ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

খান জাহানের পুণ্যভূমি বাগেরহাটের চুনাখোলা মসজিদ

#
news image

প্রত্নতাত্ত্বিক নগরী  খান জাহানের  পুণ্যভূমি বাগেরহাটের চুনাখোলা মসজিদসহ  রয়েছে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট । যা দেখতে  পর্যটকরা ভিড় করেন এ শহরে। 

চুনাখোলা মসজিদটি ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত । তবে বিবি বেগনি মসজিদ থেকে পায়ে হেঁটে এখানে যেতে সময় লাগে মাত্র ৫ মিনিট। মসজিদটি এক গম্বুজবিশিষ্ট এবং বর্গাকৃতির । চুনাখোলা গ্রামে অবস্থিত  হওয়ার কারনে নামকরণ করা হয়েছে চুনাখোলা মসজিদ। 

মসজিদটি ইটের তৈরি, এবং এর বাইরের প্রতিটি দিকের দৈর্ঘ্য ১২.৫০ মিটার। মসজিদটির দেয়ালগুলো প্রায় ২.১৪ মিটার পুরু, মসজিদটিতে পাঁচটি ধনুকাকৃতির খিলানযুক্ত দরজা রয়েছে। পূর্ব দিকের তিনটি দরজার মধ্যে একটি কিছুটা বড় এবং অন্য দুটির মতো উত্তর ও দক্ষিণ দিকের দরজাগুলো সমান প্রশস্ত। মসজিদের অভ্যন্তরে কিবলা দেয়ালের পাশে তিনটি মিহরাব রয়েছে। চুনাখোলা মসজিদটির ছাদে একটি বিশাল অর্ধগোলাকৃতির গম্বুজ রয়েছে। মসজিদের বাইরের চার কোণে রয়েছে চারটি গোলাকার মিনার। মসজিদের তিনটি কার্নিশ বাঁকানো আকারে নির্মিত। মসজিদে ব্যবহৃত পোড়ামাটির অলঙ্করণে সাধারণত ফুল, লতাপাতা, জালি ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে।

চারিদিকে সবুজে আবৃত বৃক্ষরাজির সমাহার চোখে পড়বে। নির্জন নিস্তব্ধ এলাকায় চুনা খোলা মসজিদটি দাঁড়িয়ে আছে কালের সাক্ষী হয়ে। খুলনা বিভাগীয় প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত ষাটগম্বুজ জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. জায়েদ পল্লীবাংলাকে অবহিত করেন খান জাহানের পুরাকীর্তি কে আরও সমৃদ্ধ এবং পর্যটকদের আকর্ষণে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক পদক্ষেপ নিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প। দর্শনার্থীদের সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত  পর্যটকদের অবকাশ যাপন, রেস্টহাউজ নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ করে যাতায়াতের সুযোগ সুবিধা প্রদান করে যাচ্ছে নিয়োজিত কর্মকর্তা কর্মচারী। ঢাকা থেকে অনায়াসে নোয়াপাড়া নেমেই এ স্পটে আসতে লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট। কাছাকাছি হোটেল রেস্টুরেন্ট থাকা খাবার  ব্যাবস্থা পাওয়া  যাবে খুবই স্বল্প খরচে।

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

১১ মার্চ, ২০২৫,  7:00 PM

news image

প্রত্নতাত্ত্বিক নগরী  খান জাহানের  পুণ্যভূমি বাগেরহাটের চুনাখোলা মসজিদসহ  রয়েছে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট । যা দেখতে  পর্যটকরা ভিড় করেন এ শহরে। 

চুনাখোলা মসজিদটি ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত । তবে বিবি বেগনি মসজিদ থেকে পায়ে হেঁটে এখানে যেতে সময় লাগে মাত্র ৫ মিনিট। মসজিদটি এক গম্বুজবিশিষ্ট এবং বর্গাকৃতির । চুনাখোলা গ্রামে অবস্থিত  হওয়ার কারনে নামকরণ করা হয়েছে চুনাখোলা মসজিদ। 

মসজিদটি ইটের তৈরি, এবং এর বাইরের প্রতিটি দিকের দৈর্ঘ্য ১২.৫০ মিটার। মসজিদটির দেয়ালগুলো প্রায় ২.১৪ মিটার পুরু, মসজিদটিতে পাঁচটি ধনুকাকৃতির খিলানযুক্ত দরজা রয়েছে। পূর্ব দিকের তিনটি দরজার মধ্যে একটি কিছুটা বড় এবং অন্য দুটির মতো উত্তর ও দক্ষিণ দিকের দরজাগুলো সমান প্রশস্ত। মসজিদের অভ্যন্তরে কিবলা দেয়ালের পাশে তিনটি মিহরাব রয়েছে। চুনাখোলা মসজিদটির ছাদে একটি বিশাল অর্ধগোলাকৃতির গম্বুজ রয়েছে। মসজিদের বাইরের চার কোণে রয়েছে চারটি গোলাকার মিনার। মসজিদের তিনটি কার্নিশ বাঁকানো আকারে নির্মিত। মসজিদে ব্যবহৃত পোড়ামাটির অলঙ্করণে সাধারণত ফুল, লতাপাতা, জালি ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে।

চারিদিকে সবুজে আবৃত বৃক্ষরাজির সমাহার চোখে পড়বে। নির্জন নিস্তব্ধ এলাকায় চুনা খোলা মসজিদটি দাঁড়িয়ে আছে কালের সাক্ষী হয়ে। খুলনা বিভাগীয় প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত ষাটগম্বুজ জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. জায়েদ পল্লীবাংলাকে অবহিত করেন খান জাহানের পুরাকীর্তি কে আরও সমৃদ্ধ এবং পর্যটকদের আকর্ষণে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক পদক্ষেপ নিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প। দর্শনার্থীদের সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত  পর্যটকদের অবকাশ যাপন, রেস্টহাউজ নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ করে যাতায়াতের সুযোগ সুবিধা প্রদান করে যাচ্ছে নিয়োজিত কর্মকর্তা কর্মচারী। ঢাকা থেকে অনায়াসে নোয়াপাড়া নেমেই এ স্পটে আসতে লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট। কাছাকাছি হোটেল রেস্টুরেন্ট থাকা খাবার  ব্যাবস্থা পাওয়া  যাবে খুবই স্বল্প খরচে।