ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

মিঠাপুকুরে শিক্ষার্থীকে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

#
news image

রংপুরের মিঠাপুকুরে এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে,সাজানো মামলা দায়ের করার অভিযোগ উঠেছে। মামলায় গ্রেফতারের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ওই শিক্ষার্থী। কলেজ ভর্তি সহ তার ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। শিক্ষার্থীর পরিবারের অভিযোগ, উপজেলার কাফ্রিখাল ইউনিয়নের মকরমপুর গ্রামের এহিয়া মন্ডলের কন্যা কোমরগন্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। একই স্কুলে এবং ক্লাসে পড়ার সময় পাশ্ববর্তী যাদবপুর গ্রামের মোলাম মিয়ার পুত্র মোস্তাকিম মিয়া (২০) এর সঙ্গে প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দেখা সাক্ষাৎ সহ তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পারলে দুই পরিবারের মাঝে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এরই জেরে, গত (২৪ জুন) ওই ছাত্রীর পরিবারের লোকজন কোমরগন্জ বাজার থেকে মোস্তাকিনকে জোরপূর্বক অপহরণ করে সামসুজ্জোহা বাবুর বাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর মোস্তাকিনকে বেধড়ক মারপিট করে তাহার মোবাইল ফোন কেঁড়ে নেওয়া হয়। এবং তার পরিবারের কাছে বিভিন্ন মাধ্যমে মামলার ভয় দেখিয়ে (পঞ্চাশ হাজার) টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু মোস্তাকিনের পিতা মোলাম মিয়া, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ছেলে অপরাধী হলে তাকে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। শেষে টাকা না পেয়ে ছেড়ে দেওয়ার একমাস পর তারা মোস্তাকিনকে মামলায় জড়ান।
ঘটনার একমাস পর গত (২৫ জুলাই) ওই ছাত্রীর বাবা এহিয়া মন্ডল, বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২ সালের ৮(২)/৮(৩) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে তিনি উল্লেখ্য করেন, মোস্তাকিন এবং তার মেয়ে স্কুল থেকে পিকনিকে গেলে মোস্তাকিন, সুকৌশলে তার মেয়ের কয়েকটি ছবি তুলেন। সেই ছবির সূত্রধঁরে,মোস্তাকিন ওই শিক্ষার্থীকে বিরক্ত করতেন। এবং একপর্যায়ে ব্ল্যাকমেইল করে মোস্তাকিন মোবাইলে ওই শিক্ষার্থীর বেশ কিছু নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন । পরে সেসব ছবি এডিট করে ফেক আইডি " জান্নাতুল মাওয়া' থেকে মোস্তাকিন গত (১৬ জুলাই) রাতে সম্পর্কে ওই ছাত্রীর চাচা মামুনুর রশিদ মন্ডলের, ফেসবুক ম্যাসেন্জারে পাঠান। মোস্তাকিনের বাবা মোলাম মিয়া বলেন, আমার ছেলের ফোন কেঁড়ে নিয়ে টাকা না পেয়ে আমার ছেলের বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছে। যে ফেসবুক আইডির কথা বলা হয়েছে, সেরকম কোনো ফেসবুক আইডি আমার ছেলে চালায় না। যখন ভিডিওটা ছাড়া হয় তখন আমার ছেলের মোবাইল মেয়ের পরিবারের হেফাজতে ছিল। তিনি দাবি করেন, মানিক মিয়া নামে এক সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা, তার কাছে মিমাংসার নামে টাকা চেয়েছিলেন। তার দাবিকৃত টাকা না পেয়ে তিনি এই ঘটনার নাটক সাজিয়ে মামলা দায়ের করেছেন। রাঙা মিয়া বলেন, ঝন্টু মিয়ার জিম্মায় মোবাইলটি ছিল। সে সময় মোবাইলে কিছুই ছিলোনা। পরে শুনছি মোবাইলে নাকি নগ্ন ভিডিও ছিলো! এঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন তিনি।
ওই ছাত্রীর পরিবারের লোকজন, মোস্তাকিনের সঙ্গে ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। তাদের দাবি, ওই ছাত্রীকে ব্লাকমেইল করা হয়েছে । পাশাপাশি ওই ছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ছেড়ে তাদের মারাত্মকভাবে সম্মানহানি করানো হয়েছে। এতে তারা সামাজিক হেও- প্রতিপন্ন হচ্ছেন। 
এবিষয়ে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-অপারেশন) হাফিজুর রহমান বলেন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে, ওই ছাত্রীর বাবা মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি তদন্ত চলছে। তথ্য উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষ প্রতিবেদন দেওয়া হবে।###
শাকিল আহমেদ

