ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

নেত্রকোনায় কমেছে দুর্গাপূজার সংখ্যা

#
news image

নেত্রকোনায় কমেছে দুর্গাপূজার সংখ্যা

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি;

প্রতিবছর নেত্রকোনা জেলায় সব মণ্ডপে জাঁকজমকপূর্ণভাবে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়। কিন্তু দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবার জেলায় অন্তত ৯৫টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করছেন না সনাতন ধর্মালম্বীরা।

সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বুধবার সকালে 'মহালয়া' উৎসবের মধ্য দিয়ে সূচনা হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল পর্ব।

সরেজমিনে জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখাগেছে, জেলা সদরসহ প্রতিটি উপজেলার মন্ডপে মন্ডপে চলছে পূজা আয়োজনের শেষ প্রস্তুতি। তবে, গত বছরের তুলনায় এ বছর জেলায় পূজা মণ্ডপের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

নেত্রকোনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জ্ঞানেশ চন্দ্র সরকার জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর জেলায় পূজা মন্ডপের সংখ্যা তুলনামূলক কমেছে। গত বছর জেলায় পূজা মণ্ডপের সংখ্যা ছিল মোট ৫৬০টি। কিন্তু এ বছর জেলায় ৪৬৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

জেলায় পূজার সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ হিসাবে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন পণ্ডিত বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট মিলিয়ে এ বছর অনেকেই পূজার জন্য বাজেট কমিয়ে দিয়েছেন আবার অনেকেই দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আতঙ্কের কারণে পূজা আয়োজনের সাহস করতে পারেনি এবং পূজা করতে ভয় পাচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, জেলার পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রসাশন ছাড়াও জেলা-উপজেলায় অবস্থানরত সেনাসদস্যরা নির্বিঘ্নভাবে পূজার আয়োজনের সব ধরনের সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেছেন।

জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ জানান, পূজার নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি হিসেবে জেলার প্রত্যেকটি মণ্ডপেই সিসিটিভির ব্যাবহার নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও থাকবে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী ও নিরাপত্তারক্ষী। পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বক্ষনিক মোবাইল টিম, স্ট্যান্ডিং ডিউটি ও ক্লাস্টার ব্যাসিসে পর্যাপ্ত ফোর্স মোতায়েন করা থাকবে। পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তাসংক্রান্ত অনান্য বাহিনীগুলোও সক্রিয় থাকবে। পূজা চলাকালীন সকল মণ্ডপে সার্বিক নিরাপত্তার জন্য মাঠে সর্তক পাহারায় থাকবে পুলিশ, যাতে পূজায় অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা ঘটতে না পারে।

 

অনলাইন ডেস্ক

০৪ অক্টোবর, ২০২৪,  12:09 PM

news image

নেত্রকোনায় কমেছে দুর্গাপূজার সংখ্যা

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি;

প্রতিবছর নেত্রকোনা জেলায় সব মণ্ডপে জাঁকজমকপূর্ণভাবে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়। কিন্তু দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবার জেলায় অন্তত ৯৫টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করছেন না সনাতন ধর্মালম্বীরা।

সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বুধবার সকালে 'মহালয়া' উৎসবের মধ্য দিয়ে সূচনা হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল পর্ব।

সরেজমিনে জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখাগেছে, জেলা সদরসহ প্রতিটি উপজেলার মন্ডপে মন্ডপে চলছে পূজা আয়োজনের শেষ প্রস্তুতি। তবে, গত বছরের তুলনায় এ বছর জেলায় পূজা মণ্ডপের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

নেত্রকোনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জ্ঞানেশ চন্দ্র সরকার জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর জেলায় পূজা মন্ডপের সংখ্যা তুলনামূলক কমেছে। গত বছর জেলায় পূজা মণ্ডপের সংখ্যা ছিল মোট ৫৬০টি। কিন্তু এ বছর জেলায় ৪৬৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

জেলায় পূজার সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ হিসাবে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন পণ্ডিত বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট মিলিয়ে এ বছর অনেকেই পূজার জন্য বাজেট কমিয়ে দিয়েছেন আবার অনেকেই দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আতঙ্কের কারণে পূজা আয়োজনের সাহস করতে পারেনি এবং পূজা করতে ভয় পাচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, জেলার পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রসাশন ছাড়াও জেলা-উপজেলায় অবস্থানরত সেনাসদস্যরা নির্বিঘ্নভাবে পূজার আয়োজনের সব ধরনের সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেছেন।

জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ জানান, পূজার নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি হিসেবে জেলার প্রত্যেকটি মণ্ডপেই সিসিটিভির ব্যাবহার নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও থাকবে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী ও নিরাপত্তারক্ষী। পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বক্ষনিক মোবাইল টিম, স্ট্যান্ডিং ডিউটি ও ক্লাস্টার ব্যাসিসে পর্যাপ্ত ফোর্স মোতায়েন করা থাকবে। পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তাসংক্রান্ত অনান্য বাহিনীগুলোও সক্রিয় থাকবে। পূজা চলাকালীন সকল মণ্ডপে সার্বিক নিরাপত্তার জন্য মাঠে সর্তক পাহারায় থাকবে পুলিশ, যাতে পূজায় অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা ঘটতে না পারে।