চুনারুঘাটের মিরাশি ইউনিয়নে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান: পরীক্ষা চালাচ্ছে পেট্রোবাংলা
মো: আব্দুল ওয়াহিদ শাহিন, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :
২৭ জুন, ২০২৬, 8:19 PM
চুনারুঘাটের মিরাশি ইউনিয়নে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান: পরীক্ষা চালাচ্ছে পেট্রোবাংলা
হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় নতুন একটি প্রাকৃতিক গ্যাসের খনির সন্ধান মিলেছে। উপজেলার ১০নং মিরাশি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বড়ব্দা গ্রামে এই গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার পর সেখানে পুরোদমে পরীক্ষা ও খনন কাজ শুরু করেছে রাষ্ট্রীয় সংস্থা পেট্রোবাংলা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়ব্দা গ্রামের একটি নির্দিষ্ট স্থানে মাটির নিচ থেকে গ্যাস সদৃশ উপাদানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলে চারদিকে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পেট্রোবাংলার বিশেষজ্ঞ দল ও নিয়োজিত প্রকৌশলীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং খনির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে খনন কাজ শুরু করেন।
ঘটনাস্থলে কর্মরত পেট্রোবাংলার নিয়োজিত প্রতিনিধি ও কারিগরি কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে এখানে প্রাকৃতিক গ্যাসের শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে এই নতুন কূপে ঠিক কী পরিমাণ গ্যাস মজুদ রয়েছে এবং তা বাণিজ্যিকভাবে কতটা লাভজনক হবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও খনন কাজ শেষেই মজুদের প্রকৃত পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো সম্ভব হবে।
এদিকে দুর্গম এই পাহাড়ি জনপদে নতুন গ্যাসের সন্ধান পাওয়ার খবরে চুনারুঘাটসহ পুরো জেলাজুড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে। স্থানীয়দের আশা, এই খনি থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উৎপাদন শুরু হলে এলাকার উন্নয়নসহ দেশের জ্বালানি সংকটে বড় ধরনের ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
মো: আব্দুল ওয়াহিদ শাহিন, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :
২৭ জুন, ২০২৬, 8:19 PM
হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় নতুন একটি প্রাকৃতিক গ্যাসের খনির সন্ধান মিলেছে। উপজেলার ১০নং মিরাশি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বড়ব্দা গ্রামে এই গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার পর সেখানে পুরোদমে পরীক্ষা ও খনন কাজ শুরু করেছে রাষ্ট্রীয় সংস্থা পেট্রোবাংলা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়ব্দা গ্রামের একটি নির্দিষ্ট স্থানে মাটির নিচ থেকে গ্যাস সদৃশ উপাদানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলে চারদিকে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পেট্রোবাংলার বিশেষজ্ঞ দল ও নিয়োজিত প্রকৌশলীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং খনির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে খনন কাজ শুরু করেন।
ঘটনাস্থলে কর্মরত পেট্রোবাংলার নিয়োজিত প্রতিনিধি ও কারিগরি কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে এখানে প্রাকৃতিক গ্যাসের শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে এই নতুন কূপে ঠিক কী পরিমাণ গ্যাস মজুদ রয়েছে এবং তা বাণিজ্যিকভাবে কতটা লাভজনক হবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও খনন কাজ শেষেই মজুদের প্রকৃত পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো সম্ভব হবে।
এদিকে দুর্গম এই পাহাড়ি জনপদে নতুন গ্যাসের সন্ধান পাওয়ার খবরে চুনারুঘাটসহ পুরো জেলাজুড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে। স্থানীয়দের আশা, এই খনি থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উৎপাদন শুরু হলে এলাকার উন্নয়নসহ দেশের জ্বালানি সংকটে বড় ধরনের ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।