মিঠাপুকুর ( রংপুর) প্রতিনিধি :

০৪ আগস্ট, ২০২৫,  8:08 PM

news image

রংপুরের মিঠাপুকুরে এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে,সাজানো মামলা দায়ের করার অভিযোগ উঠেছে। মামলায় গ্রেফতারের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ওই শিক্ষার্থী। কলেজ ভর্তি সহ তার ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। শিক্ষার্থীর পরিবারের অভিযোগ, উপজেলার কাফ্রিখাল ইউনিয়নের মকরমপুর গ্রামের এহিয়া মন্ডলের কন্যা কোমরগন্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। একই স্কুলে এবং ক্লাসে পড়ার সময় পাশ্ববর্তী যাদবপুর গ্রামের মোলাম মিয়ার পুত্র মোস্তাকিম মিয়া (২০) এর সঙ্গে প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দেখা সাক্ষাৎ সহ তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পারলে দুই পরিবারের মাঝে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এরই জেরে, গত (২৪ জুন) ওই ছাত্রীর পরিবারের লোকজন কোমরগন্জ বাজার থেকে মোস্তাকিনকে জোরপূর্বক অপহরণ করে সামসুজ্জোহা বাবুর বাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর মোস্তাকিনকে বেধড়ক মারপিট করে তাহার মোবাইল ফোন কেঁড়ে নেওয়া হয়। এবং তার পরিবারের কাছে বিভিন্ন মাধ্যমে মামলার ভয় দেখিয়ে (পঞ্চাশ হাজার) টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু মোস্তাকিনের পিতা মোলাম মিয়া, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ছেলে অপরাধী হলে তাকে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। শেষে টাকা না পেয়ে ছেড়ে দেওয়ার একমাস পর তারা মোস্তাকিনকে মামলায় জড়ান।
ঘটনার একমাস পর গত (২৫ জুলাই) ওই ছাত্রীর বাবা এহিয়া মন্ডল, বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২ সালের ৮(২)/৮(৩) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে তিনি উল্লেখ্য করেন, মোস্তাকিন এবং তার মেয়ে স্কুল থেকে পিকনিকে গেলে মোস্তাকিন, সুকৌশলে তার মেয়ের কয়েকটি ছবি তুলেন। সেই ছবির সূত্রধঁরে,মোস্তাকিন ওই শিক্ষার্থীকে বিরক্ত করতেন। এবং একপর্যায়ে ব্ল্যাকমেইল করে মোস্তাকিন মোবাইলে ওই শিক্ষার্থীর বেশ কিছু নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন । পরে সেসব ছবি এডিট করে ফেক আইডি " জান্নাতুল মাওয়া' থেকে মোস্তাকিন গত (১৬ জুলাই) রাতে সম্পর্কে ওই ছাত্রীর চাচা মামুনুর রশিদ মন্ডলের, ফেসবুক ম্যাসেন্জারে পাঠান। মোস্তাকিনের বাবা মোলাম মিয়া বলেন, আমার ছেলের ফোন কেঁড়ে নিয়ে টাকা না পেয়ে আমার ছেলের বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছে। যে ফেসবুক আইডির কথা বলা হয়েছে, সেরকম কোনো ফেসবুক আইডি আমার ছেলে চালায় না। যখন ভিডিওটা ছাড়া হয় তখন আমার ছেলের মোবাইল মেয়ের পরিবারের হেফাজতে ছিল। তিনি দাবি করেন, মানিক মিয়া নামে এক সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা, তার কাছে মিমাংসার নামে টাকা চেয়েছিলেন। তার দাবিকৃত টাকা না পেয়ে তিনি এই ঘটনার নাটক সাজিয়ে মামলা দায়ের করেছেন। রাঙা মিয়া বলেন, ঝন্টু মিয়ার জিম্মায় মোবাইলটি ছিল। সে সময় মোবাইলে কিছুই ছিলোনা। পরে শুনছি মোবাইলে নাকি নগ্ন ভিডিও ছিলো! এঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন তিনি।
ওই ছাত্রীর পরিবারের লোকজন, মোস্তাকিনের সঙ্গে ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। তাদের দাবি, ওই ছাত্রীকে ব্লাকমেইল করা হয়েছে । পাশাপাশি ওই ছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ছেড়ে তাদের মারাত্মকভাবে সম্মানহানি করানো হয়েছে। এতে তারা সামাজিক হেও- প্রতিপন্ন হচ্ছেন। 
এবিষয়ে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-অপারেশন) হাফিজুর রহমান বলেন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে, ওই ছাত্রীর বাবা মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি তদন্ত চলছে। তথ্য উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষ প্রতিবেদন দেওয়া হবে।###
শাকিল আহমেদ