নগরীতে মেহেরের পুকুর বিদ্যমান চলছে ভরাটের তৎপরতা
অনলাইন ডেস্ক
০৭ অক্টোবর, ২০২৪, 7:19 PM
নগরীতে মেহেরের পুকুর বিদ্যমান চলছে ভরাটের তৎপরতা
নগরীতে মেহেরের পুকুর বিদ্যমান চলছে ভরাটের তৎপরতা
০৭ অক্টোবর-২৪,রাজশাহী থেকে বাবুল ঃ মানুষ গোসল করছে, কাপড়
ধুচ্ছে, মাছও মারছে। বাস্তবে পুকুরের অবস্থা বিদ্যমান থাকলেও ভূমি
অফিসের খাতায় হয়ে গেছে আবাসিক ভিটা। নগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের
আহম্মেদপুর স্কুলের সামনের বহুল আলোচিত মেহেরের পুকুর হিসাবে
পরিচিত পুকুরটি। জ্যান্ত পুকুরকে বসত ভিটা দেখিয়ে তা ভরাট করার
অপচেষ্টা চলছে। যে কোন মুহুর্তে পুকুরটি তার অস্তিত্ব হারাবে। অথচ
পুকুরটি এ অঞ্চলের প্রান।
এই পুকুর নিয়ে আগেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ওই এলাকার
এলাকাবাসী জেলা প্রশাসন, পুলিশ কমিশনার, রাজশাহী উন্নয়ন
কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ অধিদপ্তরে আবেদন নিবেদন করেছে পুকুরটি ভরাট
বন্ধের। নথিপত্রে দেখা যায় ২০২২ সালের মার্চ মাসে পুকুটির অংশ বিশেষ
নগরীর তালাইমারী এলাকার তৌফিক হাসান পিতা: হাসান আলী ও
রানীনগর এলাকায় শহিদুল ইসলাম ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত দলিলে পুকুর
হিসাবে দেখানো হয়। কিন্তু ১৪ জুন ২০২৩ সালে বোয়ালিয়া ভূমি
অফিস ২৪নং ওয়ার্ড আহম্মদপুর স্কুলের সামনের পুকুর যার আরএস
খতিয়ান ৪৪ মৌজা আরাজি শিরোইল এম-১১। এটি আবাসিক ভিটা
হিসাবে নামজারী করেছেন। পুকুর জ্যান্ত থাকলেও ভূমি অফিসের খাতায়
হয়ে যায় রকম বদল। গত ১৪ আগষ্ট ২০২৪ দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির
এলোমেলো থাকার সুবাদে পুকুরের মাঝ বরাবর টিনের বেড়া দেয়।
এলাকাবাসী সেনাবাহিনীকে খবর দিলে তাদের তাড়া খেয়ে পালিয়ে যায়
তারা।
বিষয়টা নিয়ে বিভাগীয় কমিশনার ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের
প্রশাসক বরাবর এলাকাবাসী পত্র দেয়। তিনি পুকুর কিভাবে আবাসিক
ভিটা হলো তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। বিষয়টা খতিয়ে দেখার জন্য
কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। পুকুর জালিয়াতী চক্র খবর পেয়ে
পুকুরকে ভিটা বানানোর জন্য তৎপরতা শুরু করেছে। তারা গত ১ অক্টোবর
থেকে ফের ভরাটের অপতৎপরতা চালায়। বিষয়টা মেট্রোপলিটন পুলিশ
কমিশনারের নজরে আনলে তিনি জরুরীভাবে ব্যবস্থা নেবার নির্দেশনা
দেন। কিন্তু বোয়ালিয়া থানা পৃুলিশ এনিয়ে গড়িমসি করে। ফলে গত
দুদিন ধরে ট্রাক বোঝাই বালি এনে ভরাট শুরু করেছে। এলাকাবাসী বাধা
দিলে তৌহিদের কর্মচারী ডিমন পিতা: রইস উদ্দিনের নেতৃত্বে মাস্তান
দল নিয়ে এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এলাকাবাসী পুকুরটি রক্ষার
জন্য বিভাগীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ কামনা করছে।
উল্লেখ্য, নগরীতে ভরাটের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোটের কঠোর
নির্দেশনা রয়েছে। হাইকোটের এসব নির্দেশ সংশ্লিষ্ট কেউ আমলে
