ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বাগেরহাটে দু’দিন ব্যাপি তথ্যমেলার উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

#
news image

বাগেরহাটে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), এর আয়োজনে এবং জেলাপ্রশাসন বাগেরহাট’র সহযোগিতায় স্থানীয় স্বাধীনতা উদ্যানে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দুইদিন ব্যাপি (০৩ ও ০৪ ডিসেস্বর ২০২৪ ) তথ্যমেলার উদ্বোধন করেন
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান। তথ্যমেলা উদ্বোধনের পরেই ‘তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ বাস্তবায়নের দায়িত্ব সকলের’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সনাক সভাপতি অ্যাডভোকেট রাম কৃষ্ণ বসুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আহমেদ
কামরুল হাসান। সনাক সহ-সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান এর সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সনাক’র তথ্যমেলা আয়োজক উপ-কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মো: শাহ্ধসঢ়; আলম টুকু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: আসাদুজ্জামান, বাগেরহাট সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার প্রদীপ কুমার বকসী, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কামরুজ্জামান। মুখ্য আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক মুঈনুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট জেলা আইনজিবী সমিতির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট শেখ মোশাররফ হোসেন মন্টু, টিআইবি’র ক্লাস্টার কোঅর্ডিনেটর মো: ফিরোজ উদ্দীন।

বক্তাগণ বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমাদের দেশে যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অন্যতম। সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এই আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরী। বর্তমান সময়ে তথ্য এমন এক শক্তি, যার কাছে যত তথ্য আছে সে তত শক্তিশালী। ২০০৯ সালে এই আইন পাশ হলেও নানাবিধ কারণে এই আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। তথ্যদাতা ও তথ্য গ্রহীতাদের মধ্যে সেতুবন্ধন এবং ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করলে পারলে এই আইনের বাস্তবায়নসহ সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ সম্ভব। তাই সংশ্লিস্ট সকলের দায়িত্ব এই আইন বাস্তবায়নে এগিয়ে আসা।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মাধ্যমে অনেক তথ্য পাওয়া যায়। কিন্তু কোনটি সঠিক তা যাচাই করে আমাদের গ্রহণ করতে হবে। তথ্য অধিকার আইনের আওতায় যেসকল তথ্য দেয়া যাবে তা অবশ্যই আমাদের দিতে হবে এবং অবশ্যই সঠিক দিতে হবে। তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নে সংশ্লিস্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে আরো বেশী করে কাজ করতে হবে। তিনি তার বক্তবে উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্যযে, তথ্য মেলায় সরকারি বেসরকারি মোট ২৬টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়া দুই দিনব্যাপি এই মেলায় কুইজ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিভিন্ন দপ্তরের উপস্থাপনাসহ বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন রয়েছে।

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৪,  12:24 AM

news image

বাগেরহাটে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), এর আয়োজনে এবং জেলাপ্রশাসন বাগেরহাট’র সহযোগিতায় স্থানীয় স্বাধীনতা উদ্যানে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দুইদিন ব্যাপি (০৩ ও ০৪ ডিসেস্বর ২০২৪ ) তথ্যমেলার উদ্বোধন করেন
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান। তথ্যমেলা উদ্বোধনের পরেই ‘তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ বাস্তবায়নের দায়িত্ব সকলের’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সনাক সভাপতি অ্যাডভোকেট রাম কৃষ্ণ বসুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আহমেদ
কামরুল হাসান। সনাক সহ-সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান এর সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সনাক’র তথ্যমেলা আয়োজক উপ-কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মো: শাহ্ধসঢ়; আলম টুকু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: আসাদুজ্জামান, বাগেরহাট সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার প্রদীপ কুমার বকসী, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কামরুজ্জামান। মুখ্য আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক মুঈনুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট জেলা আইনজিবী সমিতির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট শেখ মোশাররফ হোসেন মন্টু, টিআইবি’র ক্লাস্টার কোঅর্ডিনেটর মো: ফিরোজ উদ্দীন।

বক্তাগণ বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমাদের দেশে যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অন্যতম। সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এই আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরী। বর্তমান সময়ে তথ্য এমন এক শক্তি, যার কাছে যত তথ্য আছে সে তত শক্তিশালী। ২০০৯ সালে এই আইন পাশ হলেও নানাবিধ কারণে এই আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। তথ্যদাতা ও তথ্য গ্রহীতাদের মধ্যে সেতুবন্ধন এবং ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করলে পারলে এই আইনের বাস্তবায়নসহ সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ সম্ভব। তাই সংশ্লিস্ট সকলের দায়িত্ব এই আইন বাস্তবায়নে এগিয়ে আসা।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মাধ্যমে অনেক তথ্য পাওয়া যায়। কিন্তু কোনটি সঠিক তা যাচাই করে আমাদের গ্রহণ করতে হবে। তথ্য অধিকার আইনের আওতায় যেসকল তথ্য দেয়া যাবে তা অবশ্যই আমাদের দিতে হবে এবং অবশ্যই সঠিক দিতে হবে। তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নে সংশ্লিস্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে আরো বেশী করে কাজ করতে হবে। তিনি তার বক্তবে উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্যযে, তথ্য মেলায় সরকারি বেসরকারি মোট ২৬টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়া দুই দিনব্যাপি এই মেলায় কুইজ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিভিন্ন দপ্তরের উপস্থাপনাসহ বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন রয়েছে।