ঢাকা ২১ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

পরকীয়ার সন্দেহে চার সন্তানের জনককে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ১৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার পুলিশের

#
news image

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পরকীয়ার সন্দেহে ফারুক হোসেন (৪২) নামে চার সন্তানের এক জনককে গাছ ও বাড়ির বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে রশি দিয়ে পিঠমোড়া দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। প্রায় ১৬ ঘণ্টা আটকে রাখার পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে সরিষাবাড়ী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাউসী মধ্যপাড়া এলাকায় বেলাল হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে শত শত উৎসুক নারী-পুরুষের ভিড় জমে।
স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবার পরিবারের অভিযোগে  জানা যায়, স্থানীয় আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে রনি, আল-আমিন, আকাশ, রাকিবসহ কয়েকজন এবং রেশমীর পরিবারের সদস্যরা ফারুক হোসেনকে প্রথমে একটি গাছের সঙ্গে এবং পরে বাড়ির বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে হাত পিঠমোড়া করে বেঁধে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফারুক হোসেন ও বেলাল হোসেন একই গ্রামের প্রতিবেশী। বুধবার গভীর রাতে বেলাল হোসেনের রেশমী নামে এক নারীর মোবাইল ফোনে সাড়া দিয়ে ফারুক হোসেন তার ঘরে গেলে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আটক করে। পরে তাকে গণপিটুনির শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ফারুক হোসেন অভিযোগ করেন, মারধরের সময় তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগও নিয়ে নেওয়া হয়েছে।
খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে সরিষাবাড়ী থানার এসআই সুব্রত সরকারের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফারুক হোসেনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে চিকিৎসার জন্য তাকে পরিবারের সদস্য আফাজ উদ্দিনের জিম্মায় দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেন উদ্ধারকারী কর্মকর্তা এসআই সুব্রত সরকার।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। স্থানীয় ব্যক্তি আব্দুল বারীক মেলেটারী ও  হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে আইনগত পথ রয়েছে। কাউকে এভাবে বেঁধে নির্যাতন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি :

২১ মে, ২০২৬,  9:52 PM

news image

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পরকীয়ার সন্দেহে ফারুক হোসেন (৪২) নামে চার সন্তানের এক জনককে গাছ ও বাড়ির বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে রশি দিয়ে পিঠমোড়া দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। প্রায় ১৬ ঘণ্টা আটকে রাখার পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে সরিষাবাড়ী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাউসী মধ্যপাড়া এলাকায় বেলাল হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে শত শত উৎসুক নারী-পুরুষের ভিড় জমে।
স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবার পরিবারের অভিযোগে  জানা যায়, স্থানীয় আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে রনি, আল-আমিন, আকাশ, রাকিবসহ কয়েকজন এবং রেশমীর পরিবারের সদস্যরা ফারুক হোসেনকে প্রথমে একটি গাছের সঙ্গে এবং পরে বাড়ির বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে হাত পিঠমোড়া করে বেঁধে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফারুক হোসেন ও বেলাল হোসেন একই গ্রামের প্রতিবেশী। বুধবার গভীর রাতে বেলাল হোসেনের রেশমী নামে এক নারীর মোবাইল ফোনে সাড়া দিয়ে ফারুক হোসেন তার ঘরে গেলে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আটক করে। পরে তাকে গণপিটুনির শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ফারুক হোসেন অভিযোগ করেন, মারধরের সময় তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগও নিয়ে নেওয়া হয়েছে।
খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে সরিষাবাড়ী থানার এসআই সুব্রত সরকারের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফারুক হোসেনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে চিকিৎসার জন্য তাকে পরিবারের সদস্য আফাজ উদ্দিনের জিম্মায় দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেন উদ্ধারকারী কর্মকর্তা এসআই সুব্রত সরকার।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। স্থানীয় ব্যক্তি আব্দুল বারীক মেলেটারী ও  হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে আইনগত পথ রয়েছে। কাউকে এভাবে বেঁধে নির্যাতন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।