ঢাকা ০২ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জনগণের সমস্যা সমাধানের কার্যকর ফোরাম হওয়া উচিত সংসদ: বিরোধীদলীয় নেতা গ্রামীণ এলাকায় আইসিইউ সেবা সম্প্রসারণের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের অধস্তন আদালতে বিচারক-আইনজীবীদের পোশাকবিধিতে নতুন নির্দেশনা জারি ইরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো’ আলোচনা হয়েছে : ট্রাম্প বাণিজ্যিক নথিপত্র ডিজিটাল প্রক্রিয়াকরণের পাইলট কর্মসূচি চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ফি মওকুফ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কাল শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা: অংশ নিচ্ছে ১২ লাখ ৭০ হাজার পরীক্ষার্থী হালান্দের জাদুতে কোয়ার্টারে চোখ নরওয়ের, এমবাপ্পের জোড়া গোলে বিধ্বস্ত সুইডেন, আজটেকায় মেক্সিকোর ইতিহাস ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৬৩ বসুরহাট পৌরসভার ১১৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা

টেকনাফে ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ পাচারকারী আটক

#
news image

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচারের সময় এক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

আজ বুধবার (১ জুলাই) ভোরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর শাহপরীর দ্বীপ বিওপির আওতাধীন নাফ নদী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তির নাম জাগীর হোসেন (২৮)। তিনি টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের বাসিন্দা।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান জানান, ভোরে শাহপরীর দ্বীপ বিওপির একটি চৌকস দল নাফ নদীতে নিয়মিত টহল দিচ্ছিল। অভিযান চলাকালে নাফ নদীর মিয়ানমার অংশে একটি সন্দেহজনক নৌকার গতিবিধি বিজিবির নজরে আসে। একপর্যায়ে নৌকাটি থেকে নেমে এক ব্যক্তিকে দুটি বস্তা নিয়ে সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা যায়। এ সময় বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করে নদী থেকেই তাকে স্পিডবোটের সাহায্যে আটক করেন।

বিজিবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক জাগীর হোসেন স্বীকার করেছেন যে, তিনি মিয়ানমার থেকে আসা একটি নৌকা থেকে ইয়াবার এই বিশাল চালানটি গ্রহণ করে সাঁতরে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। পরে তাঁর সঙ্গে থাকা দুটি প্লাস্টিকের বস্তা তল্লাশি করে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান আরও বলেন, "সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে ও সতর্ক রয়েছে। মাদক ও সীমান্ত অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তৎপরতা, রাডারভিত্তিক নজরদারি, নিয়মিত স্থল ও নৌ টহল এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।"

আটক ব্যক্তি এবং উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট আইনি প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে বিজিবি নিশ্চিত করেছে।

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :

০১ জুলাই, ২০২৬,  8:31 PM

news image

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচারের সময় এক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

আজ বুধবার (১ জুলাই) ভোরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর শাহপরীর দ্বীপ বিওপির আওতাধীন নাফ নদী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তির নাম জাগীর হোসেন (২৮)। তিনি টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের বাসিন্দা।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান জানান, ভোরে শাহপরীর দ্বীপ বিওপির একটি চৌকস দল নাফ নদীতে নিয়মিত টহল দিচ্ছিল। অভিযান চলাকালে নাফ নদীর মিয়ানমার অংশে একটি সন্দেহজনক নৌকার গতিবিধি বিজিবির নজরে আসে। একপর্যায়ে নৌকাটি থেকে নেমে এক ব্যক্তিকে দুটি বস্তা নিয়ে সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা যায়। এ সময় বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করে নদী থেকেই তাকে স্পিডবোটের সাহায্যে আটক করেন।

বিজিবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক জাগীর হোসেন স্বীকার করেছেন যে, তিনি মিয়ানমার থেকে আসা একটি নৌকা থেকে ইয়াবার এই বিশাল চালানটি গ্রহণ করে সাঁতরে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। পরে তাঁর সঙ্গে থাকা দুটি প্লাস্টিকের বস্তা তল্লাশি করে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান আরও বলেন, "সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা কঠোর অবস্থানে ও সতর্ক রয়েছে। মাদক ও সীমান্ত অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তৎপরতা, রাডারভিত্তিক নজরদারি, নিয়মিত স্থল ও নৌ টহল এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।"

আটক ব্যক্তি এবং উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট আইনি প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে বিজিবি নিশ্চিত করেছে।