নিচ্ছেনা বলে পুকুর খেকোর দল অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
অনলাইন ডেস্ক
০৭ অক্টোবর, ২০২৪, 7:19 PM
নগরীতে মেহেরের পুকুর বিদ্যমান চলছে ভরাটের তৎপরতা
০৭ অক্টোবর-২৪,রাজশাহী থেকে বাবুল ঃ মানুষ গোসল করছে, কাপড়
ধুচ্ছে, মাছও মারছে। বাস্তবে পুকুরের অবস্থা বিদ্যমান থাকলেও ভূমি
অফিসের খাতায় হয়ে গেছে আবাসিক ভিটা। নগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের
আহম্মেদপুর স্কুলের সামনের বহুল আলোচিত মেহেরের পুকুর হিসাবে
পরিচিত পুকুরটি। জ্যান্ত পুকুরকে বসত ভিটা দেখিয়ে তা ভরাট করার
অপচেষ্টা চলছে। যে কোন মুহুর্তে পুকুরটি তার অস্তিত্ব হারাবে। অথচ
পুকুরটি এ অঞ্চলের প্রান।
এই পুকুর নিয়ে আগেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ওই এলাকার
এলাকাবাসী জেলা প্রশাসন, পুলিশ কমিশনার, রাজশাহী উন্নয়ন
কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ অধিদপ্তরে আবেদন নিবেদন করেছে পুকুরটি ভরাট
বন্ধের। নথিপত্রে দেখা যায় ২০২২ সালের মার্চ মাসে পুকুটির অংশ বিশেষ
নগরীর তালাইমারী এলাকার তৌফিক হাসান পিতা: হাসান আলী ও
রানীনগর এলাকায় শহিদুল ইসলাম ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত দলিলে পুকুর
হিসাবে দেখানো হয়। কিন্তু ১৪ জুন ২০২৩ সালে বোয়ালিয়া ভূমি
অফিস ২৪নং ওয়ার্ড আহম্মদপুর স্কুলের সামনের পুকুর যার আরএস
খতিয়ান ৪৪ মৌজা আরাজি শিরোইল এম-১১। এটি আবাসিক ভিটা
হিসাবে নামজারী করেছেন। পুকুর জ্যান্ত থাকলেও ভূমি অফিসের খাতায়
হয়ে যায় রকম বদল। গত ১৪ আগষ্ট ২০২৪ দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির
এলোমেলো থাকার সুবাদে পুকুরের মাঝ বরাবর টিনের বেড়া দেয়।
এলাকাবাসী সেনাবাহিনীকে খবর দিলে তাদের তাড়া খেয়ে পালিয়ে যায়
তারা।
বিষয়টা নিয়ে বিভাগীয় কমিশনার ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের
প্রশাসক বরাবর এলাকাবাসী পত্র দেয়। তিনি পুকুর কিভাবে আবাসিক
ভিটা হলো তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। বিষয়টা খতিয়ে দেখার জন্য
কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। পুকুর জালিয়াতী চক্র খবর পেয়ে
পুকুরকে ভিটা বানানোর জন্য তৎপরতা শুরু করেছে। তারা গত ১ অক্টোবর
থেকে ফের ভরাটের অপতৎপরতা চালায়। বিষয়টা মেট্রোপলিটন পুলিশ
কমিশনারের নজরে আনলে তিনি জরুরীভাবে ব্যবস্থা নেবার নির্দেশনা
দেন। কিন্তু বোয়ালিয়া থানা পৃুলিশ এনিয়ে গড়িমসি করে। ফলে গত
দুদিন ধরে ট্রাক বোঝাই বালি এনে ভরাট শুরু করেছে। এলাকাবাসী বাধা
দিলে তৌহিদের কর্মচারী ডিমন পিতা: রইস উদ্দিনের নেতৃত্বে মাস্তান
দল নিয়ে এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এলাকাবাসী পুকুরটি রক্ষার
জন্য বিভাগীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ কামনা করছে।
উল্লেখ্য, নগরীতে ভরাটের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোটের কঠোর
নির্দেশনা রয়েছে। হাইকোটের এসব নির্দেশ সংশ্লিষ্ট কেউ আমলে
নিচ্ছেনা বলে পুকুর খেকোর দল অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।