ঢাকা ০৪ এপ্রিল, ২০২৫
শিরোনামঃ
ব্যাংককে অধ্যাপক ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে : প্রধান উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন থাইল্যান্ডের দুই মন্ত্রী শুল্ক হার কমাতে সংস্কার প্রতিশ্রুতির সদিচ্ছাকে কাজে লাগাতে হবে: ড. জাহিদ হোসেন পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সব সময় আন্তরিক সরকার : সুপ্রদীপ চাকমা জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর জয়দীপের লেখায় ধর্মীয় সহিংসতার উস্কানি থাকায় প্রতিবাদ জানিয়েছে এবি পার্টি অন্তর্বর্তী সরকার ব্যর্থ হলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে : সুলতান সালাউদ্দিন টুকু গণ-অভ্যুত্থানের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত না হলে নতুন প্রজন্ম আবারও লড়াইয়ে নামবে : ব্যারিস্টার ফুয়াদ ১৯৭২ থেকে ২০২৫ সাল : সত্য, সততা ও নির্ভীক সাংবাদিকতার প্রতীক জাবিসাস

অবৈধ সম্পর্ক ও প্রতারণার অভিযোগে মইনুলের বিরুদ্ধে মামলা করায় বিপাকে পরিবার

#
news image

গাজীপুরে প্রতারণা ও অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগে মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে গাজীপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তাঁর প্রথম স্ত্রী ফৌজিয়া ইয়াসমিন সাথী। মামলা দায়েরে পর থেকে অভিযুক্ত মইনুল ইসলাম বিভিন্ন ভাবে ভোক্তভোগি স্ত্রী ও শশুরের পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার হীন মানসিকতায় লিপ্ত হয়ে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছেন বলে দাবি করেছেন মামলায় বাদীর পিতা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হাসান আলী। হাসান আলীর বক্তব্য অনুযায়ী, মইনুল ইসলাম তাঁর বড় মেয়ের জামাই। পারিবারিক সম্মতিতে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক পাঁচ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করে তিনি হাসান আলীর মেয়েকে বিয়ে দেন। বিবাহের পর থেকেই হাসান আলী তার মেয়ের জামাতা মইনুল ইসলামকে বিভিন্ন সময়ে নগদ আর্থিক সহায়তা সহ গত ১৬ বছর যাবত মেয়ে ও নাতিদের কথা চিন্তা করে মইনুল ইসলাম  এবং তার পরিবারের যাবতীয় ভরণ পোষণ দিয়ে আসছেন। মইনুল ও ফৌজিয়া দম্পত্তির সংসারে দুইজন সন্তান রয়েছে একজন মাঈশা তারান্নুম (১৪)  কুরআনের হাফেজা এবং অষ্টম শ্রেণিতে এবং অন্যজন মুসতাকিম আবরার (৬) নার্সারিতে পড়াশুনা করছেন। হাসান আলী আরো বলেন, মইনুল ইসলাম শুধুমাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন, পরবর্তীতে শ্বশুরবাড়ির সহায়তায় থাকে, এসএসসি পর্যন্ত পড়াশুনা এবং ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শিখিয়ে কর্মমূখী করে তোলার চেষ্টা করেন। 

ইঞ্জিনিয়ার হাসান আলী আরো জানান, গত ২৫শে মার্চ, ২০২৫ তারিখে একাধীক অনলাইন পোর্টালে আমি ও আমার পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে যে কাল্পনিক ও মনগড়া বাক্য উল্লেখ করে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তার কাল্পনিক ঘটনা গুলোর সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই।  মুলত সত্য ঘটনা আড়াল করে এই সংবাদ প্রকাশ বিশেষ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন যাবত আমার বুঝতে পারি সে ভয়াবহ জুয়ার আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েছে। জুয়ার টাকার জন্য প্রায় সময়ই আমার মেয়ে ও নাতিদের সাথে খারাপ আচরণ করতে থাকে। আমার মেয়ে ও আমারকে সময়ে অসময়ে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে। টাকা না দিলে আমার মেয়ের উপর মানসিক ও শারিরিক অত্যাচার শুরু করে। বাবা হয়ে এসব ঘটনা সহ্য করতে না পেরে তার অনৈতিক আবদার ও বিভিন্ন সময়ে ব্যবসার কথা বলে একাধিকবার টাকা নেয় এবং হাসান আলীর বাড়ির ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে বাসা ভাড়ার প্রায় চার লক্ষ টাকা তুলে আত্নসাৎ করেন। কিন্তু তিনি কোনো টাকা ফেরত দেননি।

