ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

টেকনাফ সীমান্তে আতঙ্ক, অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর অবস্থান বিজিবির"

#
news image

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের নাফ নদীর ওপার মিয়ানমারে ফের গোলার শব্দ শোনা গেছে। শুক্রবার রাত ১১ থেকে শুরু হওয়া গোলার শব্দ শনিবার ভোর পর্যন্ত উপজেলার হোয়াইক্যং সীমান্তে মিয়ানমারে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ পায় সীমান্তের লোকজন।

এদিকে এখনও মিয়ানমার থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা। সর্বশেষ গতকাল শুক্রবার ৬২ জন রোহিঙ্গাকে প্রতিহত করেছে । এখনো সীমান্তের ওপারে হাজরো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবি তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান।

বিজিবির অধিনায়ক বলেন, 'কিছু লোক সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা কাউকে ঢুকতে দিচ্ছি না। যেসব পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করছে, সেখানে আমরা টহল বৃদ্ধি করেছি। পাশাপাশি গেল রাতে সীমান্তের ওপার থেকে গোলার শব্দের বিষয়টি জেনেছি। কিন্তু সেটি আমার ইউনিটের বাইরে।' 

স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া গোলাগুলি শনিবার ভোর পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যে দখলে থাকা মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সাথে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গ্রুপের মধ্য গোলাগুলি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে । এতে সীমান্তের বসবাসকারীরা ভয়ভীতির মধ্য ছিল। 

জানতে চাইলে  টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজুল মোস্তফা চৌধুরী লালু বলেন, গত রাত থেকে আজ ভোর পর্যন্ত থেমে থেমে সীমান্তের ওপারে কুমিরখালী, শীলখালী ও সাইডং এলাকা থেকে ব্যাপক গোলাবারুদের শব্দ পাওয়া গেছে। ফলে সীমান্তের কাছাকাছি চিংড়ির প্রজেক্টে থাকা লোকজন ভয়ে পালিয়ে এসেছে।' 
তিনি বলেন, 'দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর ফের গোলার শব্দ পাওয়া গেছে। ফলে আবার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা রয়েছে।"

হোয়াইক্যংয়ে বেড়িবাধের কাছাকাছি চিংড়ি প্রজেক্টে বসবাসকারী আব্দুর রহমান বলেন, গত রাত থেকে মিয়ানমারের ওপার থেকে গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। শনিবার ভোরেও সকালে কয়েকবার গোলার বিকট আওয়াজ পেয়ে পার্শ্ববর্তী বাজারের কাছাকাছি দৌড়ে আসি। এই সীমান্তের ওপারে ফের যুদ্ধের মতো গোলার শব্দ ভেসে আসছে।' 

উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নেতা মো. হোসাইন বলেন, 'রাখাইনে এখনো অমানবিক নির্যাতন বন্ধ হয়নি। ফলে রোহিঙ্গাদের পালিয়ে আসা বন্ধ হচ্ছে না। মূলত প্রাণে বাঁচতে তারা এপারে পালিয়ে আসার চেষ্টা করছে। সীমান্তে বেশকিছু রোহিঙ্গা জড়ো হচ্ছে বলে আমারও জেনেছি স্বজনদের কাছ থেকে। 

সীমান্তে গোলাগুলির বিষয়টি স্থানীয় মাধ্যমে জেনেছি উল্লেখ করে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, 'সীমান্তে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সর্তক অবস্থানে রয়েছে।

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :

২৪ আগস্ট, ২০২৫,  2:47 AM

news image

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের নাফ নদীর ওপার মিয়ানমারে ফের গোলার শব্দ শোনা গেছে। শুক্রবার রাত ১১ থেকে শুরু হওয়া গোলার শব্দ শনিবার ভোর পর্যন্ত উপজেলার হোয়াইক্যং সীমান্তে মিয়ানমারে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ পায় সীমান্তের লোকজন।

এদিকে এখনও মিয়ানমার থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা। সর্বশেষ গতকাল শুক্রবার ৬২ জন রোহিঙ্গাকে প্রতিহত করেছে । এখনো সীমান্তের ওপারে হাজরো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবি তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান।

বিজিবির অধিনায়ক বলেন, 'কিছু লোক সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা কাউকে ঢুকতে দিচ্ছি না। যেসব পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করছে, সেখানে আমরা টহল বৃদ্ধি করেছি। পাশাপাশি গেল রাতে সীমান্তের ওপার থেকে গোলার শব্দের বিষয়টি জেনেছি। কিন্তু সেটি আমার ইউনিটের বাইরে।' 

স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া গোলাগুলি শনিবার ভোর পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যে দখলে থাকা মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সাথে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গ্রুপের মধ্য গোলাগুলি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে । এতে সীমান্তের বসবাসকারীরা ভয়ভীতির মধ্য ছিল। 

জানতে চাইলে  টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজুল মোস্তফা চৌধুরী লালু বলেন, গত রাত থেকে আজ ভোর পর্যন্ত থেমে থেমে সীমান্তের ওপারে কুমিরখালী, শীলখালী ও সাইডং এলাকা থেকে ব্যাপক গোলাবারুদের শব্দ পাওয়া গেছে। ফলে সীমান্তের কাছাকাছি চিংড়ির প্রজেক্টে থাকা লোকজন ভয়ে পালিয়ে এসেছে।' 
তিনি বলেন, 'দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর ফের গোলার শব্দ পাওয়া গেছে। ফলে আবার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা রয়েছে।"

হোয়াইক্যংয়ে বেড়িবাধের কাছাকাছি চিংড়ি প্রজেক্টে বসবাসকারী আব্দুর রহমান বলেন, গত রাত থেকে মিয়ানমারের ওপার থেকে গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। শনিবার ভোরেও সকালে কয়েকবার গোলার বিকট আওয়াজ পেয়ে পার্শ্ববর্তী বাজারের কাছাকাছি দৌড়ে আসি। এই সীমান্তের ওপারে ফের যুদ্ধের মতো গোলার শব্দ ভেসে আসছে।' 

উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নেতা মো. হোসাইন বলেন, 'রাখাইনে এখনো অমানবিক নির্যাতন বন্ধ হয়নি। ফলে রোহিঙ্গাদের পালিয়ে আসা বন্ধ হচ্ছে না। মূলত প্রাণে বাঁচতে তারা এপারে পালিয়ে আসার চেষ্টা করছে। সীমান্তে বেশকিছু রোহিঙ্গা জড়ো হচ্ছে বলে আমারও জেনেছি স্বজনদের কাছ থেকে। 

সীমান্তে গোলাগুলির বিষয়টি স্থানীয় মাধ্যমে জেনেছি উল্লেখ করে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, 'সীমান্তে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সর্তক অবস্থানে রয়েছে।