ঢাকা ০৫ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রযুক্তির সাহায্যে ভুল ও অপতথ্যের প্রচার মোকাবিলা এখন বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ভালো আচরণ প্রদর্শনের মাধ্যমে পুলিশি সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ আইজিপির আগামীকাল বিশ্ব পরিবেশ দিবস যুদ্ধে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে : খামেনি নিলামের মাধ্যমে ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ড্রেস ও জুতা বিতরণ করবে সরকার: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে চোখ মোসাদ্দেকের আগামীকাল শিল্পকলায় কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ স্মরণ হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু গাজীপুর কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র আইভী

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমানের জাল সনদে চাকরি

#
news image

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার মাঝিপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞানের প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান মুন্নার জাল সনদে এমপিওভুক্ত হয়ে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় ওই প্রভাষকের এমপিও বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও সরকারি অনুদান এবং বেতন-ভাতার গৃহিত অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহন চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে তালিকা পাঠানো হয়।

পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত জাল/ভুয়া সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীদের সংযুক্ত তালিকায় এই শিক্ষকের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকায় জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর ১৮.১(ঙ) অনুচ্ছেদ মোতাবেক কেন তার বিরুদ্ধে এমপিও (অনুদান ও বেতন ভাতা বাবদ সহায়তা) বাতিল ও গভর্নিংবডি কর্তৃক নিয়োগ বাতিলসহ অন্যান্য (গৃহীত অর্থ আদায় ও মামলা দায়ের) ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না তার জবাব দশ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

গত শরিবার (২৩ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বেসরকারি কলেজ শাখা-৩ থেকে প্রকাশিত কয়েকটি দাপ্তরিক চিঠিতে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। মাউশির সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিন সই এই চিঠিতে জানানো হয়, অভিযুক্ত ৮৫ জনের মধ্যে কলেজ পর্যায়ের ২৪ জন এবং স্কুল পর্যায়ের ৬১ জন শিক্ষক রয়েছেন। এরমধ্যে কলেজ পর্যায়ের এই প্রভাষকের নাম চিহ্নিত করা হয়েছে।

এনটিআরসিএ তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, মোস্তাফিজুর রহমানের দশম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৪ এর সনদটি সঠিক নয়। রোল নম্বরটি অনুত্তীর্ণ।

এ বিষয়ে প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান মুন্না বলেন, তিনি মাউশির দেওয়া শোকজের জবাব দিয়েছেন। জাল সনদের তালিকায় যে নিবন্ধন সনদটি দেখানো হয়েছে তিনি সেই সনদ দিয়ে এমপিওভুক্ত হননি অন্য একটি সনদ দিয়ে এমপিওভুক্ত হয়েছেন।

এ ব্যাপারে মাঝিপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোজাহারুল ইসলাম বলেন, তিনি যোগদানের আগেই প্রভাষক মোস্তাফিজুরের চাকরি হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না। মাউশি থেকে শোকজের পরেই তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি বলেন, নিয়োগের সময় নিয়োগ কমিটির বিষয়টি দেখা উচিত ছিল।
 
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মাউশি কর্মকর্তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে সনদটি জাল বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

০৪ জুন, ২০২৬,  9:04 PM

news image

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার মাঝিপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞানের প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান মুন্নার জাল সনদে এমপিওভুক্ত হয়ে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় ওই প্রভাষকের এমপিও বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও সরকারি অনুদান এবং বেতন-ভাতার গৃহিত অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহন চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে তালিকা পাঠানো হয়।

পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত জাল/ভুয়া সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীদের সংযুক্ত তালিকায় এই শিক্ষকের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকায় জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর ১৮.১(ঙ) অনুচ্ছেদ মোতাবেক কেন তার বিরুদ্ধে এমপিও (অনুদান ও বেতন ভাতা বাবদ সহায়তা) বাতিল ও গভর্নিংবডি কর্তৃক নিয়োগ বাতিলসহ অন্যান্য (গৃহীত অর্থ আদায় ও মামলা দায়ের) ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না তার জবাব দশ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

গত শরিবার (২৩ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বেসরকারি কলেজ শাখা-৩ থেকে প্রকাশিত কয়েকটি দাপ্তরিক চিঠিতে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। মাউশির সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিন সই এই চিঠিতে জানানো হয়, অভিযুক্ত ৮৫ জনের মধ্যে কলেজ পর্যায়ের ২৪ জন এবং স্কুল পর্যায়ের ৬১ জন শিক্ষক রয়েছেন। এরমধ্যে কলেজ পর্যায়ের এই প্রভাষকের নাম চিহ্নিত করা হয়েছে।

এনটিআরসিএ তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, মোস্তাফিজুর রহমানের দশম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০১৪ এর সনদটি সঠিক নয়। রোল নম্বরটি অনুত্তীর্ণ।

এ বিষয়ে প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান মুন্না বলেন, তিনি মাউশির দেওয়া শোকজের জবাব দিয়েছেন। জাল সনদের তালিকায় যে নিবন্ধন সনদটি দেখানো হয়েছে তিনি সেই সনদ দিয়ে এমপিওভুক্ত হননি অন্য একটি সনদ দিয়ে এমপিওভুক্ত হয়েছেন।

এ ব্যাপারে মাঝিপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোজাহারুল ইসলাম বলেন, তিনি যোগদানের আগেই প্রভাষক মোস্তাফিজুরের চাকরি হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না। মাউশি থেকে শোকজের পরেই তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি বলেন, নিয়োগের সময় নিয়োগ কমিটির বিষয়টি দেখা উচিত ছিল।
 
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মাউশি কর্মকর্তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে সনদটি জাল বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।