ঢাকা ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
শিরোনামঃ
চেম্বার অফ কমার্সের প্রেসিডেন্ট বাচ্চুকে শুভেচ্ছা জানালেন জিয়া মঞ্চ সিরাজগঞ্জ সদর থানার নেতৃবৃন্দ  পানছড়িতে ৩ বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ নাসিরনগরের ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র এক বছর ধরে চিকিৎসক শূন্য খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়ার আয়োজন করেন যুবদল নেতা হামিদুর রহমান গাজীপুরে আল মদিনা এস আর স্কুলের শ্রেণী সমাপনী উৎসব ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা  গাজীপুরে চাঁদার টাকা না পেয়ে শ্রমিক নেতা সুজন ও তার পরিবারের উপরে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা । কুষ্টিয়া সদর উপজেলা ৪নং বটতৈল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের পোস্টধারী নেতাদের অতর্কিত হামলা ও নাটক সাজানোর অভিযোগ  মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে নির্দেশনা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ২০টি পরিপত্র জারি করবে ইসি ধানের শীষের প্রার্থী মজিবুর রহমানের সাথে নেতাকর্মীদের মতবিনিময় সভা

মসজিদের টাকা আত্মসাত: কয়রায় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ

#
news image

খুলনার কয়রা উপজেলায় দুটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের হাজতখালী আবু বকর সিদ্দিক জামে মসজিদ ও কাটমারপাড়া উত্তরপাড়া পাঞ্জাখানার জন্য সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অভিযোগ রয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ১ লাখ ৫ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট মসজিদ কমিটিতে দেওয়া হলেও বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম করেছেন ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান। বেদকাশী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সমাজকর্মী হাফিজুল ইসলাম বলেন, “তিনি যত সরকারি প্রকল্প নিয়েছেন, সবগুলোতেই দুর্নীতি ও অনিয়ম করেছেন। আমরা তিন মাস আগে ইউএনও অফিসে অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এবার দুটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের অর্ধেকের বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। আমি পিআইও দপ্তরে খোঁজ নিয়ে এ তথ্যের সত্যতা পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “গ্রামীণ মানুষ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে খুবই সংবেদনশীল। মসজিদের প্রকল্পের টাকা লোপাট মানে শুধু দুর্নীতি নয়, এটা মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত।”

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কয়রা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মামুনার রশিদ বলেন, “বিষয়টি জানার পর আমি বাকি টাকা ফেরত দিতে বলেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, “আমি অল্প কিছুদিন হলো এখানে যোগদান করেছি। অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে নিয়মিত অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে গ্রামীণ অবকাঠামো যেমন সঠিকভাবে নির্মাণ হচ্ছে না, তেমনি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি :

২৯ আগস্ট, ২০২৫,  4:04 PM

news image

খুলনার কয়রা উপজেলায় দুটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের হাজতখালী আবু বকর সিদ্দিক জামে মসজিদ ও কাটমারপাড়া উত্তরপাড়া পাঞ্জাখানার জন্য সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অভিযোগ রয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ১ লাখ ৫ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট মসজিদ কমিটিতে দেওয়া হলেও বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম করেছেন ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান। বেদকাশী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সমাজকর্মী হাফিজুল ইসলাম বলেন, “তিনি যত সরকারি প্রকল্প নিয়েছেন, সবগুলোতেই দুর্নীতি ও অনিয়ম করেছেন। আমরা তিন মাস আগে ইউএনও অফিসে অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এবার দুটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের অর্ধেকের বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। আমি পিআইও দপ্তরে খোঁজ নিয়ে এ তথ্যের সত্যতা পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “গ্রামীণ মানুষ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে খুবই সংবেদনশীল। মসজিদের প্রকল্পের টাকা লোপাট মানে শুধু দুর্নীতি নয়, এটা মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত।”

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কয়রা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মামুনার রশিদ বলেন, “বিষয়টি জানার পর আমি বাকি টাকা ফেরত দিতে বলেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, “আমি অল্প কিছুদিন হলো এখানে যোগদান করেছি। অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে নিয়মিত অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে গ্রামীণ অবকাঠামো যেমন সঠিকভাবে নির্মাণ হচ্ছে না, তেমনি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।