ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নেত্রকোনার কংশ নদে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, আটক ১৪

#
news image

নেত্রকোনার কংশ নদে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, আটক ১৪

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি;

 

নেত্রকোনার বারহাট্টা কংশ নদের বারহাট্টা অংশে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ১৪ জনকে আটকসহ দুটি বাল্কহেড ও কয়েকটি ডেজার জব্দ করেছে পুলিশ।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় করা মামলায় তাদের জেল হাজতে পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ফকিরের বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কংস নদে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় তাদের আটক করা হয়।

আটকৃতরা হলেন- বারহাট্টা উপজেলার পূর্ববাইশধার ছালিপুরা আব্দুল আওয়াল (২৩), সুমন মিয়া (২২), মো. রসুল আমিন (২৩), মো. লাক মিয়া (২৬), কামরুল হাসান (২১), মো. হাবুল (৪২), মো. জলিল মিয়া (২৪), মো. শামীম (৩৫), মো. সোহরাব (৩০), মো. খাইরুল ইসলাম (২৮), আব্দুল কাদির (৩৮), মো. তরিকুল ইসলাম (২১) এবং বারহাট্টা সদর ইউনিয়নের বিক্রমশ্রী গ্রামের আব্দুল রাজ্জাক (৪৫) ও আটপাড়া উপজেলার অভয়পাশা গ্রামের রুবেল মিয়া (৩২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি রাতেই কংস নদে কিছু প্রভাবশালী লোকজন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে। গত রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এলাকাবাসী দুটি বাল্কহেড ও এতে থাকা ১৪ জনকে আটক করে। পরে খবর পেয়ে ফকিরের বাজার পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ আটককৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেয় । পরে এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে রায়পুর ইউনিয়নের চল্লিশ কাহানিয়া গ্রামের শেখ মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে সন্ধ্যায় জেল হাজতে সোপর্দ করা হয়।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, প্রতি রাতেই প্রভাবশালীরা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে ফকিরের বাজার এলাকায় কংশ নদে ডেজার দিয়ে কয়েকটি নৌকায় করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে।  এরমধ্যে এলাকাবাসীর সাথে নদী থেকে বালু তোলা নিয়ে অনেকবার তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া হয়েছে। কিন্তু এতেও কোন কাজ হয়নি। ফকিরের বাজার এলাকায় কংশ নদে এমনিতেই ভাঙন শুরু হয়েছে। এ সময় নদী থেকে বালু উত্তোলন করলে বাজারসহ নদীর পাড়ের বাড়িঘর বিলীন হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে ঠাকুরাকোণা থেকে ফকিরের বাজার যাওয়ার রাস্তার মধ্যে এক কিলোমিটার জায়গা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, আইনী প্রক্রিয়া শেষে সোমবার সন্ধ্যায় তাদের জেল হাজতে সোপর্দ করা হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক

২২ অক্টোবর, ২০২৪,  1:59 PM

news image

নেত্রকোনার কংশ নদে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, আটক ১৪

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি;

 

নেত্রকোনার বারহাট্টা কংশ নদের বারহাট্টা অংশে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ১৪ জনকে আটকসহ দুটি বাল্কহেড ও কয়েকটি ডেজার জব্দ করেছে পুলিশ।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় করা মামলায় তাদের জেল হাজতে পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ফকিরের বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কংস নদে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় তাদের আটক করা হয়।

আটকৃতরা হলেন- বারহাট্টা উপজেলার পূর্ববাইশধার ছালিপুরা আব্দুল আওয়াল (২৩), সুমন মিয়া (২২), মো. রসুল আমিন (২৩), মো. লাক মিয়া (২৬), কামরুল হাসান (২১), মো. হাবুল (৪২), মো. জলিল মিয়া (২৪), মো. শামীম (৩৫), মো. সোহরাব (৩০), মো. খাইরুল ইসলাম (২৮), আব্দুল কাদির (৩৮), মো. তরিকুল ইসলাম (২১) এবং বারহাট্টা সদর ইউনিয়নের বিক্রমশ্রী গ্রামের আব্দুল রাজ্জাক (৪৫) ও আটপাড়া উপজেলার অভয়পাশা গ্রামের রুবেল মিয়া (৩২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি রাতেই কংস নদে কিছু প্রভাবশালী লোকজন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে। গত রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এলাকাবাসী দুটি বাল্কহেড ও এতে থাকা ১৪ জনকে আটক করে। পরে খবর পেয়ে ফকিরের বাজার পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ আটককৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেয় । পরে এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে রায়পুর ইউনিয়নের চল্লিশ কাহানিয়া গ্রামের শেখ মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে সন্ধ্যায় জেল হাজতে সোপর্দ করা হয়।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, প্রতি রাতেই প্রভাবশালীরা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে ফকিরের বাজার এলাকায় কংশ নদে ডেজার দিয়ে কয়েকটি নৌকায় করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে।  এরমধ্যে এলাকাবাসীর সাথে নদী থেকে বালু তোলা নিয়ে অনেকবার তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া হয়েছে। কিন্তু এতেও কোন কাজ হয়নি। ফকিরের বাজার এলাকায় কংশ নদে এমনিতেই ভাঙন শুরু হয়েছে। এ সময় নদী থেকে বালু উত্তোলন করলে বাজারসহ নদীর পাড়ের বাড়িঘর বিলীন হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে ঠাকুরাকোণা থেকে ফকিরের বাজার যাওয়ার রাস্তার মধ্যে এক কিলোমিটার জায়গা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, আইনী প্রক্রিয়া শেষে সোমবার সন্ধ্যায় তাদের জেল হাজতে সোপর্দ করা হয়েছে।