তিনি আরো বলেন, বেশ কয়েক মাস যাবত মইনুল কাউকে কিছু না জানিয়ে প্রায়ই ৩/৪ দিন বাড়ির বাহিরে নিরুদ্দেশ হয়ে থাকে। প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই নরসিংদী কোর্টে গোপনে রহিমা খাতুন নামে এক মহিলাকে বিয়ে করেন। যা গত ১৮/১/২০২৫ ইং তারিখে দ্বিতীয় স্ত্রী রহিমাকে কুড়িগ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ পায়। বিষয়টি জানাজানি হলে মইনুল ইসলাম প্রথম স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্বও এড়িয়ে যান। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ রাতে হাসান আলীর বাসার সামনে মইনুল ইসলাম ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী রহিমা খাতুন সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে থাকে। তাদের দেখে প্রথম স্ত্রী আবেগ প্রবণ হয়ে কান্নাকটি ও ডাক চিৎকার শুরু করলে মইনুল ইসলাম দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলে আশে পাশের লোকজন জড়ো হলে রহিমা খাতুন তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে, হাসান আলী নিরাপত্তার কথা ভেবে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে রহিমা খাতুনকে বাসার নিচে আশ্রয় দেন এবং তাঁর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মেয়ের দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন। বিষয়টি আইনীভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাসান আলী নিজে টঙ্গী পশ্চিম থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করলে এস.আই শরীফ তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে এসে রহিমা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানায় নিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদের সময় এবং রহিমা খাতুনের জবানবন্দীর সময় তাহার স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন।  এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, মইনুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে হাসান আলীর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকেন, যার ফলে ১৬ ফেব্রুয়ারি টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ১০১২) করা হয়। হাসান আলীর দাবি, এই ঘটনাগুলোকে আড়াল করার জন্য মইনুল ইসলাম এখন উল্টো তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন এবং ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে নেওয়া টাকাও আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন। প্রথম স্ত্রী নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মইনুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী বাদী হয়ে তাহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন, মামলা নং: ৬৮/২০২৫ ইং।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মইনুল ইসলামের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি দুই সন্তানের জননী রহিমার সাথে দ্বিতীয় বিবাহের কথা স্বীকার করে অন্য অভিযোগ গুলো অস্বীকার করেন।

গাজীপুর প্রতিনিধি ঃ

৩০ মার্চ, ২০২৫,  7:50 AM

news image

গাজীপুরে প্রতারণা ও অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগে মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে গাজীপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তাঁর প্রথম স্ত্রী ফৌজিয়া ইয়াসমিন সাথী। মামলা দায়েরে পর থেকে অভিযুক্ত মইনুল ইসলাম বিভিন্ন ভাবে ভোক্তভোগি স্ত্রী ও শশুরের পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার হীন মানসিকতায় লিপ্ত হয়ে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছেন বলে দাবি করেছেন মামলায় বাদীর পিতা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হাসান আলী। হাসান আলীর বক্তব্য অনুযায়ী, মইনুল ইসলাম তাঁর বড় মেয়ের জামাই। পারিবারিক সম্মতিতে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক পাঁচ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করে তিনি হাসান আলীর মেয়েকে বিয়ে দেন। বিবাহের পর থেকেই হাসান আলী তার মেয়ের জামাতা মইনুল ইসলামকে বিভিন্ন সময়ে নগদ আর্থিক সহায়তা সহ গত ১৬ বছর যাবত মেয়ে ও নাতিদের কথা চিন্তা করে মইনুল ইসলাম  এবং তার পরিবারের যাবতীয় ভরণ পোষণ দিয়ে আসছেন। মইনুল ও ফৌজিয়া দম্পত্তির সংসারে দুইজন সন্তান রয়েছে একজন মাঈশা তারান্নুম (১৪)  কুরআনের হাফেজা এবং অষ্টম শ্রেণিতে এবং অন্যজন মুসতাকিম আবরার (৬) নার্সারিতে পড়াশুনা করছেন। হাসান আলী আরো বলেন, মইনুল ইসলাম শুধুমাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন, পরবর্তীতে শ্বশুরবাড়ির সহায়তায় থাকে, এসএসসি পর্যন্ত পড়াশুনা এবং ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শিখিয়ে কর্মমূখী করে তোলার চেষ্টা করেন। 

