ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

দীর্ঘদিনও চালু হয়নি ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ লোকাল চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা

#
news image

ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ রুটে চলাচলকারী লোকাল ট্রেনটির দীর্ঘদিন ধরে চলাচল বন্ধ থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। বারহাট্টা থেকে নেত্রকোনা পৌরশহরসহ ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরে চলাচলের জন্য যাত্রীরা বাস, সিএনজি, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ব্যবহার করে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে করে তাদের অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে, সময়ও বেশি ব্যয় হচ্ছে পাশাপাশি বেশিরভাগ সময়েই দূর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে। কবে এ ট্রেন চালু হবে তা নিদিষ্ট করে জানে না রেল কর্তৃপক্ষ। এরইমধ্যে ট্রেনটি চালুর দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচি পালিত হলেওরেল কর্তৃপক্ষ বলছে, ইঞ্জিন সংকটের কারণে ট্রেন চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

রেলস্টেশন সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৯ ডিসেম্বর থেকে দীর্ঘ ১১ মাস ধরে ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ রুটে চলাচলকারী লোকাল ট্রেনটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকা রুটে ২১০ কিলোমিটার রেলপথ আছে। এর মধ্যে মোহনগঞ্জ-ময়মনসিংহ রেলপথের দূরত্ব ৬৮.৫ কিলোমিটার। ওই রেলপথে ঢাকা-মোহনগঞ্জ ‘হাওর এক্সপ্রেস’  ‘মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস’ নামের দুটি আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। এ ছাড়াও একটি কমিউটার ট্রেন (মহুয়া) চালু রয়েছে। এ ছাড়াও স্থানীয়দের দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় লোকাল ট্রেনটি প্রতিদিন ময়মনসিংহ স্টেশন থেকে যথাক্রমে ভোর ৫টা এবং বেলা ২টা ১০ মিনিটে মোহনগঞ্জ স্টেশনের উদ্দেশ্য ছেড়ে যেতো। অন্যদিকে ময়মনসিংহর উদ্দেশ্য প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা ও বিকেল সাড়ে ৫টায় মোহনগঞ্জ স্টেশন থেকে ছেড়ে যেত ট্রেনটি। অথচ গত ৯ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে লোকাল ট্রেনটি। ট্রেনটি বন্ধ থাকায় মোহনগঞ্জ রুটে চলাচলকারী বারহাট্টা, ঠাকুরাকোনা, নেত্রকোনা, শ্যামগঞ্জ, গৌরীপুর এবং আশপাশের আটটি স্টেশনের যাত্রীরা পড়েছেন ভোগান্তিতে।

লোকাল ট্রেনে করে অনেক যাত্রী মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে পর্যায়ক্রমে অতিথপু, ঠাকুরাকোনা, নেত্রকোনা কোর্ট স্টেশন, বড় স্টেশন, চল্লিশা, হিরণপুর, শ্যামগঞ্জ, গৌরীপুর, শম্ভুগঞ্জ, বিশকাসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে সুবিধামত যাওয়া-আসা করতেন। ট্রেনটি বন্ধ থাকায় এই অঞ্চলের যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এ রুটে চলাচলকারী স্থানীয় যাত্রীদের অভিযোগ করে বলেন, লোকাল ট্রেনটিতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ যাতায়াত করেন। গত ১১ মাস থেকে ট্রেনটির চলাচল বন্ধ আছে।

তারা আরও বলেন, লোকাল ট্রেনটি বন্ধ থাকায় বাস, সিএনজি অটোরিক্সার ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক বোঝা বেড়েছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবীদের দৈনন্দিন যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই আমাদের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন ট্রেনটি নিয়মিত চালুর দাবি জানাচ্ছি।

ময়মনসিংহ, শ্যামগঞ্জ, গৌরীপুর, নেত্রকোনাসহ বিভিন্ন স্টেশন থেকে বারহাট্টা, মোহনগঞ্জ অফিস করতে আসা সরকারি চাকরিজীবী সাদিয়া সুলতানা, সিদ্দিকুর রহমান, কলেজ প্রভাষক সঞ্চিত দেবনাথ ও গৌরী রাণী তালুকদারের সাথে কথা বললে তারা বলেন, আমরা নেত্রকোনা শহর থেকে লোকাল ট্রেনে করে নিয়মিত বারহাট্টায় যাতায়াত করি। এই ট্রেনে খরচ কম ও সময়ের মধ্যে সহজে কর্মস্থলে যাওয়া-আসা করা যায়। কিন্তু গত ১১ মাস ধরে ট্রেনটি বন্ধ থাকায় ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্কুল শিক্ষিকা মনিকা দত্ত বলেন, আমি প্রতিদিন বারহাট্টা থেকে নেত্রকোনা স্কুলে যাই। স্কুল ছুটির পর বিকালের লোকাল ট্রেনে চড়ে বাসায় ফিরতাম। ট্রেনটি বন্ধ থাকায় আমাদের মতো প্রতিদিনের যাতায়াত করানযাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে। তাই আমাদের মতো যাত্রীদের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন লোকাল ট্রেনটি নিয়মিত চালুর দাবি জানাচ্ছি।

