সাথে সাংবাদিক মাজহার মিলনের  কাছ থেকে আমরা জানতে চাই ভাই কি বিষয়ে এসেছেন। তখন তিনি দুই সাংবাদিককে বলল যে আমরা পরিবেশ নিয়ে কাজ করব এখানে লাকড়ি পোড়ানো হয় । তখন তহিদুল এবং মোস্তাক বলেছিলেন  বেশ ভালো কথা পরিবেশের জন্য আজ আমাদের নরসিংদী টা ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। পাশের যে খালটি বর্মপুত্র নদ এই নদের পানি লাল রং ছাড়া আর  কোন  দেখা যায় না।

এ বিষয়ে নিউজ করলে দেশ জাতির মঙ্গল হবে। পরে আমরা দুজন ওখান থেকে চলে আসি। পরবর্তীতে মাজহার মিলন ঢাকায় গিয়ে সাংবাদিক মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক কে হোয়াটসঅ্যাপে কল দিতে থাকেন এবং বলতে থাকেন যে আমরা নিউজটি করবোনা আপনার নরসিংদীতে দুর্নীতি অনিয়মের ঘটনা আমাদেরকে দিলে আমরা নিউজ টা বন্ধ রাখব। তখন আমি তাকে কিছুই বলিনি। শুধু এতোটুকু বলেছি আমাদের নরসিংদীতে কোন অনিয়ম দুর্নীতি নেই।  ব্রাদার্স ডাইনিং এর নিউজ করলে আমাদের লাভ লসের কিছুই নেই আপনারা যা ভালো মনে করেন তাই করতে পারেন।

পরবর্তীতে গত ১১ তারিখ রাত ১১ টায় মাছরাঙ্গা টেলিভিশনে ব্রাদার্স ড্রাইং সহ নরসিংদী কয়েকটি কারখানার লাকড়ি  ব্যবহারের চিত্র তুলে ধরে একটি উন্মোচন নামে প্রোগ্রাম করেন। প্রোগ্রামে দেখা যায় মোস্তাক ও মাজহার মিলন একই সাথে বলেছিলেন ক্যামেরা বন্ধ কর। যে কথা বলেছি ক্যামেরা বন্ধ করেন সেই কথাটা উল্লেখ করে উনি সাংবাদিক মুস্তাক ও তৌহিদুলের ছবি সামনে এনে প্রচার করেছেন । সাংবাদিক মোস্তাকের সাথে কথা বলে জানতে পারি তিনি দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বিএমএসএফ এর নরসিংদী জেলা শাখার সভাপতি এবং নরসিংদী থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক নরসিংদীর সংবাদ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক। তৌহিদুল ইসলাম বাংলা নিউজ টিভির জেলা প্রতিনিধি তারা দুজন একই মোটরসাইকেলে নরসিংদীর থেকে ভিতরে রাস্তা দিয়ে মাধবদী যাচ্ছিলো । ব্রাদার্স ডাইং এর খালি মাঠে কয়েকজন লোক দেখতে পেয়ে  দুজন এখানে একটু দাড়ায়। এক পর্যায়ে ম্যানেজার ইমরুল আমাদেরকে ডাকতে থাকে। পরবর্তীতে আমরা যখন মোটরসাইকেল নিয়ে কাছে যায় ওই সময় ক্যামেরাম্যান আমাদের দুজনের ভিডিও ফুটেজ নেয়। আমরা পরিচয় জানতে চাওয়ার আগে উনি আমাদেরকে পরিচয় জানতে চেয়েছেন আমরা কে আমরা যখন বলেছি আমরা সাংবাদিক আমাদের দিকে ক্যামেরা তাক করা  বলার কি দরকার  ।এই কথাটুকু বলা ছাড়া অন্য কোন কথা এখানে ওঠেনি। পরবর্তীতে তিনি ১১ নম্বরের রাত ১১ টায় মাছরাঙ্গা টেলিভিশনে উন্মোচন নামে প্রোগ্রামে আমাদেরকে হাইলাইট করে প্রচার করেন যা আমাদের মান-সম্মানে খুন্ন হয়েছে । এ বিষয়ে আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করছি।