ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

খিরার বাম্পার ফলনেও দুশ্চিন্তায় চাষিরা

#
news image

চলতি মৌসুমে নেত্রকোনার বিভিন্ন এলাকায় খিরার বাম্পার ফলন হলেও বাজারে দাম কম পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় চাষিরা।

খিরা চাষে খরচ তুলনামূলক কম এবং লাভের পরিমাণ বেশি হওয়ায় এ বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খিরা চাষের আগ্রহ বেড়েছে। ফলে চাহিদার তুলনায় এবার উৎপাদন বেশি হওয়ায় লোকসানের মুখে চাষিরা।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে ও চাষিদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত বছরের তুলনায় এ বছর খিরার ফলন ভাল হয়েছে। তবে বর্তমান বাজারে কম দাম পাওয়ায় উৎপাদন খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের।

কৃষকরা জানান, বর্তমান বাজারে প্রতি মন খিরার দাম পড়ছে ৬’শ থেকে ৭’শ টাকা। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি খিরা বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। ফলন বেশি হয়েছে তবুও বাজার মূল্যের চেয়ে উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় লোকসান গুনতে হবে স্থানীয় কৃষকদের।

জেলার হাওরাঞ্চল মদন,মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুড়িসহ কয়েকটি উপজেলার কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, বরাবরের তুলনায় এবার খিরার ফলন ভাল হয়েছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ক্ষেত থেকে খিরা তোলা শুরু হয়েছে চলবে এপ্রিল মাস পর্যন্ত। প্রথম দিকে বাজারে খিরার দাম বেশি থাকলেও এখন দাম পড়ে গেছে। তবে সব খরচ বাদ দিয়ে এ বছর খিরা বিক্রি করে আয় গত বছরের তুলনায় অনেক কম হবে।

তারা আরও বলেন, অগ্রহায়ণ মাসে বীজবপন করেছিলেন। মাঘ মাস থেকে পরিচর্যা শুরু করেন। এখন পুরোদমে ক্ষেত থেকে খিরা তোলা হয়েছে। এই এলাকায় তৃপ্তি, সুফলা ইত্যাদি জাতের খিরার ফলন বেশি হয়। ফলে জমিতে বরাবরের তুলনায় এবার খিরার বাম্পার ফলন হয়েছে।

খিরা ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখন হাইব্রিড খিরা পাওয়া গেলেও নেত্রকোনার চর এলাকায় দেশীয় খিরার ভালো ফলন হয়েছে। তাই বাজারে এর চাহিদা বেশি। তবে এবার ফলন বেশি হলেও বাজারে খিরার দর অনেক কম পাওয়া যাচ্ছে ফলে কৃষকদের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মুহাম্মদ নুরুজ্জামান পল্লীবাংলাকে বলেন, খিরা একটি স্বল্পমেয়াদি ফসল। এর জীবনকাল মাত্র ৬৫-৯০ দিন। কম সময়ে ভালো আয় হওয়ায় রবি মৌসুমে চরাঞ্চলের কৃষকের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় ফসল। নিজস্ব জমিতে প্রতি বিঘায় খিরা চাষের জন্য খরচ হয় ২০-২৫ হাজার টাকা। এর বিপরীতে, এক বিঘা জমি থেকে ৫০-৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং বাজারে চাহিদা বজায় থাকলে কৃষক এ সফলতা আরও দীর্ঘস্থায়ী করতে পারবেন।

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫,  7:38 PM

news image

চলতি মৌসুমে নেত্রকোনার বিভিন্ন এলাকায় খিরার বাম্পার ফলন হলেও বাজারে দাম কম পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় চাষিরা।

খিরা চাষে খরচ তুলনামূলক কম এবং লাভের পরিমাণ বেশি হওয়ায় এ বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খিরা চাষের আগ্রহ বেড়েছে। ফলে চাহিদার তুলনায় এবার উৎপাদন বেশি হওয়ায় লোকসানের মুখে চাষিরা।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে ও চাষিদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত বছরের তুলনায় এ বছর খিরার ফলন ভাল হয়েছে। তবে বর্তমান বাজারে কম দাম পাওয়ায় উৎপাদন খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের।

কৃষকরা জানান, বর্তমান বাজারে প্রতি মন খিরার দাম পড়ছে ৬’শ থেকে ৭’শ টাকা। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি খিরা বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। ফলন বেশি হয়েছে তবুও বাজার মূল্যের চেয়ে উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় লোকসান গুনতে হবে স্থানীয় কৃষকদের।

জেলার হাওরাঞ্চল মদন,মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুড়িসহ কয়েকটি উপজেলার কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, বরাবরের তুলনায় এবার খিরার ফলন ভাল হয়েছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ক্ষেত থেকে খিরা তোলা শুরু হয়েছে চলবে এপ্রিল মাস পর্যন্ত। প্রথম দিকে বাজারে খিরার দাম বেশি থাকলেও এখন দাম পড়ে গেছে। তবে সব খরচ বাদ দিয়ে এ বছর খিরা বিক্রি করে আয় গত বছরের তুলনায় অনেক কম হবে।

তারা আরও বলেন, অগ্রহায়ণ মাসে বীজবপন করেছিলেন। মাঘ মাস থেকে পরিচর্যা শুরু করেন। এখন পুরোদমে ক্ষেত থেকে খিরা তোলা হয়েছে। এই এলাকায় তৃপ্তি, সুফলা ইত্যাদি জাতের খিরার ফলন বেশি হয়। ফলে জমিতে বরাবরের তুলনায় এবার খিরার বাম্পার ফলন হয়েছে।

খিরা ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখন হাইব্রিড খিরা পাওয়া গেলেও নেত্রকোনার চর এলাকায় দেশীয় খিরার ভালো ফলন হয়েছে। তাই বাজারে এর চাহিদা বেশি। তবে এবার ফলন বেশি হলেও বাজারে খিরার দর অনেক কম পাওয়া যাচ্ছে ফলে কৃষকদের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মুহাম্মদ নুরুজ্জামান পল্লীবাংলাকে বলেন, খিরা একটি স্বল্পমেয়াদি ফসল। এর জীবনকাল মাত্র ৬৫-৯০ দিন। কম সময়ে ভালো আয় হওয়ায় রবি মৌসুমে চরাঞ্চলের কৃষকের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় ফসল। নিজস্ব জমিতে প্রতি বিঘায় খিরা চাষের জন্য খরচ হয় ২০-২৫ হাজার টাকা। এর বিপরীতে, এক বিঘা জমি থেকে ৫০-৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং বাজারে চাহিদা বজায় থাকলে কৃষক এ সফলতা আরও দীর্ঘস্থায়ী করতে পারবেন।