কক্সবাজারের উখিয়ায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ছৈয়দুল বশর ওরফে ছিয়ক বশর (৩৫) নামের এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা আরও দুজন পালিয়ে যান। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ছৈয়দুল বশর পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের ১১৫ নম্বর সদস্য।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী জোড়া ব্রিজের পশ্চিম পাশে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া এলাকার আব্দুস ছবুরের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দিক থেকে আসা একটি সন্দেহজনক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে থামার সংকেত দেওয়া হলে চালকসহ তিনজন পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ ধাওয়া করে ছৈয়দুল বশরকে আটক করতে সক্ষম হলেও অন্য দুজন পালিয়ে যান। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যে অটোরিকশার চালকের আসনের নিচে থাকা বস্তা তল্লাশি করে পাঁচটি কার্টনে রক্ষিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের নথি অনুযায়ী, ছৈয়দুল বশরের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় আগের পাঁচটি মামলা রয়েছে। গত ছয় মাসে তিনি দুবার কারাগারে গেছেন। চাঁদাবাজি ও আড়াই লাখ পিস ইয়াবাসসংক্রান্ত মামলায় জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আবারও মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়া তাঁর ও তাঁর সিন্ডিকেটের কাছে দেশি-বিদেশি অস্ত্র রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বালুখালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া জানান, পালিয়ে যাওয়া দুজনকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ছৈয়দুল বশর ওরফে ছিয়ক বশর (৩৫) নামের এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা আরও দুজন পালিয়ে যান। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ছৈয়দুল বশর পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের ১১৫ নম্বর সদস্য।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী জোড়া ব্রিজের পশ্চিম পাশে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া এলাকার আব্দুস ছবুরের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দিক থেকে আসা একটি সন্দেহজনক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে থামার সংকেত দেওয়া হলে চালকসহ তিনজন পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ ধাওয়া করে ছৈয়দুল বশরকে আটক করতে সক্ষম হলেও অন্য দুজন পালিয়ে যান। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যে অটোরিকশার চালকের আসনের নিচে থাকা বস্তা তল্লাশি করে পাঁচটি কার্টনে রক্ষিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের নথি অনুযায়ী, ছৈয়দুল বশরের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় আগের পাঁচটি মামলা রয়েছে। গত ছয় মাসে তিনি দুবার কারাগারে গেছেন। চাঁদাবাজি ও আড়াই লাখ পিস ইয়াবাসসংক্রান্ত মামলায় জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আবারও মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়া তাঁর ও তাঁর সিন্ডিকেটের কাছে দেশি-বিদেশি অস্ত্র রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বালুখালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া জানান, পালিয়ে যাওয়া দুজনকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মতামত