ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও দোকান পুড়ে ছাই

#
news image

কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪ টি শেল্টার ও একটি দোকান ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় কোন হতাহত খবর পাওয়া যায়নি।
 
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯ টার দিকে উখিয়া ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের বি-ব্লকের, বি-৫২ সাব ব্লকে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।
 
আশ্রয় শিবিরের রোহিঙ্গারা জানান, বি-ব্লকের, বি-৫২ সাব ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ রশিদের ঝুপড়ি ঘর থেকে আগুনের সূত্র পাত হয়। আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করে। পরে ক্যাম্পের ফায়ার সার্ভিসের সেচ্ছাসেবকরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। ততক্ষণে চারটি বসত ঘর ও একটি দোকান পুড়ে ছাই যায়।
 
মোহাম্মদ রশিদ অভিযোগ করে বলেন, আমার দোকান ও বসত ঘরে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা সহযোগিতা করে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিন্তু ততক্ষণে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
 
আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা নারী রহিমা খাতুন জানান, আমার বসত ঘর ও দোকানে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে। তা অনেকে দেখেছেন।তখন আমার স্বামী বাড়িতে ছিলনা। তাই কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি। ক্যাম্পের সেচ্ছাসেবকরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন।
 
রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) সিরাজ আমিন জানান, ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা শুনেছি। কারা আগুন দিয়েছে তা তদন্তপূর্বক জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
 
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, আগুনের খবর পেয়ে দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই শিবিরের সেচ্ছাসেবকরা আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। এতে একটি দোকান ও ৪ টি বসত পুড়ে যায়। সেচ্ছাসেবক ও শিবিরের বাসিন্দারা সচেতন থাকার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে।
 
উল্লেখ্য চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছোট বড় সাতটির অধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
 

নুরুল বশর , উখিয়া:

৩১ জানুয়ারি, ২০২৫,  1:20 AM

news image

কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪ টি শেল্টার ও একটি দোকান ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় কোন হতাহত খবর পাওয়া যায়নি।
 
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯ টার দিকে উখিয়া ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের বি-ব্লকের, বি-৫২ সাব ব্লকে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।
 
আশ্রয় শিবিরের রোহিঙ্গারা জানান, বি-ব্লকের, বি-৫২ সাব ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ রশিদের ঝুপড়ি ঘর থেকে আগুনের সূত্র পাত হয়। আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করে। পরে ক্যাম্পের ফায়ার সার্ভিসের সেচ্ছাসেবকরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। ততক্ষণে চারটি বসত ঘর ও একটি দোকান পুড়ে ছাই যায়।
 
মোহাম্মদ রশিদ অভিযোগ করে বলেন, আমার দোকান ও বসত ঘরে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা সহযোগিতা করে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিন্তু ততক্ষণে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
 
আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা নারী রহিমা খাতুন জানান, আমার বসত ঘর ও দোকানে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে। তা অনেকে দেখেছেন।তখন আমার স্বামী বাড়িতে ছিলনা। তাই কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি। ক্যাম্পের সেচ্ছাসেবকরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন।
 
রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) সিরাজ আমিন জানান, ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা শুনেছি। কারা আগুন দিয়েছে তা তদন্তপূর্বক জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
 
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, আগুনের খবর পেয়ে দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই শিবিরের সেচ্ছাসেবকরা আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। এতে একটি দোকান ও ৪ টি বসত পুড়ে যায়। সেচ্ছাসেবক ও শিবিরের বাসিন্দারা সচেতন থাকার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে।
 
উল্লেখ্য চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছোট বড় সাতটির অধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।