ঢাকা ০৮ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
চাখার-মীরেরহাট সড়ক সংস্কারে চরম ধীরগতি: দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ বঙ্গোপসাগর রক্ষার শপথ নিলেন শতাধিক তরুণ পরিবেশকর্মী ইসরাইলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ শিল্পকলায় উদীয়মান নাট্যনির্দেশকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সিলেট অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় হবিগঞ্জ জেলার বিজয়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জেলা প্রশাসক  হবিগঞ্জ নওগাঁয় ৪০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার, শীর্ষ দুই মাদক সম্রাট গ্রেফতার প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বঞ্চিত, তালিকায় স্বজনপ্রীতির, শাল্লায় কৃষকদের প্রতিবাদ মিছিল  নীলফামারীর ডোমার বিএডিসি খামারে  মাটির উর্বরতা ফিরাতে ধইঞ্চা চাষ ফটিকছড়িতে বিষপানে যুবকের আত্নহত্যা

মসজিদের টাকা আত্মসাত: কয়রায় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ

#
news image

খুলনার কয়রা উপজেলায় দুটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের হাজতখালী আবু বকর সিদ্দিক জামে মসজিদ ও কাটমারপাড়া উত্তরপাড়া পাঞ্জাখানার জন্য সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অভিযোগ রয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ১ লাখ ৫ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট মসজিদ কমিটিতে দেওয়া হলেও বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম করেছেন ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান। বেদকাশী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সমাজকর্মী হাফিজুল ইসলাম বলেন, “তিনি যত সরকারি প্রকল্প নিয়েছেন, সবগুলোতেই দুর্নীতি ও অনিয়ম করেছেন। আমরা তিন মাস আগে ইউএনও অফিসে অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এবার দুটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের অর্ধেকের বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। আমি পিআইও দপ্তরে খোঁজ নিয়ে এ তথ্যের সত্যতা পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “গ্রামীণ মানুষ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে খুবই সংবেদনশীল। মসজিদের প্রকল্পের টাকা লোপাট মানে শুধু দুর্নীতি নয়, এটা মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত।”

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কয়রা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মামুনার রশিদ বলেন, “বিষয়টি জানার পর আমি বাকি টাকা ফেরত দিতে বলেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, “আমি অল্প কিছুদিন হলো এখানে যোগদান করেছি। অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে নিয়মিত অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে গ্রামীণ অবকাঠামো যেমন সঠিকভাবে নির্মাণ হচ্ছে না, তেমনি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি :

২৯ আগস্ট, ২০২৫,  4:04 PM

news image

খুলনার কয়রা উপজেলায় দুটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের হাজতখালী আবু বকর সিদ্দিক জামে মসজিদ ও কাটমারপাড়া উত্তরপাড়া পাঞ্জাখানার জন্য সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অভিযোগ রয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ১ লাখ ৫ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট মসজিদ কমিটিতে দেওয়া হলেও বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম করেছেন ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান। বেদকাশী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সমাজকর্মী হাফিজুল ইসলাম বলেন, “তিনি যত সরকারি প্রকল্প নিয়েছেন, সবগুলোতেই দুর্নীতি ও অনিয়ম করেছেন। আমরা তিন মাস আগে ইউএনও অফিসে অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এবার দুটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের অর্ধেকের বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। আমি পিআইও দপ্তরে খোঁজ নিয়ে এ তথ্যের সত্যতা পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “গ্রামীণ মানুষ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে খুবই সংবেদনশীল। মসজিদের প্রকল্পের টাকা লোপাট মানে শুধু দুর্নীতি নয়, এটা মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত।”

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কয়রা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মামুনার রশিদ বলেন, “বিষয়টি জানার পর আমি বাকি টাকা ফেরত দিতে বলেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, “আমি অল্প কিছুদিন হলো এখানে যোগদান করেছি। অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে নিয়মিত অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে গ্রামীণ অবকাঠামো যেমন সঠিকভাবে নির্মাণ হচ্ছে না, তেমনি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।