ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

বিমসটেকের ২৮তম বার্ষিকী উদযাপন

#
news image

বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (বিমসটেক) সচিবালয় সোমবার সন্ধ্যায় সংস্থার ২৮তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক সংবর্ধনার আয়োজন করে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। 

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বক্তৃতাকালে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর জোর দেন।

তিনি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্ত করে, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা পূরণের প্রচেষ্টা এবং অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে একটি অনন্য প্ল্যাটফর্মে বিমসটেকের বিবর্তনের প্রশংসা করেন।

বিমসটেকের মহাসচিব (এসজি) ইন্দ্রমণি পান্ডে তার স্বাগত বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বিমসটেক প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

বিমসটেকের ২৮ বছরের যাত্রার কথা তুলে ধরে তিনি ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য ফলাফল তুলে ধরেন।

তিনি জানান, ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে বিমসটেক নেতারা তাদের বিস্তৃত শীর্ষ সম্মেলন ঘোষণার পাশাপাশি বিমসটেক ব্যাংকক ভিশন ২০৩০ গ্রহণ করেছেন, যা একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক ও উন্মুক্ত বিমসটেক গড়ে তোলার জন্য একটি রোডম্যাপ প্রদান করেছে।

মহাসচিব জানান, সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর এবং গ্রহণের পাশাপাশি, বিমসটেক এবং এর উন্নয়ন অংশীদার, ভারত মহাসাগর রিম অ্যাসোসিয়েশন এবং জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

উদযাপনের অংশ হিসেবে, বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলি তাদের নৃত্য পরিবেশনা, শিল্পকর্ম এবং অন্যান্য অনন্য ও প্রতীকী জিনিসপত্র প্রদর্শন এবং তাদের মার্চ পাস্টের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ‘বৈচিত্র্যের অভিন্নতা’ এবং প্রতিনিধিরা তাদের জাতীয় পতাকা বহন করে সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যেকার ঐক্য ও সংহতি প্রদর্শন করেছে।

সচিব, রাষ্ট্রদূত এবং হাইকমিশনার, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, কূটনৈতিক কোরের সদস্য, বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা, গণমাধ্যম কর্মী, থিঙ্ক ট্যাঙ্কের প্রতিনিধি, বিমসটেক সচিবালয়ের সদস্যরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড এই সাতটি দেশ নিয়ে বঙ্গোপসাগরীয় আঞ্চলিক সংস্থা বিমসটেক গঠিত হয়েছে। 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১৮ জুন, ২০২৫,  2:54 AM

news image

বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (বিমসটেক) সচিবালয় সোমবার সন্ধ্যায় সংস্থার ২৮তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক সংবর্ধনার আয়োজন করে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। 

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বক্তৃতাকালে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর জোর দেন।

তিনি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্ত করে, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা পূরণের প্রচেষ্টা এবং অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে একটি অনন্য প্ল্যাটফর্মে বিমসটেকের বিবর্তনের প্রশংসা করেন।

বিমসটেকের মহাসচিব (এসজি) ইন্দ্রমণি পান্ডে তার স্বাগত বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বিমসটেক প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

বিমসটেকের ২৮ বছরের যাত্রার কথা তুলে ধরে তিনি ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য ফলাফল তুলে ধরেন।

তিনি জানান, ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে বিমসটেক নেতারা তাদের বিস্তৃত শীর্ষ সম্মেলন ঘোষণার পাশাপাশি বিমসটেক ব্যাংকক ভিশন ২০৩০ গ্রহণ করেছেন, যা একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক ও উন্মুক্ত বিমসটেক গড়ে তোলার জন্য একটি রোডম্যাপ প্রদান করেছে।

মহাসচিব জানান, সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর এবং গ্রহণের পাশাপাশি, বিমসটেক এবং এর উন্নয়ন অংশীদার, ভারত মহাসাগর রিম অ্যাসোসিয়েশন এবং জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

উদযাপনের অংশ হিসেবে, বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলি তাদের নৃত্য পরিবেশনা, শিল্পকর্ম এবং অন্যান্য অনন্য ও প্রতীকী জিনিসপত্র প্রদর্শন এবং তাদের মার্চ পাস্টের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ‘বৈচিত্র্যের অভিন্নতা’ এবং প্রতিনিধিরা তাদের জাতীয় পতাকা বহন করে সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যেকার ঐক্য ও সংহতি প্রদর্শন করেছে।

সচিব, রাষ্ট্রদূত এবং হাইকমিশনার, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, কূটনৈতিক কোরের সদস্য, বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা, গণমাধ্যম কর্মী, থিঙ্ক ট্যাঙ্কের প্রতিনিধি, বিমসটেক সচিবালয়ের সদস্যরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড এই সাতটি দেশ নিয়ে বঙ্গোপসাগরীয় আঞ্চলিক সংস্থা বিমসটেক গঠিত হয়েছে।