ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

চট্টগ্রাম ডায়াবেটিকস হাসপাতালে তদন্ত কমিটির সামনেই মারামারি

#
news image

যথাযথ কর্তৃপক্ষে লাইসেন্স ছাড়াই বিগত এক দশক ধরে কার্যক্রম পরিচালনাসহ নানা অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম ডায়াবেটিকস হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গঠিত তদন্ত কমিটি। সোমবার দুপুরে হাসপাতালটি পরিদর্শনে আসেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল। তদন্ত কমিটির সস্যদের কার্যক্রম চলাকালে হাসপাতালের কর্মচারীদের দুটি পক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। একটি পক্ষ হাসপাতালের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পক্ষের, অন্যটি তার প্রতিপক্ষের লোকজন বলে জানা গেছে। এ সময় বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জনসহ তদন্ত কমিটির সস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তদন্ত কমিটির সদস্যরা হাসপাতালে উপস্থিত হলে তাদের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীরাও হাসপাতালে প্রবেশ করেন। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের দেখে একটি পক্ষ হাসপাতালের গেট বন্ধ করে দেয়। ঘটনার ভিডিও করতে এবং ছবি তুলতে বাধা দেওয়া হয়। এছাড়া নিয়োগ পত্র ছাড়া হাসপাতালে কাজ করাকে কেন্দ্র করে বিবদমান একপক্ষ আরেক পক্ষকে হুমকি-ধমকি দেয়। এক পর্যায়ে দুইপক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের পর থেকে লাইসেন্স ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করছে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিকস হাসপাতালের। বিষয়টি জানাজানির পর ২০২৪-২০২৫ এসে লাইসেন্সের আবেদন করে হাসপাতালটি। তদন্ত কমিটির সদস্যরা এ সংক্রান্ত বিষয়ে কাগজ-পত্র যাচাই বাছাই করেন। কিন্তু অনেক কাগজপত্র দেখাতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সময় দেয়া হয়েছে। যা পরবর্তীতে কমিটির কাছে উপস্থাপনের জন্য বলা হয়।
তদন্ত দলের প্রধান বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. অং সুই প্রু মারমা জানান, যেসব অভিযোগ এসেছে সেগুলো আমরা খতিয়ে দেখেছি। এ ব্যাপারে আরও তদন্ত চলবে। তদন্ত রিপোর্ট না আসার আগ পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে নিজের বিরুদ্ধে উঠা সব অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে হাসপাতালের সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, যত অভিযোগ এসেছে সবগুলোই একটি মহলের অপপ্রচার। হাসপাতালের এক চাকরিচ্যুত কর্মকর্তার মদদে এসব ষড়যন্ত্র হচ্ছে। লাইসেন্স ছাড়া চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা নতুন লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছি। বেশ কিছু জটিলতার কারণে এটি পেতে দেরি হচ্ছে।

 আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ঃ

১৮ মার্চ, ২০২৫,  9:00 PM

news image

যথাযথ কর্তৃপক্ষে লাইসেন্স ছাড়াই বিগত এক দশক ধরে কার্যক্রম পরিচালনাসহ নানা অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম ডায়াবেটিকস হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গঠিত তদন্ত কমিটি। সোমবার দুপুরে হাসপাতালটি পরিদর্শনে আসেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল। তদন্ত কমিটির সস্যদের কার্যক্রম চলাকালে হাসপাতালের কর্মচারীদের দুটি পক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। একটি পক্ষ হাসপাতালের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পক্ষের, অন্যটি তার প্রতিপক্ষের লোকজন বলে জানা গেছে। এ সময় বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জনসহ তদন্ত কমিটির সস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তদন্ত কমিটির সদস্যরা হাসপাতালে উপস্থিত হলে তাদের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীরাও হাসপাতালে প্রবেশ করেন। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের দেখে একটি পক্ষ হাসপাতালের গেট বন্ধ করে দেয়। ঘটনার ভিডিও করতে এবং ছবি তুলতে বাধা দেওয়া হয়। এছাড়া নিয়োগ পত্র ছাড়া হাসপাতালে কাজ করাকে কেন্দ্র করে বিবদমান একপক্ষ আরেক পক্ষকে হুমকি-ধমকি দেয়। এক পর্যায়ে দুইপক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের পর থেকে লাইসেন্স ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করছে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিকস হাসপাতালের। বিষয়টি জানাজানির পর ২০২৪-২০২৫ এসে লাইসেন্সের আবেদন করে হাসপাতালটি। তদন্ত কমিটির সদস্যরা এ সংক্রান্ত বিষয়ে কাগজ-পত্র যাচাই বাছাই করেন। কিন্তু অনেক কাগজপত্র দেখাতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সময় দেয়া হয়েছে। যা পরবর্তীতে কমিটির কাছে উপস্থাপনের জন্য বলা হয়।
তদন্ত দলের প্রধান বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. অং সুই প্রু মারমা জানান, যেসব অভিযোগ এসেছে সেগুলো আমরা খতিয়ে দেখেছি। এ ব্যাপারে আরও তদন্ত চলবে। তদন্ত রিপোর্ট না আসার আগ পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে নিজের বিরুদ্ধে উঠা সব অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে হাসপাতালের সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, যত অভিযোগ এসেছে সবগুলোই একটি মহলের অপপ্রচার। হাসপাতালের এক চাকরিচ্যুত কর্মকর্তার মদদে এসব ষড়যন্ত্র হচ্ছে। লাইসেন্স ছাড়া চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা নতুন লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছি। বেশ কিছু জটিলতার কারণে এটি পেতে দেরি হচ্ছে।