আগামীকাল প্রখ্যাত চলচ্চিত্র-নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের ১০০তম জন্মদিন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৩ নভেম্বর, ২০২৫, 8:46 PM
আগামীকাল প্রখ্যাত চলচ্চিত্র-নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের ১০০তম জন্মদিন
বাংলাদেশ ও ভারতের চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, কিংবদন্তি চলচ্চিত্র-নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের ১০০তম জন্মবার্ষিকী ।
১৯২৫ সালের ৪ নভেম্বর রাজশাহী নগরীর মিয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন ঋত্বিক ঘটক। তার শৈশব ও যৌবনের প্রথম দিকটি রাজশাহীতেই কেটেছে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তার পরিবার ভারতে চলে যায়।
তিনি রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে পড়াশোনা করেন এবং পরে রাজশাহী কলেজে অধ্যয়ন করেন, যেখানে সাহিত্য, নাটক ও চলচ্চিত্রের প্রতি তার আগ্রহ গড়ে ওঠে।
ঋত্বিক ঘটক তার কালজয়ী চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য বিখ্যাত। তার নির্মিত চলচ্চিত্রে দেশভাগের যন্ত্রণা, বেকারত্ব, অভাব ও সামাজিক বাস্তবতা ফুটে উঠেছে।
তার সবচেয়ে প্রশংসিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘মেঘে ঢাকা তারা’, ‘কমল গন্ধার’, ‘সুবর্ণরেখা’ এবং ‘তিতাস একটি নদীর নাম’। শক্তিশালী গল্প বলার ধরণ ও আবেগঘন উপস্থাপনার কারণে তার চলচ্চিত্রগুলো আজও বিভিন্ন প্রজন্মের নির্মাতা ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের অনুপ্রেরণা জোগায়।
রাজশাহীর ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটির সদস্যরা জানিয়েছেন, এই মহান নির্মাতার শতবর্ষ উপলক্ষে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।
সোসাইটির সভাপতি আহসান কবির লিটন বলেন, ‘রাজশাহীতে কাটানো বছরগুলো ঋত্বিক ঘটকের সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই শহরের পরিবেশ, পদ্মা নদী এবং এর সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তার কাজের ওপর স্থায়ী ছাপ ফেলেছে।’
২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর ফিল্ম সোসাইটি ঋত্বিক ঘটকের জন্মবার্ষিকী পালন করে আসছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
০৩ নভেম্বর, ২০২৫, 8:46 PM
বাংলাদেশ ও ভারতের চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, কিংবদন্তি চলচ্চিত্র-নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের ১০০তম জন্মবার্ষিকী ।
১৯২৫ সালের ৪ নভেম্বর রাজশাহী নগরীর মিয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন ঋত্বিক ঘটক। তার শৈশব ও যৌবনের প্রথম দিকটি রাজশাহীতেই কেটেছে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তার পরিবার ভারতে চলে যায়।
তিনি রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে পড়াশোনা করেন এবং পরে রাজশাহী কলেজে অধ্যয়ন করেন, যেখানে সাহিত্য, নাটক ও চলচ্চিত্রের প্রতি তার আগ্রহ গড়ে ওঠে।
ঋত্বিক ঘটক তার কালজয়ী চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য বিখ্যাত। তার নির্মিত চলচ্চিত্রে দেশভাগের যন্ত্রণা, বেকারত্ব, অভাব ও সামাজিক বাস্তবতা ফুটে উঠেছে।
তার সবচেয়ে প্রশংসিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘মেঘে ঢাকা তারা’, ‘কমল গন্ধার’, ‘সুবর্ণরেখা’ এবং ‘তিতাস একটি নদীর নাম’। শক্তিশালী গল্প বলার ধরণ ও আবেগঘন উপস্থাপনার কারণে তার চলচ্চিত্রগুলো আজও বিভিন্ন প্রজন্মের নির্মাতা ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের অনুপ্রেরণা জোগায়।
রাজশাহীর ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটির সদস্যরা জানিয়েছেন, এই মহান নির্মাতার শতবর্ষ উপলক্ষে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।
সোসাইটির সভাপতি আহসান কবির লিটন বলেন, ‘রাজশাহীতে কাটানো বছরগুলো ঋত্বিক ঘটকের সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই শহরের পরিবেশ, পদ্মা নদী এবং এর সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তার কাজের ওপর স্থায়ী ছাপ ফেলেছে।’
২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর ফিল্ম সোসাইটি ঋত্বিক ঘটকের জন্মবার্ষিকী পালন করে আসছে।