ব্যাংক কাকে ঋণ দিচ্ছে, নাম-চিঠি ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশ

#
news image

কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কাউকে ঋণ দিলে ওই ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের নাম, ঋণ মঞ্জুরের চিঠি সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণের বিপরীতে চেক ডিজঅনার মামলা না করার বিষয়ে প্রকাশিত রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিতে এমন নির্দেশনার কথা বলা হয়েছে। গত বুধবার রায়ের অনুলিপি হাতে পেয়েছেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলীর আইনজীবী। বৃহস্পতিবার রায়ের কপি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ হতে পারে বলে জানা গেছে। আদালত বলছেন, ব্যাংকের টাকা যেহেতু জনগণের টাকা, সেহেতু জনগণের টাকা কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হচ্ছে তা তাদের জানার অধিকার আছে।

‘কোনো ব্যাংক চেক ডিজঅনার মামলা করতে পারবে না’ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ রায়ে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের একক বেঞ্চ এ নির্দেশনা দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংককে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। রায়ে আরও বলা হয়েছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রতিটি ঋণের বিপরীতে ইন্স্যুরেন্স বাধ্যতামূলক করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি অবিলম্বে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশনা জারি করবে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কী পদ্ধতিতে খেলাপি ঋণ আদায় করবে সে বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দিতে হবে স্যাংশন লেটারে। এ ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সব ঋণ প্রদানে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও আধুনিকীকরণের পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ প্রদান করবে ও নিয়মিত বিরতিতে তা দেখাশোনা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১৩ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে নতুন এসব নির্দেশনা এসেছে।

গত ২৩ নভেম্বর কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলা করতে পারবে না বলে রায় দেন হাইকোর্ট। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য শুধু ২০০৩ সালের অর্থঋণ আইনে বর্ণিত উপায়ে অর্থঋণ আদালতে মামলা করতে পারবে। পাশাপাশি বর্তমানে আদালতে চলমান ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা সব চেক ডিজঅনার মামলার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। ঋণ আদায়ের জন্য এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্র্যাক ব্যাংকের চেক ডিজঅনার মামলা বাতিল করে বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। তবে বৃহস্পতিবার সেই রায়টি আপিল বিভাগে স্থগিত হয়ে যায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০১ ডিসেম্বর, ২০২২,  11:25 PM

news image

কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কাউকে ঋণ দিলে ওই ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের নাম, ঋণ মঞ্জুরের চিঠি সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণের বিপরীতে চেক ডিজঅনার মামলা না করার বিষয়ে প্রকাশিত রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিতে এমন নির্দেশনার কথা বলা হয়েছে। গত বুধবার রায়ের অনুলিপি হাতে পেয়েছেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলীর আইনজীবী। বৃহস্পতিবার রায়ের কপি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ হতে পারে বলে জানা গেছে। আদালত বলছেন, ব্যাংকের টাকা যেহেতু জনগণের টাকা, সেহেতু জনগণের টাকা কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হচ্ছে তা তাদের জানার অধিকার আছে।

‘কোনো ব্যাংক চেক ডিজঅনার মামলা করতে পারবে না’ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ রায়ে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের একক বেঞ্চ এ নির্দেশনা দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংককে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। রায়ে আরও বলা হয়েছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রতিটি ঋণের বিপরীতে ইন্স্যুরেন্স বাধ্যতামূলক করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি অবিলম্বে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশনা জারি করবে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কী পদ্ধতিতে খেলাপি ঋণ আদায় করবে সে বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দিতে হবে স্যাংশন লেটারে। এ ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সব ঋণ প্রদানে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও আধুনিকীকরণের পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ প্রদান করবে ও নিয়মিত বিরতিতে তা দেখাশোনা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১৩ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে নতুন এসব নির্দেশনা এসেছে।

গত ২৩ নভেম্বর কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলা করতে পারবে না বলে রায় দেন হাইকোর্ট। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য শুধু ২০০৩ সালের অর্থঋণ আইনে বর্ণিত উপায়ে অর্থঋণ আদালতে মামলা করতে পারবে। পাশাপাশি বর্তমানে আদালতে চলমান ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা সব চেক ডিজঅনার মামলার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। ঋণ আদায়ের জন্য এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্র্যাক ব্যাংকের চেক ডিজঅনার মামলা বাতিল করে বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। তবে বৃহস্পতিবার সেই রায়টি আপিল বিভাগে স্থগিত হয়ে যায়।