শৈশবে চোখের সামনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন করতে দেখে বিএনপির রাজনীতি ও আদর্শের প্রতি অনুরাগী হয়েছিলেন এমএ মান্নান। সেই ছোটবেলার গভীর অনুরাগ থেকেই যুক্ত হন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে। এরপর বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে যুবদল হয়ে বর্তমানে তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে গিয়ে মোট ১৪টি মামলার আসামিও হতে হয়েছে তাকে। এবার স্থানীয় বারুইপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলের দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী হিসেবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই ত্যাগী নেতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বারুইপাড়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মাঝে এমএ মান্নানের সুপরিচিতি রয়েছে। মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকায় তৃনমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে একাধিকবার মামলা-হামলা ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে এমএ মান্নান বলেন, "ছোটবেলায় যখন জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিজ হাতে মাটি কাটতে দেখেছিলাম, তখনই বিএনপির জিয়া আদর্শ ও রাজনীতি আমার মনে গভীরভাবে দাগ কাটে। সেই থেকে বিএনপির প্রতি এক ধরণের অকৃত্রিম ভালোবাসা তৈরি হয়। ছাত্রদল দিয়ে রাজনীতি শুরু করে আজ পর্যন্ত কোনো লোভ-লালসার কাছে নতি স্বীকার করিনি।"
তিনি আরও বলেন, "দীর্ঘদিন দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছি, রাজনৈতিক কারণে ১৪টি মিথ্যা মামলার শিকার হতে হয়েছে। কিন্তু কখনো রাজপথ ছেড়ে যাইনি। এবার বারুইপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিএনপির কাছে মনোনয়ন চাইব। দল যদি আমার বিগত দিনের ত্যাগ ও অবদান বিবেচনা করে আমাকে প্রতীক দেয়, তবে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হব এবং বারুইপাড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব।"
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, বিগত দিনের রাজনৈতিক হামলা-মামলা ও দূরযোগের দিনে মান্নান নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। তাই আসন্ন নির্বাচনে দলের সুযোগ্য ও পরীক্ষিত প্রার্থী হিসেবে মান্নানকেই মনোনয়নের দৌড়ে এগিয়ে রাখছেন স্থানীয় বিএনপির এক বৃহৎ অংশ।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শৈশবে চোখের সামনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন করতে দেখে বিএনপির রাজনীতি ও আদর্শের প্রতি অনুরাগী হয়েছিলেন এমএ মান্নান। সেই ছোটবেলার গভীর অনুরাগ থেকেই যুক্ত হন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে। এরপর বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে যুবদল হয়ে বর্তমানে তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে গিয়ে মোট ১৪টি মামলার আসামিও হতে হয়েছে তাকে। এবার স্থানীয় বারুইপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলের দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী হিসেবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই ত্যাগী নেতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বারুইপাড়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মাঝে এমএ মান্নানের সুপরিচিতি রয়েছে। মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকায় তৃনমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে একাধিকবার মামলা-হামলা ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে এমএ মান্নান বলেন, "ছোটবেলায় যখন জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিজ হাতে মাটি কাটতে দেখেছিলাম, তখনই বিএনপির জিয়া আদর্শ ও রাজনীতি আমার মনে গভীরভাবে দাগ কাটে। সেই থেকে বিএনপির প্রতি এক ধরণের অকৃত্রিম ভালোবাসা তৈরি হয়। ছাত্রদল দিয়ে রাজনীতি শুরু করে আজ পর্যন্ত কোনো লোভ-লালসার কাছে নতি স্বীকার করিনি।"
তিনি আরও বলেন, "দীর্ঘদিন দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছি, রাজনৈতিক কারণে ১৪টি মিথ্যা মামলার শিকার হতে হয়েছে। কিন্তু কখনো রাজপথ ছেড়ে যাইনি। এবার বারুইপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিএনপির কাছে মনোনয়ন চাইব। দল যদি আমার বিগত দিনের ত্যাগ ও অবদান বিবেচনা করে আমাকে প্রতীক দেয়, তবে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হব এবং বারুইপাড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব।"
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, বিগত দিনের রাজনৈতিক হামলা-মামলা ও দূরযোগের দিনে মান্নান নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। তাই আসন্ন নির্বাচনে দলের সুযোগ্য ও পরীক্ষিত প্রার্থী হিসেবে মান্নানকেই মনোনয়নের দৌড়ে এগিয়ে রাখছেন স্থানীয় বিএনপির এক বৃহৎ অংশ।

মতামত