মোহনগঞ্জ, বারহাট্টা, ঠাকুরাকোনা এলাকার বাসিন্দা, নেত্রকোনা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আরিফুর, মরিয়ম, সুমাইয়া, রাসেলসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বললে তারা সকালের সময়কে বলেন, লোকাল ট্রেনটিতে চড়ে বারহাট্টা থেকে আমরা নেত্রকোনা গিয়ে ক্লাস করে আবার চলে আসতাম। কিন্তু ট্রেনটি বন্ধ থাকায় এখন সময় ও অর্থ দুটোই বেশি লাগছে। আমরা ট্রেনটি নিয়মিত চালুন দাবি জানাই।

মোহনগঞ্জ স্টেশন মাস্টার মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি নতুন এসেছি। আমার আসার অনেক আগে থেকেই ট্রেনটি বন্ধ রয়েছে। লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিন সল্পতার কারণে ট্রেনটি চলাচল বন্ধ আছে। তবে কখন ট্রেনটি চালু হবে, তা নিদিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না।

বারহাট্টা রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোজাম্মেল হক সত্যতা নিশ্চিত করে বলেনগত বছরের আগস্টের আগে ওই লোকাল ট্রেনটি নিয়মিত চলাচল করত। আগস্টের পর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সপ্তাহে ৩-৪ দিন চলাচল করেছে। ডিসেম্বরের ৯ তারিখ থেকে ট্রেনটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। মূলত লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনে সমস্যা হওয়ায় চলাচল বন্ধ আছে। ইঞ্জিন সল্পতার কারণে ট্রেনটি চলাচল বন্ধ আছে। তবে কখন ট্রেনটি চালু হবে, তা নিদিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না।

নেত্রকোনার স্টেশনমাস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনে সমস্যা হওয়ায় চলাচল বন্ধ আছে। ইঞ্জিনটি মেরামতের জন্য চট্টগ্রাম পাঠানো হয়েছে। ইঞ্জিন মেরামত শেষ হলে আবার চালু হবে। তবে কবে নাগাদ ইঞ্জিন মেরামত শেষ হবে, তা তিনি জানেন না।

 

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

০৩ নভেম্বর, ২০২৫,  5:02 PM

news image

ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ রুটে চলাচলকারী লোকাল ট্রেনটির দীর্ঘদিন ধরে চলাচল বন্ধ থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। বারহাট্টা থেকে নেত্রকোনা পৌরশহরসহ ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরে চলাচলের জন্য যাত্রীরা বাস, সিএনজি, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ব্যবহার করে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে করে তাদের অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে, সময়ও বেশি ব্যয় হচ্ছে পাশাপাশি বেশিরভাগ সময়েই দূর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে। কবে এ ট্রেন চালু হবে তা নিদিষ্ট করে জানে না রেল কর্তৃপক্ষ। এরইমধ্যে ট্রেনটি চালুর দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচি পালিত হলেওরেল কর্তৃপক্ষ বলছে, ইঞ্জিন সংকটের কারণে ট্রেন চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

রেলস্টেশন সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৯ ডিসেম্বর থেকে দীর্ঘ ১১ মাস ধরে ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ রুটে চলাচলকারী লোকাল ট্রেনটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকা রুটে ২১০ কিলোমিটার রেলপথ আছে। এর মধ্যে মোহনগঞ্জ-ময়মনসিংহ রেলপথের দূরত্ব ৬৮.৫ কিলোমিটার। ওই রেলপথে ঢাকা-মোহনগঞ্জ ‘হাওর এক্সপ্রেস’  ‘মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস’ নামের দুটি আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। এ ছাড়াও একটি কমিউটার ট্রেন (মহুয়া) চালু রয়েছে। এ ছাড়াও স্থানীয়দের দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় লোকাল ট্রেনটি প্রতিদিন ময়মনসিংহ স্টেশন থেকে যথাক্রমে ভোর ৫টা এবং বেলা ২টা ১০ মিনিটে মোহনগঞ্জ স্টেশনের উদ্দেশ্য ছেড়ে যেতো। অন্যদিকে ময়মনসিংহর উদ্দেশ্য প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা ও বিকেল সাড়ে ৫টায় মোহনগঞ্জ স্টেশন থেকে ছেড়ে যেত ট্রেনটি। অথচ গত ৯ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে লোকাল ট্রেনটি। ট্রেনটি বন্ধ থাকায় মোহনগঞ্জ রুটে চলাচলকারী বারহাট্টা, ঠাকুরাকোনা, নেত্রকোনা, শ্যামগঞ্জ, গৌরীপুর এবং আশপাশের আটটি স্টেশনের যাত্রীরা পড়েছেন ভোগান্তিতে।

