দৈনিক পল্লী বাংলা

এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি

প্রথম প্রান্তিকে আয় বেড়েছে চীন, ভারত ও কোরিয়ায়

প্রথম প্রান্তিকে আয় বেড়েছে চীন, ভারত ও কোরিয়ায়

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রচলিত বাজারগুলোর পাশাপাশি এশিয়ার বড় অর্থনীতিগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় আশাব্যঞ্জক হারে বাড়ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এশীয় বাজারগুলোতে এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে চীনে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৯.৩৩ শতাংশ বেড়ে ২২ কোটি ৫৪ লাখ ডলার অতিক্রম করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় ৭.২৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে রপ্তানি পৌঁছেছে ১৩ কোটি ৪৫ লাখ ডলারে। ভারতের বাজারে ৫.৪৪ শতাংশ বেড়ে মোট ৫১ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এছাড়া এশিয়ার অন্যতম প্রধান বাজার জাপানেও কিছুটা প্রবৃদ্ধি হয়ে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৯ কোটি ৯১ লাখ ডলারে।

এশিয়ার দেশগুলোতে রপ্তানি বৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাবে দেশের মোট পণ্য রপ্তানিতেও চাঙ্গা ভাব দেখা গেছে। প্রথম প্রান্তিকে সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি আয় ৬.৩৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ২৩১ কোটি ডলার।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বাসসকে জানান, এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পণ্যভিত্তিক রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্রেতাদের চাহিদা বিশ্লেষণ এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার বিকল্প নেই। চীন ও ভারতের বিশাল ভোক্তা বাজার বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ উন্মোচন করছে। যদিও ভারতের বাজারে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কিছু বড় চ্যালেঞ্জ, তবে তা নিরসনে কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রচলিত তৈরি পোশাকের বাইরে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বাজারে চামড়াজাত পণ্য, জুতা, পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, ওষুধ, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও হালকা প্রকৌশল পণ্যের বিশাল সম্ভাবনাময় বাজার রয়েছে। গুণগত মান রক্ষা ও সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারলে এশিয়ার আঞ্চলিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

দৈনিক পল্লী বাংলা

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


প্রথম প্রান্তিকে আয় বেড়েছে চীন, ভারত ও কোরিয়ায়

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রচলিত বাজারগুলোর পাশাপাশি এশিয়ার বড় অর্থনীতিগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় আশাব্যঞ্জক হারে বাড়ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এশীয় বাজারগুলোতে এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে চীনে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৯.৩৩ শতাংশ বেড়ে ২২ কোটি ৫৪ লাখ ডলার অতিক্রম করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় ৭.২৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে রপ্তানি পৌঁছেছে ১৩ কোটি ৪৫ লাখ ডলারে। ভারতের বাজারে ৫.৪৪ শতাংশ বেড়ে মোট ৫১ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এছাড়া এশিয়ার অন্যতম প্রধান বাজার জাপানেও কিছুটা প্রবৃদ্ধি হয়ে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৯ কোটি ৯১ লাখ ডলারে।

এশিয়ার দেশগুলোতে রপ্তানি বৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাবে দেশের মোট পণ্য রপ্তানিতেও চাঙ্গা ভাব দেখা গেছে। প্রথম প্রান্তিকে সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি আয় ৬.৩৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ২৩১ কোটি ডলার।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বাসসকে জানান, এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পণ্যভিত্তিক রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্রেতাদের চাহিদা বিশ্লেষণ এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার বিকল্প নেই। চীন ও ভারতের বিশাল ভোক্তা বাজার বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ উন্মোচন করছে। যদিও ভারতের বাজারে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কিছু বড় চ্যালেঞ্জ, তবে তা নিরসনে কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রচলিত তৈরি পোশাকের বাইরে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বাজারে চামড়াজাত পণ্য, জুতা, পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, ওষুধ, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও হালকা প্রকৌশল পণ্যের বিশাল সম্ভাবনাময় বাজার রয়েছে। গুণগত মান রক্ষা ও সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারলে এশিয়ার আঞ্চলিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে।


দৈনিক পল্লী বাংলা

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শেখ আজমল হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত পল্লী বাংলা