গাজীপুরের টঙ্গীতে শিশু নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে চড় মারার ঘটনায় শিশুটির বাবাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে যে তথ্য ছড়িয়েছে তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে এমনটা জানান তিনি।পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেছেন,গাজীপুর পুলিশ কমিশনারের সাথে আমি কথা বলেছি। টঙ্গীর মাদরাসার ঘটনায় শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তার করার কোনো সিদ্ধান্ত পুলিশ নেয়নি এবং পুলিশ কোনো অভিযানও পরিচালনা করেনি।
পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, সরকারের পক্ষ থেকেও গ্রেপ্তারের কোনো পরামর্শ পুলিশকে দেয়া হয়নি। কতিপয় মিডিয়াতে শাহজালাল রুমির গ্রেপ্তারের অভিযানের বিষয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) গাজীপুরের টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায়
প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (৭) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মোসলেম আহম্মদ (৩০) নামের এক মাদরাসা শিক্ষককে মারধর করে পুলিশে দিয়েছেন তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবার করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হয়। অন্যদিকে, মাদরাসায় হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষকদের মারধরের অভিযোগে থানায় পৃথক অভিযোগ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীতে শিশু নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে চড় মারার ঘটনায় শিশুটির বাবাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে যে তথ্য ছড়িয়েছে তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে এমনটা জানান তিনি।পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেছেন,গাজীপুর পুলিশ কমিশনারের সাথে আমি কথা বলেছি। টঙ্গীর মাদরাসার ঘটনায় শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তার করার কোনো সিদ্ধান্ত পুলিশ নেয়নি এবং পুলিশ কোনো অভিযানও পরিচালনা করেনি।
পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, সরকারের পক্ষ থেকেও গ্রেপ্তারের কোনো পরামর্শ পুলিশকে দেয়া হয়নি। কতিপয় মিডিয়াতে শাহজালাল রুমির গ্রেপ্তারের অভিযানের বিষয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) গাজীপুরের টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায়
প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (৭) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মোসলেম আহম্মদ (৩০) নামের এক মাদরাসা শিক্ষককে মারধর করে পুলিশে দিয়েছেন তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবার করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হয়। অন্যদিকে, মাদরাসায় হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষকদের মারধরের অভিযোগে থানায় পৃথক অভিযোগ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মতামত