ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

শিক্ষকদের ওপর নৃশংস হামলা: পিরোজপুরে উত্তাল জনতা, স্ত্রীর কান্নায় কেঁপে উঠল মানববন্ধন

#
news image

শনিবার টাউন ক্লাব রোডে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় এক করুণ দৃশ্য। বিপুল মিত্রের স্ত্রী স্বামীর জন্য কাঁদছেন। কিন্তু এটি কোনো সাধারণ কান্না নয়; এটি একটি শিক্ষকের ওপর হওয়া পাশবিক হামলার বিরুদ্ধে নিঃশব্দ আর্তনাদ। পিরোজপুর সদর উপজেলার সিকদার মল্লিক ইউনিয়নের জুজখোলা সম্মিলিত বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপুল মৈত্র ও এক সহকারী শিক্ষকের উপর সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান চানের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ঘাতক চালায় অতর্কিত সেই নিষ্ঠুর হামলা।

এই আক্রমণে ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক বিক্ষোভে মিলিত হয়েছেন এলাকার শিক্ষকসমাজ ও সুশীল সমাজ। কিন্তু মানববন্ধনের পুরো পরিস্থিতিকে ম্লান করে দিয়েছে প্রধান শিক্ষক বিপুল মৈত্রের স্ত্রীর মর্মভেদী কান্না। স্বামীর নিরাপত্তার ভয়ে এবং এই লাঞ্ছনার বেদনায় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন, যা উপস্থিত সকলের মনকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দেয়। তার এই করুন আর্তনাদ যেন প্রশ্ন করছিল, সমাজে শিক্ষকের আসন আজ কতটা অনিরাপদ!

এ সময় উপস্থিত বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকবৃন্দের চোখেমুখেও ছিল ক্ষোভ ও হতাশার গভীর ছাপ। বক্তারা কণ্ঠে ছিল রাগ, চোখে ছিল অশ্রু। তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, "শিক্ষকেরা হলেন সমাজের বিবেক, জাতির মেরুদণ্ড। তাদের ওপর এই নির্মম হামলা শুধু একজন ব্যক্তির উপর আক্রমণ নয়, এটি শিক্ষা ব্যবস্থার উপর এক বলিষ্ঠ আঘাত। আমরা চাই, হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।"

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এলিজা জামানও তার বক্তব্যে এই হামলাকে "বর্বরোচিত" আখ্যা দিয়ে বলেন, "একটি সভ্য সমাজে এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।"

সবশেষে শিক্ষকদের একটিই আকুতি, "শিক্ষকতা যেন আর কোনো দিন এমন লাঞ্ছনা ও ভয়ের পেশা না হয়। আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ার এই কর্মীদের জন্য চাই নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ।" ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্রমশ জমে উঠছে ক্ষোভ।

পিরোজপুর প্রতিনিধি :

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  12:13 AM

news image

শনিবার টাউন ক্লাব রোডে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় এক করুণ দৃশ্য। বিপুল মিত্রের স্ত্রী স্বামীর জন্য কাঁদছেন। কিন্তু এটি কোনো সাধারণ কান্না নয়; এটি একটি শিক্ষকের ওপর হওয়া পাশবিক হামলার বিরুদ্ধে নিঃশব্দ আর্তনাদ। পিরোজপুর সদর উপজেলার সিকদার মল্লিক ইউনিয়নের জুজখোলা সম্মিলিত বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপুল মৈত্র ও এক সহকারী শিক্ষকের উপর সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান চানের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ঘাতক চালায় অতর্কিত সেই নিষ্ঠুর হামলা।

এই আক্রমণে ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক বিক্ষোভে মিলিত হয়েছেন এলাকার শিক্ষকসমাজ ও সুশীল সমাজ। কিন্তু মানববন্ধনের পুরো পরিস্থিতিকে ম্লান করে দিয়েছে প্রধান শিক্ষক বিপুল মৈত্রের স্ত্রীর মর্মভেদী কান্না। স্বামীর নিরাপত্তার ভয়ে এবং এই লাঞ্ছনার বেদনায় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন, যা উপস্থিত সকলের মনকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দেয়। তার এই করুন আর্তনাদ যেন প্রশ্ন করছিল, সমাজে শিক্ষকের আসন আজ কতটা অনিরাপদ!

এ সময় উপস্থিত বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকবৃন্দের চোখেমুখেও ছিল ক্ষোভ ও হতাশার গভীর ছাপ। বক্তারা কণ্ঠে ছিল রাগ, চোখে ছিল অশ্রু। তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, "শিক্ষকেরা হলেন সমাজের বিবেক, জাতির মেরুদণ্ড। তাদের ওপর এই নির্মম হামলা শুধু একজন ব্যক্তির উপর আক্রমণ নয়, এটি শিক্ষা ব্যবস্থার উপর এক বলিষ্ঠ আঘাত। আমরা চাই, হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।"

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এলিজা জামানও তার বক্তব্যে এই হামলাকে "বর্বরোচিত" আখ্যা দিয়ে বলেন, "একটি সভ্য সমাজে এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।"

সবশেষে শিক্ষকদের একটিই আকুতি, "শিক্ষকতা যেন আর কোনো দিন এমন লাঞ্ছনা ও ভয়ের পেশা না হয়। আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ার এই কর্মীদের জন্য চাই নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ।" ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্রমশ জমে উঠছে ক্ষোভ।