ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

হাটু ভর করে এগিয়ে চলছেন হরগঙ্গার শিক্ষার্থী জুলিয়া, প্রয়োজন একটি চাকরি

#
news image

পায়ে ভর করে হাঁটার স্বপ্ন জন্ম থেকেই পূরণ হয়নি জুলিয়া আক্তারের। তবে জীবনের কাছে হার মানেননি তিনি। দুই হাঁটুতে ভর করেই এগিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষা আর স্বপ্নের পথে।
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের পশ্চিম কান্দি এলাকার মহেশপুর গ্রামে তার বাড়ি। কৃষক বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া জুলিয়া তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড়। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমাতে পারেনি।
বর্তমানে সরকারি হরগঙ্গা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী তিনি। স্বপ্ন একদিন একটি ভালো চাকরি করবেন, পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন এবং নিজের অবস্থান শক্ত করবেন। তবে অর্থকষ্টের কারণে এখনই তিনি একটি ভালো চাকরি খুঁজছেন। চাকরি না পেলে তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এরই মধ্যে জীবনে যুক্ত হয়েছে আরেক ভয়াবহতা। ভাঙনের কবলে পড়েছে তার জন্মভিটা। যে ঘরে জন্ম, শৈশব সেই ঘর আজ পদ্মার গহীনে হারিয়ে যাওয়ার পথে। ফলে আশ্রয় নিতে হয়েছে নানীর বাড়িতে।
তবুও দমে যাননি জুলিয়া আক্তার। অদম্য সাহসে আঁকড়ে ধরেছেন নিজের স্বপ্ন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি এগিয়ে চলেছেন জীবনের পথে, একদিন পরিবারের ভরসার জায়গা হবেন, এই প্রত্যাশায়।

আবুল কাশেম, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি :

২৮ আগস্ট, ২০২৫,  9:09 AM

news image

পায়ে ভর করে হাঁটার স্বপ্ন জন্ম থেকেই পূরণ হয়নি জুলিয়া আক্তারের। তবে জীবনের কাছে হার মানেননি তিনি। দুই হাঁটুতে ভর করেই এগিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষা আর স্বপ্নের পথে।
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের পশ্চিম কান্দি এলাকার মহেশপুর গ্রামে তার বাড়ি। কৃষক বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া জুলিয়া তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড়। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমাতে পারেনি।
বর্তমানে সরকারি হরগঙ্গা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী তিনি। স্বপ্ন একদিন একটি ভালো চাকরি করবেন, পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন এবং নিজের অবস্থান শক্ত করবেন। তবে অর্থকষ্টের কারণে এখনই তিনি একটি ভালো চাকরি খুঁজছেন। চাকরি না পেলে তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এরই মধ্যে জীবনে যুক্ত হয়েছে আরেক ভয়াবহতা। ভাঙনের কবলে পড়েছে তার জন্মভিটা। যে ঘরে জন্ম, শৈশব সেই ঘর আজ পদ্মার গহীনে হারিয়ে যাওয়ার পথে। ফলে আশ্রয় নিতে হয়েছে নানীর বাড়িতে।
তবুও দমে যাননি জুলিয়া আক্তার। অদম্য সাহসে আঁকড়ে ধরেছেন নিজের স্বপ্ন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি এগিয়ে চলেছেন জীবনের পথে, একদিন পরিবারের ভরসার জায়গা হবেন, এই প্রত্যাশায়।