ইঞ্জিনিয়ার হাসান আলী আরো জানান, গত ২৫শে মার্চ, ২০২৫ তারিখে একাধীক অনলাইন পোর্টালে আমি ও আমার পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে যে কাল্পনিক ও মনগড়া বাক্য উল্লেখ করে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তার কাল্পনিক ঘটনা গুলোর সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই।  মুলত সত্য ঘটনা আড়াল করে এই সংবাদ প্রকাশ বিশেষ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন যাবত আমার বুঝতে পারি সে ভয়াবহ জুয়ার আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েছে। জুয়ার টাকার জন্য প্রায় সময়ই আমার মেয়ে ও নাতিদের সাথে খারাপ আচরণ করতে থাকে। আমার মেয়ে ও আমারকে সময়ে অসময়ে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে। টাকা না দিলে আমার মেয়ের উপর মানসিক ও শারিরিক অত্যাচার শুরু করে। বাবা হয়ে এসব ঘটনা সহ্য করতে না পেরে তার অনৈতিক আবদার ও বিভিন্ন সময়ে ব্যবসার কথা বলে একাধিকবার টাকা নেয় এবং হাসান আলীর বাড়ির ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে বাসা ভাড়ার প্রায় চার লক্ষ টাকা তুলে আত্নসাৎ করেন। কিন্তু তিনি কোনো টাকা ফেরত দেননি।

তিনি আরো বলেন, বেশ কয়েক মাস যাবত মইনুল কাউকে কিছু না জানিয়ে প্রায়ই ৩/৪ দিন বাড়ির বাহিরে নিরুদ্দেশ হয়ে থাকে। প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই নরসিংদী কোর্টে গোপনে রহিমা খাতুন নামে এক মহিলাকে বিয়ে করেন। যা গত ১৮/১/২০২৫ ইং তারিখে দ্বিতীয় স্ত্রী রহিমাকে কুড়িগ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ পায়। বিষয়টি জানাজানি হলে মইনুল ইসলাম প্রথম স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্বও এড়িয়ে যান। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ রাতে হাসান আলীর বাসার সামনে মইনুল ইসলাম ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী রহিমা খাতুন সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে থাকে। তাদের দেখে প্রথম স্ত্রী আবেগ প্রবণ হয়ে কান্নাকটি ও ডাক চিৎকার শুরু করলে মইনুল ইসলাম দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলে আশে পাশের লোকজন জড়ো হলে রহিমা খাতুন তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে, হাসান আলী নিরাপত্তার কথা ভেবে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে রহিমা খাতুনকে বাসার নিচে আশ্রয় দেন এবং তাঁর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মেয়ের দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন। বিষয়টি আইনীভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাসান আলী নিজে টঙ্গী পশ্চিম থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করলে এস.আই শরীফ তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে এসে রহিমা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানায় নিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদের সময় এবং রহিমা খাতুনের জবানবন্দীর সময় তাহার স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন।  এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, মইনুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে হাসান আলীর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকেন, যার ফলে ১৬ ফেব্রুয়ারি টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ১০১২) করা হয়। হাসান আলীর দাবি, এই ঘটনাগুলোকে আড়াল করার জন্য মইনুল ইসলাম এখন উল্টো তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন এবং ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে নেওয়া টাকাও আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন। প্রথম স্ত্রী নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মইনুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী বাদী হয়ে তাহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন, মামলা নং: ৬৮/২০২৫ ইং।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মইনুল ইসলামের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি দুই সন্তানের জননী রহিমার সাথে দ্বিতীয় বিবাহের কথা স্বীকার করে অন্য অভিযোগ গুলো অস্বীকার করেন।