ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই-এপ্রিলে আরএমজি রপ্তানি ৩২.৬৪ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশ

#
news image

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি ৩২.৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ দেশ ভিত্তিক রপ্তানি তথ্যে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার  ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। যেখানে ১৬ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের  পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা মোট রপ্তানির ৪৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ৬ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। কানাডা এবং যুক্তরাজ্যও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রপ্তানি হয়েছে  যার হার  যথাক্রমে ১ দশমিক ০৫ বিলিয়ন এবং ৩ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইইউ বাজারে ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ, কানাডায় ১৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।  

ইইউ বাজারের মধ্যে, জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পোশাক আমদানিকারক দেশ হিসেবে স্থান ধরে রেখেছে, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪ দশমিক ০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

স্পেন এবং ফ্রান্স যথাক্রমে ২ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন এবং ১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।

নেদারল্যান্ডস এবং সুইডেনের বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে, যথাক্রমে ২২ দশমিক ৯ শতাংশ ও ১৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, যার পরিমাণ ৫ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এই বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির অংশীদারিত্ব ১৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত অপ্রচলিত বাজারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতা হিসেবে রয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় বাজারে প্রবৃদ্ধি ১৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং জাপানে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, নিটওয়্যার খাতে ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং ওভেন খাতে ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক এবং বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বাসসকে বলেন, ‘চলমান বৈশ্বিক বাণিজ্য সংঘাত বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে। অপ্রচলিত বাজারে আরও গুরুত্ব দেওয়া এখন সময়ের দাবি।’

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১২ মে, ২০২৫,  8:16 PM

news image

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি ৩২.৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ দেশ ভিত্তিক রপ্তানি তথ্যে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার  ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। যেখানে ১৬ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের  পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা মোট রপ্তানির ৪৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ৬ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। কানাডা এবং যুক্তরাজ্যও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রপ্তানি হয়েছে  যার হার  যথাক্রমে ১ দশমিক ০৫ বিলিয়ন এবং ৩ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইইউ বাজারে ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ, কানাডায় ১৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।  

ইইউ বাজারের মধ্যে, জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পোশাক আমদানিকারক দেশ হিসেবে স্থান ধরে রেখেছে, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪ দশমিক ০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

স্পেন এবং ফ্রান্স যথাক্রমে ২ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন এবং ১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।

নেদারল্যান্ডস এবং সুইডেনের বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে, যথাক্রমে ২২ দশমিক ৯ শতাংশ ও ১৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, যার পরিমাণ ৫ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এই বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির অংশীদারিত্ব ১৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত অপ্রচলিত বাজারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতা হিসেবে রয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় বাজারে প্রবৃদ্ধি ১৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং জাপানে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, নিটওয়্যার খাতে ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং ওভেন খাতে ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক এবং বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বাসসকে বলেন, ‘চলমান বৈশ্বিক বাণিজ্য সংঘাত বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে। অপ্রচলিত বাজারে আরও গুরুত্ব দেওয়া এখন সময়ের দাবি।’