ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

নিখোঁজ মেয়ের খোঁজে পথে পথে বাবা

#
news image

খুলনার কয়রার শাহবাজ আলী সেখ (৬৪) প্রায় ২০ দিন ধরে খুঁজে ফিরছেন তার মেয়ে আসমা বেগমকে (৩৭)। দুই কন্যাসহ তিনি খুলনার ফুলতলা উপজেলার শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছেন।

শাহবাজ আলীর অভিযোগ, তার মেয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী মিলন খন্দকারের (৪০) নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিলেন। মদ, গাঁজাসহ নেশাজাতীয় দ্রব্যে আসক্ত মিলন প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন। যৌতুকের দাবিতেও চাপ দিতেন। মোবাইল গেম ও জুয়ায় আসক্তির কারণে সংসারে নিত্য অশান্তি তৈরি হতো।

প্রায় ২০ বছর আগে আসমার বিয়ে হয় ফুলতলার দামোদর গ্রামের মৃত মুজিবর খন্দকারের ছেলে মিলন খন্দকারের সঙ্গে। বিয়ের পর তাদের সংসারে দুই কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সংসারের শুরু থেকেই স্বামীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও নির্যাতন চলতে থাকলেও শাহবাজ আলী বারবার মেয়েকে বুঝিয়ে স্বামীর সংসারে পাঠান।

গত ২ আগস্ট রাত ৮টার দিকে মিলন শ্বশুরকে ফোন করে জানান, আসমা দুই সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছেন। এরপর থেকে তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে মেয়ের খোঁজ চাইতে গেলে জামাতা উল্টো শ্বশুরকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন শাহবাজ।

মেয়েকে ফিরে পেতে ইতিমধ্যে কয়রা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘোষণা দিয়েছেন, কেউ যদি তার মেয়ে ও নাতনিদের খুঁজে দিতে পারেন, তবে তিনি ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন। সম্প্রতি কয়রা সাংবাদিক ফোরামে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি শ্বশুরবাড়ি থেকে মেয়ে নিখোঁজের বিষয়টি তুলে ধরে প্রশাসনের সহযোগিতা চান।

শাহবাজ আলীর পরিবার জানায়, মেয়ের শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী। খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিন দিন তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন। আর শাহবাজ আলী প্রতিদিন দফায় দফায় বিভিন্ন মানুষের দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন কেবল মেয়ের খোঁজে।

কয়রা থানার ওসি মো. ইমদাদুল হক বলেন, নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি :

২২ আগস্ট, ২০২৫,  11:20 PM

news image

খুলনার কয়রার শাহবাজ আলী সেখ (৬৪) প্রায় ২০ দিন ধরে খুঁজে ফিরছেন তার মেয়ে আসমা বেগমকে (৩৭)। দুই কন্যাসহ তিনি খুলনার ফুলতলা উপজেলার শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছেন।

শাহবাজ আলীর অভিযোগ, তার মেয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী মিলন খন্দকারের (৪০) নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিলেন। মদ, গাঁজাসহ নেশাজাতীয় দ্রব্যে আসক্ত মিলন প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন। যৌতুকের দাবিতেও চাপ দিতেন। মোবাইল গেম ও জুয়ায় আসক্তির কারণে সংসারে নিত্য অশান্তি তৈরি হতো।

প্রায় ২০ বছর আগে আসমার বিয়ে হয় ফুলতলার দামোদর গ্রামের মৃত মুজিবর খন্দকারের ছেলে মিলন খন্দকারের সঙ্গে। বিয়ের পর তাদের সংসারে দুই কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সংসারের শুরু থেকেই স্বামীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও নির্যাতন চলতে থাকলেও শাহবাজ আলী বারবার মেয়েকে বুঝিয়ে স্বামীর সংসারে পাঠান।

গত ২ আগস্ট রাত ৮টার দিকে মিলন শ্বশুরকে ফোন করে জানান, আসমা দুই সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছেন। এরপর থেকে তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে মেয়ের খোঁজ চাইতে গেলে জামাতা উল্টো শ্বশুরকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন শাহবাজ।

মেয়েকে ফিরে পেতে ইতিমধ্যে কয়রা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘোষণা দিয়েছেন, কেউ যদি তার মেয়ে ও নাতনিদের খুঁজে দিতে পারেন, তবে তিনি ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন। সম্প্রতি কয়রা সাংবাদিক ফোরামে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি শ্বশুরবাড়ি থেকে মেয়ে নিখোঁজের বিষয়টি তুলে ধরে প্রশাসনের সহযোগিতা চান।

শাহবাজ আলীর পরিবার জানায়, মেয়ের শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী। খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিন দিন তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন। আর শাহবাজ আলী প্রতিদিন দফায় দফায় বিভিন্ন মানুষের দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন কেবল মেয়ের খোঁজে।

কয়রা থানার ওসি মো. ইমদাদুল হক বলেন, নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।