লোকাল ট্রেনে করে অনেক যাত্রী মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে পর্যায়ক্রমে অতিথপু, ঠাকুরাকোনা, নেত্রকোনা কোর্ট স্টেশন, বড় স্টেশন, চল্লিশা, হিরণপুর, শ্যামগঞ্জ, গৌরীপুর, শম্ভুগঞ্জ, বিশকাসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে সুবিধামত যাওয়া-আসা করতেন। ট্রেনটি বন্ধ থাকায় এই অঞ্চলের যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এ রুটে চলাচলকারী স্থানীয় যাত্রীদের অভিযোগ করে বলেন, লোকাল ট্রেনটিতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ যাতায়াত করেন। গত ১১ মাস থেকে ট্রেনটির চলাচল বন্ধ আছে।

তারা আরও বলেন, লোকাল ট্রেনটি বন্ধ থাকায় বাস, সিএনজি অটোরিক্সার ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক বোঝা বেড়েছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবীদের দৈনন্দিন যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই আমাদের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন ট্রেনটি নিয়মিত চালুর দাবি জানাচ্ছি।

ময়মনসিংহ, শ্যামগঞ্জ, গৌরীপুর, নেত্রকোনাসহ বিভিন্ন স্টেশন থেকে বারহাট্টা, মোহনগঞ্জ অফিস করতে আসা সরকারি চাকরিজীবী সাদিয়া সুলতানা, সিদ্দিকুর রহমান, কলেজ প্রভাষক সঞ্চিত দেবনাথ ও গৌরী রাণী তালুকদারের সাথে কথা বললে তারা বলেন, আমরা নেত্রকোনা শহর থেকে লোকাল ট্রেনে করে নিয়মিত বারহাট্টায় যাতায়াত করি। এই ট্রেনে খরচ কম ও সময়ের মধ্যে সহজে কর্মস্থলে যাওয়া-আসা করা যায়। কিন্তু গত ১১ মাস ধরে ট্রেনটি বন্ধ থাকায় ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্কুল শিক্ষিকা মনিকা দত্ত বলেন, আমি প্রতিদিন বারহাট্টা থেকে নেত্রকোনা স্কুলে যাই। স্কুল ছুটির পর বিকালের লোকাল ট্রেনে চড়ে বাসায় ফিরতাম। ট্রেনটি বন্ধ থাকায় আমাদের মতো প্রতিদিনের যাতায়াত করানযাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে। তাই আমাদের মতো যাত্রীদের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন লোকাল ট্রেনটি নিয়মিত চালুর দাবি জানাচ্ছি।

মোহনগঞ্জ, বারহাট্টা, ঠাকুরাকোনা এলাকার বাসিন্দা, নেত্রকোনা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আরিফুর, মরিয়ম, সুমাইয়া, রাসেলসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বললে তারা সকালের সময়কে বলেন, লোকাল ট্রেনটিতে চড়ে বারহাট্টা থেকে আমরা নেত্রকোনা গিয়ে ক্লাস করে আবার চলে আসতাম। কিন্তু ট্রেনটি বন্ধ থাকায় এখন সময় ও অর্থ দুটোই বেশি লাগছে। আমরা ট্রেনটি নিয়মিত চালুন দাবি জানাই।

মোহনগঞ্জ স্টেশন মাস্টার মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি নতুন এসেছি। আমার আসার অনেক আগে থেকেই ট্রেনটি বন্ধ রয়েছে। লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিন সল্পতার কারণে ট্রেনটি চলাচল বন্ধ আছে। তবে কখন ট্রেনটি চালু হবে, তা নিদিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না।

বারহাট্টা রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোজাম্মেল হক সত্যতা নিশ্চিত করে বলেনগত বছরের আগস্টের আগে ওই লোকাল ট্রেনটি নিয়মিত চলাচল করত। আগস্টের পর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সপ্তাহে ৩-৪ দিন চলাচল করেছে। ডিসেম্বরের ৯ তারিখ থেকে ট্রেনটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। মূলত লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনে সমস্যা হওয়ায় চলাচল বন্ধ আছে। ইঞ্জিন সল্পতার কারণে ট্রেনটি চলাচল বন্ধ আছে। তবে কখন ট্রেনটি চালু হবে, তা নিদিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না।

নেত্রকোনার স্টেশনমাস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনে সমস্যা হওয়ায় চলাচল বন্ধ আছে। ইঞ্জিনটি মেরামতের জন্য চট্টগ্রাম পাঠানো হয়েছে। ইঞ্জিন মেরামত শেষ হলে আবার চালু হবে। তবে কবে নাগাদ ইঞ্জিন মেরামত শেষ হবে, তা তিনি জানেন না।